
এককে ভেনাস শেষবার জিতেছিলেন ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ওয়াশিংটনে। ২০১৯ সালে প্রথম রাউন্ডে জয়ের পর থেকে ইউএস ওপেনে টানা ছয় ম্যাচ হারলেন তিনি।

নাভোনের জন্য এই জয় তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ঘটনা। ২৫ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন কখনও গ্র্যান্ড স্লামের তৃতীয় রাউন্ড পার হতে পারেননি, ইউওস ওপেনে তার সেরা সাফল্য দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা।

৪৪ বছর বয়সি সেরেনা ও ৪৬ বছর বয়সি ভেনাসের ডাবলস ক্যারিয়ারের সাফল্য তাদের প্রত্যাবর্তনকে বিশেষ করে তুলেছে।

চলতি বছর প্রথম শিরোপা জিতলেন ২২ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। সিনসিনাটি ওপেনে এটি তার দ্বিতীয় ট্রফি।

রানার-আপ পাবেন ৩৪ কোটি ২০ লাখ টাকা। সেমিফাইনালিস্টের ১৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা করে আর কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা পাবেন ৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

লন্ডনের অল ইংল্যান্ড ক্লাবে আলেকসান্দার জভেরেভকে হারিয়ে উইম্বলডনের পুরুষ এককের শিরোপা ধরে রাখলেন ইয়ানিক সিনার। রোমাঞ্চকর ফাইনালে জার্মানির জভেরেভকে পরাস্ত করে ক্যারিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্লাম ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন এই ইতালিয়ান।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে টেনিসের রাজকীয় মঞ্চ উইম্বলডনে ফিরছেন মার্কিন টেনিস কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস। ৪৪ বছর বয়সী এ তারকা আসন্ন উইম্বলডন টেনিসের নারী এককে (সিঙ্গেলস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বরে থাকা আন্দ্রিভা ফাইনাল শুরুর আগেই ফেবারিট ছিলেন। ১৫ বছর বয়সে প্রথম ডব্লিউটিএ ট্যুর ম্যাচ জেতা এই রুশ এরই মধ্যে ৫টি ডব্লিউটিএ শিরোপা জিতেছেন।

টানা তিন হারের পর এই প্রথম সোয়াতেকের বিপক্ষে কোনো সেট জিতলেন মার্তা কস্তুক। জয়ের পর উচ্ছ্বসিত কস্তুক বলেন, ‘আমি এখনও ঘোরের মধ্যে আছি। আমি শুধু টেনিসকে ভালোবাসি বলেই খেলি, জয়-পরাজয় নিয়ে ভাবি না।’

এবার ফাইনালে জিতলেই সার্বিয়ান তারকা জোকোভিচের পর, দ্বিতীয় জন হিসেবে গোল্ডেন মাস্টার্স (৯টি মাস্টার্স টুর্নামেন্টের সব জয়) জয়ের কীর্তি গড়বেন সিনার।

এই জয়ে সিনার রাফায়েল নাদালের একটি কৃতিত্বেও ভাগ বসিয়েছেন। সেটি হলো- এক মৌসুমে প্রথম পাঁচটি মাস্টার্স টুর্নামেন্টের সবকটিতেই সেমিফাইনালে ওঠা।

কোহলি ও জোকোভিচের বন্ধুত্বের কথা প্রথম জানা যায় আড়াই বছর আগে। জোকোভিচ তখন বলেছিলেন, কোহলির সঙ্গে তার কখনো দেখা না হলেও বার্তা আদান-প্রদান চলে নিয়মিত।

সাবেক নাম্বার ওয়ান এবং ২৪ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী জোকোভিচ এক মাস আগে ইন্ডিয়ান ওয়েলস চতুর্থ রাউন্ডে জ্যাক ড্র্যাপারের কাছে হারের পর আর কোর্টে নামেননি।

গত সপ্তাহে মন্টে কার্লো মাস্টার্সের ফাইনালে ইয়ানিক সিনারের কাছে হেরে র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে যান আলকারাজ।

ফাইনালে সিনার ৬-৪, ৬-৪ গেমে লেহেচকাকে হারিয়েছেন। একই মৌসুমে ইন্ডিয়ান ওয়েলস এবং মিয়ামি ওপেন জেতাকে টেনিসের ভাষায় বলা হয় সানশাইন ডাবল। ২০১৭ সালে রজার ফেদেরারের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন সিনার।

রিবাকিনা এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইন্ডিয়ান ওয়েলসের ফাইনালে উঠলেন। ২০২৩ সালে এখানে সাবালেঙ্কাকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিলেন।

স্বদেশি রাফায়েল নাদালের রেকর্ড ভেঙে ক্যারিয়ার স্লাম পূর্ণ করলেন ২২ বছর বয়সী আলকারাজ। সপ্তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ী আলকারাজ এর আগে দুবার করে জিতেছেন ইউএস ওপেন, উইম্বলডন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন।

ফাইনালে ফেবারিট তকমাটা ছিল সাবালেঙ্কার জন্যই। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস বলছিল রিবাকিনা কঠিন প্রতিপক্ষই শীর্ষ বাছাই সাবালেঙ্কার জন্য। সাবালেঙ্কা ৮-৬ ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও দুজনের সর্বশেষ ৯ লড়াইয়ে টানা দুবার জিততে পারেননি কেউ।

ঐতিহাসিক ২৫তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের লক্ষ্যে জোকোভিচ ২০২৩ সালের ইউএস ওপেনের পর থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সিনার ও আলকারাসের উত্থানের ফলে কাজটি ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে।

আলকারাজ বলেন, ‘সবসময় বিশ্বাস রেখেছি। আমি সবসময় বলি যতই ঝড়ঝাপ্টা আসুক, নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে। তৃতীয় সেটের মাঝামাঝি সময়ে চোট পেলাম। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আগেও পড়েছি। কিন্তু আমি ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়াইনি। শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করে গিয়েছি।’