যুদ্ধবিরতি শেষে ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতি শেষে ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৮: ৩৯

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত তিন দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই ইউক্রেনজুড়ে নজিরবিহীন ও বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হওয়া এ দীর্ঘস্থায়ী অভিযানে রাজধানী কিয়েভ, পোল্যান্ড সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরনগরী ওডেসাসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ার এ ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, বুধবার ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে চালানো এ হামলায় প্রায় ৮০০ ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। তবে রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের বিপরীতে ইউক্রেনও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। তারা রাশিয়ার অভ্যন্তরে পাল্টা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ওরেনবার্গে অবস্থিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে এবং তাদের তিনটি শিল্প স্থাপনায় ইউক্রেনীয় হামলার বিষয়টি স্বীকার করছে মস্কো।
এ ভয়াবহ পরিস্থিতির আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ উদ্যোগে গত ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ ৪ বছরের যুদ্ধ থামানোর জন্য একটি বড় কূটনৈতিক চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে শুরু থেকেই এ যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয় এবং উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। শেষ পর্যন্ত কার্যত কোনো কার্যকর ফল ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয় এবং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। যুদ্ধের এ নতুন মোড় যখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ঠিক তখনই রাশিয়া সারমাত নামের একটি শক্তিশালী নতুন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এটি পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত তিন দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই ইউক্রেনজুড়ে নজিরবিহীন ও বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হওয়া এ দীর্ঘস্থায়ী অভিযানে রাজধানী কিয়েভ, পোল্যান্ড সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরনগরী ওডেসাসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ার এ ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, বুধবার ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে চালানো এ হামলায় প্রায় ৮০০ ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। তবে রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের বিপরীতে ইউক্রেনও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। তারা রাশিয়ার অভ্যন্তরে পাল্টা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ওরেনবার্গে অবস্থিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে এবং তাদের তিনটি শিল্প স্থাপনায় ইউক্রেনীয় হামলার বিষয়টি স্বীকার করছে মস্কো।
এ ভয়াবহ পরিস্থিতির আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ উদ্যোগে গত ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ ৪ বছরের যুদ্ধ থামানোর জন্য একটি বড় কূটনৈতিক চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে শুরু থেকেই এ যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয় এবং উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। শেষ পর্যন্ত কার্যত কোনো কার্যকর ফল ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয় এবং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। যুদ্ধের এ নতুন মোড় যখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ঠিক তখনই রাশিয়া সারমাত নামের একটি শক্তিশালী নতুন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এটি পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

যুদ্ধবিরতি শেষে ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ১৮: ৩৯

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত তিন দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই ইউক্রেনজুড়ে নজিরবিহীন ও বিধ্বংসী হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। বুধবার (১৩ মে) থেকে শুরু হওয়া এ দীর্ঘস্থায়ী অভিযানে রাজধানী কিয়েভ, পোল্যান্ড সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরনগরী ওডেসাসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন প্রান্ত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন, রাশিয়ার এ ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। জেলেনস্কির দাবি অনুযায়ী, বুধবার ভোর থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে চালানো এ হামলায় প্রায় ৮০০ ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। তবে রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের বিপরীতে ইউক্রেনও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। তারা রাশিয়ার অভ্যন্তরে পাল্টা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার ওরেনবার্গে অবস্থিত একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় বড় ধরনের হামলার খবর পাওয়া গেছে এবং তাদের তিনটি শিল্প স্থাপনায় ইউক্রেনীয় হামলার বিষয়টি স্বীকার করছে মস্কো।
এ ভয়াবহ পরিস্থিতির আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ উদ্যোগে গত ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত ৩ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ ৪ বছরের যুদ্ধ থামানোর জন্য একটি বড় কূটনৈতিক চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে শুরু থেকেই এ যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয় এবং উভয় দেশই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। শেষ পর্যন্ত কার্যত কোনো কার্যকর ফল ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হয় এবং পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। যুদ্ধের এ নতুন মোড় যখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ঠিক তখনই রাশিয়া সারমাত নামের একটি শক্তিশালী নতুন আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) উৎক্ষেপণ করা ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং এটি পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

শক্তিশালী পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া


