হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি ঘোষণা

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মশাল মিছিল ও শুক্রবার (৫ জুন) বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার করার দায়িত্ব ইনকিলাব মঞ্চ বা আমাদের নয়। এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কে শহীদ ওসমান হাদিকে খুন করেছে সেটি রাষ্ট্র বের করবে। তা না করে উল্টো এই সরকারের পক্ষ থেকে এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীর পক্ষ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবারকে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অনেকেই বলেন যে ওসমান হাদি কে ছিলেন? তার রাজনীতি কী ছিল? একটি কথা আজ স্পষ্ট করে বলে দেই, ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের আজাদি, যাকে খুন করার জন্য আধিপত্যবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দিতে হয়েছে। ওসমান হাদির রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের স্বাধীনতা। তোমরা ছাপড়ি বাহিনী ওসমান হাদিকে যতই বাংলাদেশের মাটি থেকে নাই করে দিতে চাও, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ শহীদ ওসমান হাদিকে ততই প্রাসঙ্গিক করে তুলবে।
তিনি বলেন, আজ আমরা কোনো দফা দেওয়ার জন্য এখানে আসি নি। আজ আমরা ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে ধাবিত হওয়ার জন্য বসেছি।
জাবের বলেন, এই রাষ্ট্র শহীদ ওসমান হাদির খুনকে কেন্দ্র করে একটি অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে। আমরা চাই এই রাষ্ট্রের কুশীলবরা যাতে আলোর মুখ দেখে, এই জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি মশাল মিছিলের আয়োজন করবো। শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সকল জনগণকে খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সারা দেশে বিক্ষোভের আহ্বান করছি।
তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি এখন শুধুমাত্র বাংলাদেশের কোনো অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটি এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এই প্রশ্নে আমাদের আর ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মশাল মিছিল ও শুক্রবার (৫ জুন) বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার করার দায়িত্ব ইনকিলাব মঞ্চ বা আমাদের নয়। এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কে শহীদ ওসমান হাদিকে খুন করেছে সেটি রাষ্ট্র বের করবে। তা না করে উল্টো এই সরকারের পক্ষ থেকে এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীর পক্ষ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবারকে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অনেকেই বলেন যে ওসমান হাদি কে ছিলেন? তার রাজনীতি কী ছিল? একটি কথা আজ স্পষ্ট করে বলে দেই, ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের আজাদি, যাকে খুন করার জন্য আধিপত্যবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দিতে হয়েছে। ওসমান হাদির রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের স্বাধীনতা। তোমরা ছাপড়ি বাহিনী ওসমান হাদিকে যতই বাংলাদেশের মাটি থেকে নাই করে দিতে চাও, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ শহীদ ওসমান হাদিকে ততই প্রাসঙ্গিক করে তুলবে।
তিনি বলেন, আজ আমরা কোনো দফা দেওয়ার জন্য এখানে আসি নি। আজ আমরা ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে ধাবিত হওয়ার জন্য বসেছি।
জাবের বলেন, এই রাষ্ট্র শহীদ ওসমান হাদির খুনকে কেন্দ্র করে একটি অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে। আমরা চাই এই রাষ্ট্রের কুশীলবরা যাতে আলোর মুখ দেখে, এই জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি মশাল মিছিলের আয়োজন করবো। শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সকল জনগণকে খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সারা দেশে বিক্ষোভের আহ্বান করছি।
তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি এখন শুধুমাত্র বাংলাদেশের কোনো অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটি এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এই প্রশ্নে আমাদের আর ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচি ঘোষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মশাল মিছিল ও শুক্রবার (৫ জুন) বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।
তিনি বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার করার দায়িত্ব ইনকিলাব মঞ্চ বা আমাদের নয়। এই দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কে শহীদ ওসমান হাদিকে খুন করেছে সেটি রাষ্ট্র বের করবে। তা না করে উল্টো এই সরকারের পক্ষ থেকে এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনীর পক্ষ থেকে ইনকিলাব মঞ্চ ও তার পরিবারকে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, অনেকেই বলেন যে ওসমান হাদি কে ছিলেন? তার রাজনীতি কী ছিল? একটি কথা আজ স্পষ্ট করে বলে দেই, ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের আজাদি, যাকে খুন করার জন্য আধিপত্যবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশ দিতে হয়েছে। ওসমান হাদির রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের স্বাধীনতা। তোমরা ছাপড়ি বাহিনী ওসমান হাদিকে যতই বাংলাদেশের মাটি থেকে নাই করে দিতে চাও, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষ শহীদ ওসমান হাদিকে ততই প্রাসঙ্গিক করে তুলবে।
তিনি বলেন, আজ আমরা কোনো দফা দেওয়ার জন্য এখানে আসি নি। আজ আমরা ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে চূড়ান্ত আন্দোলনের দিকে ধাবিত হওয়ার জন্য বসেছি।
জাবের বলেন, এই রাষ্ট্র শহীদ ওসমান হাদির খুনকে কেন্দ্র করে একটি অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে। আমরা চাই এই রাষ্ট্রের কুশীলবরা যাতে আলোর মুখ দেখে, এই জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি মশাল মিছিলের আয়োজন করবো। শুক্রবার বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভের ডাক দিচ্ছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সকল জনগণকে খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সারা দেশে বিক্ষোভের আহ্বান করছি।
তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি এখন শুধুমাত্র বাংলাদেশের কোনো অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটি এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। এই প্রশ্নে আমাদের আর ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চ, সরকার পতন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি


