দুদক না, আসিফ মাহমুদ আমাকে ফেস করুক: রাশেদ খাঁন

দুদক না, আসিফ মাহমুদ আমাকে ফেস করুক: রাশেদ খাঁন
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে এটা অনুসন্ধান নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে আসিফ মাহমুদকে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক! এরপর সে দুর্নীতি করেছে কী করে নাই, সেটা আমি প্রমাণ করে দিবো।
সরকারের উপদেষ্টা হয়ে সে কেন এবং কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই গেল? এটার কোনো সদুত্তর আজও তিনি দিতে পেরেছেন? বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময় তো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে। সেসময়কার দুদক এতো নিরপেক্ষ হলে এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলেও, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি?
তখন যদি অভিযোগসমূহের বিষয়ে দুদক তদন্ত করে ফেলতো, তাহলে তো বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না! আর বড় বিষয় হলো, আজকে প্রেসক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারের প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কেন কোনো সিনিয়র নেতাকে পাওয়া গেলো না? ইতোমধ্যে এনসিপির অফিসে আসিফ মাহমুদের সাংবাদিক সম্মেলনেও সিনিয়র কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি! তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছে না?
আমি আগেই স্পষ্ট করেছি, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতের আমির কেন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে রাজি হলো না? আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি না করলে সেসময় আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন দেওয়ার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধটাও কেন জামায়াতের আমির রাখলো না? আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিলো? জাতীয় নির্বাচনে যেকারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা -১০ আসন ছাড়েনি, একই কারণে কি এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ছাড় দিবে?”
এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাম্প্রতিক দুর্নীতির অভিযোগ খণ্ডন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ। এ সময় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে প্রচারিত দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা তথ্য নথিপত্রের ভিত্তিতে তুলে ধরেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ জানান, ‘দুদকের মুখপাত্র যে প্রেস ব্রিফিং করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। তারপর আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি তিনি বলেছেন, প্রাথমিক শব্দটা বাদ দেওয়ার জন্য। এর মধ্যে সব মিডিয়ায় নিউজ হয়ে গেছে, আমার মানহানি হয়ে গেছে। এরপর আমি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেই। আমি বলেছিলাম আইনি প্রক্রিয়ায় যাবো। ইতোমধ্যে আমাদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি বলেন, এই অনুসন্ধান আসলে অনুসন্ধান না। এটা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি। গ্রুপের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আমলে যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করা হয়েছিল, ভয় দেখিয়ে রাখা হয়েছিল, তারা আবারও সেটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আসিফ মাহমুদঢাকা উত্তর সিটির ভোটার হলেন আসিফ মাহমুদ
তিনি আরও বলেন, যদি এই স্পেসিফিক ইস্যুতে অনুসন্ধান করতে হয়, তাহলে অনুসন্ধান করতে হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। আমার বিরুদ্ধে না। কারণ আমি একদম ডকুমেন্ট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। এই স্পেসিফিক ঘটনাটা ঘটেছে বিএনপি সরকারের সময়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় আগে আমি পদত্যাগ করেছি।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আমি ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ পদত্যাগপত্র দিয়েছি এবং ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ সেটা গৃহীত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করে আবারও এটা রাজনৈতিক কায়দায় পরিচালিত করছে।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে এটা অনুসন্ধান নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে আসিফ মাহমুদকে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক! এরপর সে দুর্নীতি করেছে কী করে নাই, সেটা আমি প্রমাণ করে দিবো।
সরকারের উপদেষ্টা হয়ে সে কেন এবং কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই গেল? এটার কোনো সদুত্তর আজও তিনি দিতে পেরেছেন? বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময় তো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে। সেসময়কার দুদক এতো নিরপেক্ষ হলে এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলেও, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি?
তখন যদি অভিযোগসমূহের বিষয়ে দুদক তদন্ত করে ফেলতো, তাহলে তো বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না! আর বড় বিষয় হলো, আজকে প্রেসক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারের প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কেন কোনো সিনিয়র নেতাকে পাওয়া গেলো না? ইতোমধ্যে এনসিপির অফিসে আসিফ মাহমুদের সাংবাদিক সম্মেলনেও সিনিয়র কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি! তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছে না?
আমি আগেই স্পষ্ট করেছি, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতের আমির কেন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে রাজি হলো না? আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি না করলে সেসময় আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন দেওয়ার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধটাও কেন জামায়াতের আমির রাখলো না? আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিলো? জাতীয় নির্বাচনে যেকারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা -১০ আসন ছাড়েনি, একই কারণে কি এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ছাড় দিবে?”
এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাম্প্রতিক দুর্নীতির অভিযোগ খণ্ডন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ। এ সময় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে প্রচারিত দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা তথ্য নথিপত্রের ভিত্তিতে তুলে ধরেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ জানান, ‘দুদকের মুখপাত্র যে প্রেস ব্রিফিং করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। তারপর আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি তিনি বলেছেন, প্রাথমিক শব্দটা বাদ দেওয়ার জন্য। এর মধ্যে সব মিডিয়ায় নিউজ হয়ে গেছে, আমার মানহানি হয়ে গেছে। এরপর আমি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেই। আমি বলেছিলাম আইনি প্রক্রিয়ায় যাবো। ইতোমধ্যে আমাদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি বলেন, এই অনুসন্ধান আসলে অনুসন্ধান না। এটা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি। গ্রুপের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আমলে যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করা হয়েছিল, ভয় দেখিয়ে রাখা হয়েছিল, তারা আবারও সেটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আসিফ মাহমুদঢাকা উত্তর সিটির ভোটার হলেন আসিফ মাহমুদ
তিনি আরও বলেন, যদি এই স্পেসিফিক ইস্যুতে অনুসন্ধান করতে হয়, তাহলে অনুসন্ধান করতে হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। আমার বিরুদ্ধে না। কারণ আমি একদম ডকুমেন্ট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। এই স্পেসিফিক ঘটনাটা ঘটেছে বিএনপি সরকারের সময়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় আগে আমি পদত্যাগ করেছি।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আমি ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ পদত্যাগপত্র দিয়েছি এবং ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ সেটা গৃহীত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করে আবারও এটা রাজনৈতিক কায়দায় পরিচালিত করছে।

দুদক না, আসিফ মাহমুদ আমাকে ফেস করুক: রাশেদ খাঁন
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে এটা অনুসন্ধান নয়, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে আসিফ মাহমুদকে সামনাসামনি বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ চ্যালেঞ্জ জানান।
সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
“আসিফ মাহমুদকে দুদক ফেস করা লাগবে না, শুধু আমাকে সামনাসামনি ফেস করুক! এরপর সে দুর্নীতি করেছে কী করে নাই, সেটা আমি প্রমাণ করে দিবো।
সরকারের উপদেষ্টা হয়ে সে কেন এবং কী কারণে বেসরকারি সফরে দুবাই গেল? এটার কোনো সদুত্তর আজও তিনি দিতে পেরেছেন? বর্তমান রাজনৈতিক সরকারের সময় তো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়নি, বরং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসব অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে। সেসময়কার দুদক এতো নিরপেক্ষ হলে এপিএস মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে তদন্ত করলেও, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি?
তখন যদি অভিযোগসমূহের বিষয়ে দুদক তদন্ত করে ফেলতো, তাহলে তো বর্তমানে কোনো তদন্তের প্রয়োজন হতো না! আর বড় বিষয় হলো, আজকে প্রেসক্লাবে দুর্নীতির বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কারের প্রোগ্রামে আসিফ মাহমুদের পাশে কেন কোনো সিনিয়র নেতাকে পাওয়া গেলো না? ইতোমধ্যে এনসিপির অফিসে আসিফ মাহমুদের সাংবাদিক সম্মেলনেও সিনিয়র কোনো নেতাকে পাওয়া যায়নি! তাহলে কি আসিফ মাহমুদকে সাপোর্ট করে সিনিয়র নেতারা নিজেদের গায়ে কোনো দাগ লাগাতে চাচ্ছে না?
আমি আগেই স্পষ্ট করেছি, আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি না করলে জামায়াতের আমির কেন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এনে আসিফ মাহমুদকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়তে রাজি হলো না? আসিফ মাহমুদ কোনো দুর্নীতি না করলে সেসময় আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন দেওয়ার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের অনুরোধটাও কেন জামায়াতের আমির রাখলো না? আসিফ মাহমুদকে নমিনেশন না দিতে জামায়াতের আমিরকে কে নিষেধ করেছিলো? জাতীয় নির্বাচনে যেকারণে জামায়াতের আমির আসিফ মাহমুদকে ঢাকা -১০ আসন ছাড়েনি, একই কারণে কি এবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ছাড় দিবে?”
এর আগে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাম্প্রতিক দুর্নীতির অভিযোগ খণ্ডন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন আসিফ মাহমুদ। এ সময় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে প্রচারিত দুদকের মুখপাত্রের বক্তব্যের বাস্তবতা তথ্য নথিপত্রের ভিত্তিতে তুলে ধরেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ জানান, ‘দুদকের মুখপাত্র যে প্রেস ব্রিফিং করেছেন, সেখানে তিনি বলেছেন প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছেন। তারপর আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি তিনি বলেছেন, প্রাথমিক শব্দটা বাদ দেওয়ার জন্য। এর মধ্যে সব মিডিয়ায় নিউজ হয়ে গেছে, আমার মানহানি হয়ে গেছে। এরপর আমি ফেসবুক স্ট্যাটাস দেই। আমি বলেছিলাম আইনি প্রক্রিয়ায় যাবো। ইতোমধ্যে আমাদের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
তিনি বলেন, এই অনুসন্ধান আসলে অনুসন্ধান না। এটা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি। গ্রুপের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী আমলে যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করা হয়েছিল, ভয় দেখিয়ে রাখা হয়েছিল, তারা আবারও সেটার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছেন আসিফ মাহমুদঢাকা উত্তর সিটির ভোটার হলেন আসিফ মাহমুদ
তিনি আরও বলেন, যদি এই স্পেসিফিক ইস্যুতে অনুসন্ধান করতে হয়, তাহলে অনুসন্ধান করতে হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। আমার বিরুদ্ধে না। কারণ আমি একদম ডকুমেন্ট দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি। এই স্পেসিফিক ঘটনাটা ঘটেছে বিএনপি সরকারের সময়। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় আগে আমি পদত্যাগ করেছি।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, আমি ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ পদত্যাগপত্র দিয়েছি এবং ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ সেটা গৃহীত হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করে দলীয় কায়দায় দুদক গঠন করে আবারও এটা রাজনৈতিক কায়দায় পরিচালিত করছে।

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতি খুঁজতে মন্ত্রণালয়ে নথি চেয়েছে দুদক





প্রতিভালোবাসাজানিয়েআজহারীরআবেগঘনপোস্ট-CznNewsLab-95448b.jpg)

