


এবার একাই পাঁচটি পুরস্কার জিতে নিয়েছেন সূর্যবংশী। আইপিএল ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একইসঙ্গে জিতেছেন টুর্নামেন্টের উঠতি ক্রিকেটার ও সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার।

ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপে ১৫ ছক্কায় ৪২ বলে ১৪৪ রান করেন সূর্যবংশী। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে যা এখন পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস।

১৪ ম্যাচের আটটি জিতে ১৬ পয়েন্ট রাজস্থানের। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই আছে পাঞ্জাব। আর এক ম্যাচ কম খেলা কলকাতার পয়েন্ট ১৩।

রবিবার (২৪ মে) মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে খেলতে নেমে রেকর্ডটি নিজের করে নিতে বৈভবের প্রয়োজন ছিল ২ রান। ৬ বলে ৪ রান করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ওপেনার।

স্থানীয় ভক্ত-সমর্থকরা ধোনিকে মাঠে দেখার অপেক্ষায়। ধোনির বর্তমান বয়স ৪৪। ধারণা করা হচ্ছে এবারের আইপিএল শেষে অবসর নিতে পারেন তিনি।

আইপিএলের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ম্যাচের সময় আইপিএল আচরণবিধির ২.৩ অনুচ্ছেদের লেভেল ১ লঙ্ঘন করেছেন পোলার্ড।

বিরাট কোহলি ও রোহিত শার্মার মতো বড় তারকা নন মানিশ পান্ডে। তবে মনিশের ক্যারিয়ারটা বেশ দীর্ঘ। সেই পথচলায় এবার কোহলি ও রোহিতের পাশে বসলেন ৩৬ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।

চলতি আইপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ভারতের তরুণ ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। ৮ ম্যাচে ৩৫৭ রান করে তিনি কমলা টুপির দৌড়ে ভালোভাবেই আছেন।

পাওয়ার প্লেতে ৬ উইকেট হারানো দিল্লি ১৩ রান করতে পারে। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ছয় ওভারে যা সর্বনিম্ন।

এক অনুশীলন ম্যাচে বাঁধে বিপত্তি। আগে চোট পাওয়া পায়ের পেশিতে নতুন আঘাত পান।

২০১১ সালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ৪০ বলে অপরাজিত ৭০ রান করেছিলেন ধোনি।

শুরু থেকেই মাঠে ব্যাট হাতে ঝড় তোলা সূর্যবংশী ফিফটি করেছেন ১৫ বলে। ৩৬ বলে তিন অঙ্কও ছুঁয়েছেন দাপটের সঙ্গে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দিনের প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ২৬৫ রান তাড়া করে জিতেছে পাঞ্জাব কিংস।

মাথায় আঘাত না পেলেও স্যান্টনারের কাঁধের চোট গুরুতর বলে মনে হয়েছে। কিন্তু তারপরও ‘কনকাশন সাব’ পাওয়ার কথা নয়।

প্রথম দল হিসেবে ২০১২ সালে লজ্জার এই নজির গড়েছিল ডেকান চার্জার্স (তৎকালীন নাম)। তারা আইপিএলের প্রথম ৬টি ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি। দ্বিতীয় দল হিসেবে ২০১৩ সালে এই নজির গড়েছিল দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস (তৎকালীন নাম)।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত এখনও বহাল আছে। এবার জিওস্টার চুক্তি বাতিল করায় বাংলাদেশ সরকার যদি সিদ্ধান্ত পাল্টায়ও, তবু বাংলাদেশে স্থানীয় কোনো ব্রডকাস্টারের আইপিএল দেখানোর সুযোগ থাকলো না।

ভারতীয় ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে আসন্ন আইপিএল সম্প্রচারে আর কোনো বাধা নেই। নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমন তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশি বাঁ-হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল খেলা হচ্ছে না। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে মোস্তাফিজের চাহিদা আছে। তাই আইপিএল খেলা না হলেও বসে থাকছেন না কাটার মাস্টার। ঠিকই তাকে লুফে নিয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। পিএসএলের অফিশিয়াল পেজ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর জানানো হয়েছে।

বিসিবির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শহিদ আফ্রিদি। তার মতে, মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্যই লজ্জাজনক।

গত পরশু পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সের ফেসবুক পেজে ফলোয়ার ছিলো ১ কোটি ৮০ লাখ। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।