রাশিয়াই বিজয়ী হবে: পুতিন

রাশিয়াই বিজয়ী হবে: পুতিন
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার চরম আশঙ্কা এবং চলমান যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতায় জনগণের ক্লান্তির মধ্যেই মস্কোর রেড স্কোয়ারে এক নজিরবিহীন ও সীমিত পরিসরের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ তদারকি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা অনুষ্ঠানে পুতিন দাবি করেছেন, রাশিয়াই বিজয়ী হবে, যদিও মাঠের বাস্তবতা এবং এ বছরের সংক্ষিপ্ত আয়োজন তার নেতৃত্বের এক ধরনের দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে। জনতার উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে লড়তে থাকা তার সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ইউক্রেন আগ্রাসনকে বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বিজয়ী প্রজন্মের মহান কীর্তি আজ সম্মুখ সমরে থাকা যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করছে। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া পুরো ন্যাটো জোটের অস্ত্র ও সমর্থনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এ সংগ্রামে জয় হবে রাশিয়ারই।
তবে এ বছরের কুচকাওয়াজে চিরাচরিত জাঁকজমক একেবারেই অনুপস্থিত ছিল। শনিবার (৯ মে) মস্কো জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের আগ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের ঘোষণা দেওয়ায় বড় কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। যদিও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এ যুদ্ধবিরতিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে রাশিয়াকে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
কুচকাওয়াজে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের বদলে ছিল ভিডিওর ব্যবহার। ২০১৭ সালের পর প্রথম কুচকাওয়াজে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা সাঁজোয়া যানের উপস্থিতি ছিল না। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের রুশ ড্রোন ও পারমাণবিক সক্ষমতার ভিডিও দেখানো হয়। দর্শকসারিতে বেলারুশ, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের সাথে উত্তর কোরীয় সৈন্যদের একটি দলকেও কুচকাওয়াজ করতে দেখা যায়। মাত্র ৪৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত আয়োজনটি ক্রেমলিনপন্থী ভাষ্যকারদের কাছেও একটি সাদামাটা অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
এবারের বিজয় দিবসটি এমন এক সময়ে উদযাপিত হলো যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই ঐতিহাসিক যুদ্ধের চেয়েও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। পুতিন সচেতনভাবেই এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রবীণ যোদ্ধাদের বদলে ইউক্রেন ফেরত সৈন্যদের পাশে বসেছিলেন। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা রাশিয়ার অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপগুলো পুতিনের জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রে রুশ সৈন্যদের অগ্রগতি প্রায় থমকে গেছে এবং উভয় পক্ষই ব্যাপক হতাহতের শিকার হচ্ছে। এতদসত্ত্বেও পুতিন সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছেন না; বরং দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কোনো আলোচনার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে মস্কো।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার চরম আশঙ্কা এবং চলমান যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতায় জনগণের ক্লান্তির মধ্যেই মস্কোর রেড স্কোয়ারে এক নজিরবিহীন ও সীমিত পরিসরের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ তদারকি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা অনুষ্ঠানে পুতিন দাবি করেছেন, রাশিয়াই বিজয়ী হবে, যদিও মাঠের বাস্তবতা এবং এ বছরের সংক্ষিপ্ত আয়োজন তার নেতৃত্বের এক ধরনের দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে। জনতার উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে লড়তে থাকা তার সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ইউক্রেন আগ্রাসনকে বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বিজয়ী প্রজন্মের মহান কীর্তি আজ সম্মুখ সমরে থাকা যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করছে। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া পুরো ন্যাটো জোটের অস্ত্র ও সমর্থনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এ সংগ্রামে জয় হবে রাশিয়ারই।
তবে এ বছরের কুচকাওয়াজে চিরাচরিত জাঁকজমক একেবারেই অনুপস্থিত ছিল। শনিবার (৯ মে) মস্কো জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের আগ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের ঘোষণা দেওয়ায় বড় কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। যদিও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এ যুদ্ধবিরতিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে রাশিয়াকে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
কুচকাওয়াজে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের বদলে ছিল ভিডিওর ব্যবহার। ২০১৭ সালের পর প্রথম কুচকাওয়াজে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা সাঁজোয়া যানের উপস্থিতি ছিল না। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের রুশ ড্রোন ও পারমাণবিক সক্ষমতার ভিডিও দেখানো হয়। দর্শকসারিতে বেলারুশ, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের সাথে উত্তর কোরীয় সৈন্যদের একটি দলকেও কুচকাওয়াজ করতে দেখা যায়। মাত্র ৪৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত আয়োজনটি ক্রেমলিনপন্থী ভাষ্যকারদের কাছেও একটি সাদামাটা অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
এবারের বিজয় দিবসটি এমন এক সময়ে উদযাপিত হলো যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই ঐতিহাসিক যুদ্ধের চেয়েও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। পুতিন সচেতনভাবেই এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রবীণ যোদ্ধাদের বদলে ইউক্রেন ফেরত সৈন্যদের পাশে বসেছিলেন। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা রাশিয়ার অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপগুলো পুতিনের জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রে রুশ সৈন্যদের অগ্রগতি প্রায় থমকে গেছে এবং উভয় পক্ষই ব্যাপক হতাহতের শিকার হচ্ছে। এতদসত্ত্বেও পুতিন সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছেন না; বরং দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কোনো আলোচনার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে মস্কো।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

রাশিয়াই বিজয়ী হবে: পুতিন
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার চরম আশঙ্কা এবং চলমান যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতায় জনগণের ক্লান্তির মধ্যেই মস্কোর রেড স্কোয়ারে এক নজিরবিহীন ও সীমিত পরিসরের বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজ তদারকি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা অনুষ্ঠানে পুতিন দাবি করেছেন, রাশিয়াই বিজয়ী হবে, যদিও মাঠের বাস্তবতা এবং এ বছরের সংক্ষিপ্ত আয়োজন তার নেতৃত্বের এক ধরনের দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে। জনতার উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধে লড়তে থাকা তার সৈন্যদের মনোবল বাড়াতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন। ইউক্রেন আগ্রাসনকে বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বিজয়ী প্রজন্মের মহান কীর্তি আজ সম্মুখ সমরে থাকা যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করছে। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া পুরো ন্যাটো জোটের অস্ত্র ও সমর্থনের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং এ সংগ্রামে জয় হবে রাশিয়ারই।
তবে এ বছরের কুচকাওয়াজে চিরাচরিত জাঁকজমক একেবারেই অনুপস্থিত ছিল। শনিবার (৯ মে) মস্কো জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের আগ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের ঘোষণা দেওয়ায় বড় কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। যদিও ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এ যুদ্ধবিরতিকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে রাশিয়াকে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
কুচকাওয়াজে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের বদলে ছিল ভিডিওর ব্যবহার। ২০১৭ সালের পর প্রথম কুচকাওয়াজে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা সাঁজোয়া যানের উপস্থিতি ছিল না। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের রুশ ড্রোন ও পারমাণবিক সক্ষমতার ভিডিও দেখানো হয়। দর্শকসারিতে বেলারুশ, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের নেতাদের সাথে উত্তর কোরীয় সৈন্যদের একটি দলকেও কুচকাওয়াজ করতে দেখা যায়। মাত্র ৪৫ মিনিটের সংক্ষিপ্ত আয়োজনটি ক্রেমলিনপন্থী ভাষ্যকারদের কাছেও একটি সাদামাটা অনুষ্ঠান হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।
এবারের বিজয় দিবসটি এমন এক সময়ে উদযাপিত হলো যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই ঐতিহাসিক যুদ্ধের চেয়েও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। পুতিন সচেতনভাবেই এবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রবীণ যোদ্ধাদের বদলে ইউক্রেন ফেরত সৈন্যদের পাশে বসেছিলেন। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং এর ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দা রাশিয়ার অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপগুলো পুতিনের জনপ্রিয়তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অন্যদিকে, রণক্ষেত্রে রুশ সৈন্যদের অগ্রগতি প্রায় থমকে গেছে এবং উভয় পক্ষই ব্যাপক হতাহতের শিকার হচ্ছে। এতদসত্ত্বেও পুতিন সমঝোতার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছেন না; বরং দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কোনো আলোচনার সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে মস্কো।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

৩ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত রাশিয়া-ইউক্রেন: ট্রাম্প
রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত


