ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রুশ সেনাদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন
সিটিজেন ডেস্ক

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রুশ সেনাদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৯: ৫০

ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে নিজেদের নিরপেক্ষ ও শান্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করলেও রাশিয়ার সৈন্যদের গোপনে বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্য এবং হাতে পাওয়া নথিপত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বছরের শেষদিকে চীনে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে অত্যাধুনিক যুদ্ধকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ইউক্রেন সীমান্তে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে গেছে। এর মাধ্যমে বেইজিং চলমান ইউরোপীয় সংঘাতের সাথে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ জুলাই বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির অধীনে রাশিয়ার প্রায় ২০০ জন জ্যেষ্ঠ সামরিক প্রশিক্ষক ও সেনাকে চীনের বেইজিং, নানজিং, শিজিয়াজুয়াং, ঝেংঝু এবং ইবিনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কোর্সের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ফ্রন্টলাইন ড্রোন প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, সম্মিলিত অস্ত্র যুদ্ধ এবং মাইন বা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ পদ্ধতি। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) দীর্ঘ সময় বড় কোনো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও তাদের উন্নত ড্রোন শিল্প ও ফ্লাইট সিমুলেটরের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রুশ সেনাদের দক্ষ করে তুলেছে।
সংগৃহীত অভ্যন্তরীণ সামরিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুশ সেনাদের ৮২ মিলিমিটার মর্টারের নিখুঁত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ড্রোনের বাস্তবমুখী ব্যবহার শেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের ড্রোন ও জ্যামিং-প্রতিরোধী আধুনিক ফাইবার-অপ্টিক ড্রোন মোকাবিলায় অ্যান্টি-ড্রোন গান ও নেট-থ্রোয়িং ডিভাইসের কার্যকারিতাও প্রদর্শন করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে, চীন থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রুশ কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে ইউক্রেনের অধিকৃত ক্রিমিয়া ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ড্রোন হামলায় সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের পদবি জুনিয়র সার্জেন্ট থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পর্যন্ত।
যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য অস্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেন সংকটে বেইজিং শুরু থেকেই একটি বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে শান্তির পক্ষে কাজ করছে এবং কোনো পক্ষের ওপর দোষ চাপানো উচিত নয়। তবে পশ্চিমা দেশগুলো চীন ও রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান সীমাহীন কৌশলগত অংশীদারিত্বকে গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিংয়ের ২৫তম দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় এ তথ্য সামনে আসায় বৈশ্বিক রাজনীতি ও রণকৌশলে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে যাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে নিজেদের নিরপেক্ষ ও শান্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করলেও রাশিয়ার সৈন্যদের গোপনে বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্য এবং হাতে পাওয়া নথিপত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বছরের শেষদিকে চীনে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে অত্যাধুনিক যুদ্ধকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ইউক্রেন সীমান্তে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে গেছে। এর মাধ্যমে বেইজিং চলমান ইউরোপীয় সংঘাতের সাথে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ জুলাই বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির অধীনে রাশিয়ার প্রায় ২০০ জন জ্যেষ্ঠ সামরিক প্রশিক্ষক ও সেনাকে চীনের বেইজিং, নানজিং, শিজিয়াজুয়াং, ঝেংঝু এবং ইবিনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কোর্সের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ফ্রন্টলাইন ড্রোন প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, সম্মিলিত অস্ত্র যুদ্ধ এবং মাইন বা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ পদ্ধতি। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) দীর্ঘ সময় বড় কোনো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও তাদের উন্নত ড্রোন শিল্প ও ফ্লাইট সিমুলেটরের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রুশ সেনাদের দক্ষ করে তুলেছে।
সংগৃহীত অভ্যন্তরীণ সামরিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুশ সেনাদের ৮২ মিলিমিটার মর্টারের নিখুঁত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ড্রোনের বাস্তবমুখী ব্যবহার শেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের ড্রোন ও জ্যামিং-প্রতিরোধী আধুনিক ফাইবার-অপ্টিক ড্রোন মোকাবিলায় অ্যান্টি-ড্রোন গান ও নেট-থ্রোয়িং ডিভাইসের কার্যকারিতাও প্রদর্শন করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে, চীন থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রুশ কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে ইউক্রেনের অধিকৃত ক্রিমিয়া ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ড্রোন হামলায় সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের পদবি জুনিয়র সার্জেন্ট থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পর্যন্ত।
যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য অস্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেন সংকটে বেইজিং শুরু থেকেই একটি বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে শান্তির পক্ষে কাজ করছে এবং কোনো পক্ষের ওপর দোষ চাপানো উচিত নয়। তবে পশ্চিমা দেশগুলো চীন ও রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান সীমাহীন কৌশলগত অংশীদারিত্বকে গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিংয়ের ২৫তম দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় এ তথ্য সামনে আসায় বৈশ্বিক রাজনীতি ও রণকৌশলে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে যাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রুশ সেনাদের গোপনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৯: ৫০

ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে নিজেদের নিরপেক্ষ ও শান্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দাবি করলেও রাশিয়ার সৈন্যদের গোপনে বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে চীন। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন তথ্য এবং হাতে পাওয়া নথিপত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বছরের শেষদিকে চীনে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে অত্যাধুনিক যুদ্ধকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ইউক্রেন সীমান্তে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে গেছে। এর মাধ্যমে বেইজিং চলমান ইউরোপীয় সংঘাতের সাথে আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ জুলাই বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তির অধীনে রাশিয়ার প্রায় ২০০ জন জ্যেষ্ঠ সামরিক প্রশিক্ষক ও সেনাকে চীনের বেইজিং, নানজিং, শিজিয়াজুয়াং, ঝেংঝু এবং ইবিনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কোর্সের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল ফ্রন্টলাইন ড্রোন প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, সম্মিলিত অস্ত্র যুদ্ধ এবং মাইন বা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ পদ্ধতি। চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) দীর্ঘ সময় বড় কোনো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও তাদের উন্নত ড্রোন শিল্প ও ফ্লাইট সিমুলেটরের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রুশ সেনাদের দক্ষ করে তুলেছে।
সংগৃহীত অভ্যন্তরীণ সামরিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, রুশ সেনাদের ৮২ মিলিমিটার মর্টারের নিখুঁত লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ড্রোনের বাস্তবমুখী ব্যবহার শেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে শত্রুপক্ষের ড্রোন ও জ্যামিং-প্রতিরোধী আধুনিক ফাইবার-অপ্টিক ড্রোন মোকাবিলায় অ্যান্টি-ড্রোন গান ও নেট-থ্রোয়িং ডিভাইসের কার্যকারিতাও প্রদর্শন করা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে, চীন থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রুশ কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে ইউক্রেনের অধিকৃত ক্রিমিয়া ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ড্রোন হামলায় সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যাদের পদবি জুনিয়র সার্জেন্ট থেকে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পর্যন্ত।
যদিও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য অস্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেন সংকটে বেইজিং শুরু থেকেই একটি বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে শান্তির পক্ষে কাজ করছে এবং কোনো পক্ষের ওপর দোষ চাপানো উচিত নয়। তবে পশ্চিমা দেশগুলো চীন ও রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান সীমাহীন কৌশলগত অংশীদারিত্বকে গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফরের পরপরই বেইজিংয়ে ভ্লাদিমির পুতিন ও শি জিনপিংয়ের ২৫তম দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় এ তথ্য সামনে আসায় বৈশ্বিক রাজনীতি ও রণকৌশলে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে যাচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় সহায়তার আশ্বাস রাশিয়ার


