‘মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো, তবুও সংখ্যালঘুদের নির্যাতন সহ্য করবো না’
বিশেষ প্রতিনিধি

‘মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো, তবুও সংখ্যালঘুদের নির্যাতন সহ্য করবো না’
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৯: ১৪

সচিবালয়ে বিএসআরএফ আয়োজিত সংলাপে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবু অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এই মন্তব্য করেন।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী বলেন, ভারত বিশাল দেশ। দেশটিকে আমি শ্রদ্ধা করি, কারণ তারা গণতন্ত্র চর্চা করে। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব যদি তারা সংখ্যালঘু মুসলমানদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং জনগণের অংশ হিসেবে সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করে।
তিনি বলেন, ‘ভারতে কী ঘটছে সেটি বড় বিষয় নয়। সেখানে কিছু ঘটছে বলে বাংলাদেশেও তা ঘটবে– এমন ধারণা ঠিক নয়।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের উপরে, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার অবিচার জুলুম নির্যাতন সহ্য করবো না ইনশাআল্লাহ।
সামাজিক অবক্ষয় ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলেও মাদক, জুয়া ও ফেনসিডিলের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদক সম্রাটদের মুখোশ উন্মোচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় গুজব ছড়িয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় করা আইনটি অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু আইনটি পুরোপুরি বাতিল করে অপপ্রচারকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচার ঠেকাতে নতুনভাবে আইন প্রয়োজন।
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে সরকার খুশি হবে। তবে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।
রমজান ও ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানরা কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করে। আল্লাহ বলেছেন চাঁদ দেখে রোজা রাখতে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়েই ঈদ করতে হবে– এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে নেই।
হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়ম ও হজের ব্যয় প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এরইমধ্যে হজের খরচ কিছুটা কমিয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবু অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এই মন্তব্য করেন।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী বলেন, ভারত বিশাল দেশ। দেশটিকে আমি শ্রদ্ধা করি, কারণ তারা গণতন্ত্র চর্চা করে। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব যদি তারা সংখ্যালঘু মুসলমানদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং জনগণের অংশ হিসেবে সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করে।
তিনি বলেন, ‘ভারতে কী ঘটছে সেটি বড় বিষয় নয়। সেখানে কিছু ঘটছে বলে বাংলাদেশেও তা ঘটবে– এমন ধারণা ঠিক নয়।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের উপরে, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার অবিচার জুলুম নির্যাতন সহ্য করবো না ইনশাআল্লাহ।
সামাজিক অবক্ষয় ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলেও মাদক, জুয়া ও ফেনসিডিলের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদক সম্রাটদের মুখোশ উন্মোচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় গুজব ছড়িয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় করা আইনটি অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু আইনটি পুরোপুরি বাতিল করে অপপ্রচারকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচার ঠেকাতে নতুনভাবে আইন প্রয়োজন।
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে সরকার খুশি হবে। তবে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।
রমজান ও ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানরা কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করে। আল্লাহ বলেছেন চাঁদ দেখে রোজা রাখতে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়েই ঈদ করতে হবে– এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে নেই।
হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়ম ও হজের ব্যয় প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এরইমধ্যে হজের খরচ কিছুটা কমিয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

‘মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো, তবুও সংখ্যালঘুদের নির্যাতন সহ্য করবো না’
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৯: ১৪

সচিবালয়ে বিএসআরএফ আয়োজিত সংলাপে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘুর ওপর নির্যাতন সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেব, তবু অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার মেনে নেব না। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ওপর হামলার বিষয়ে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এই মন্তব্য করেন।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী বলেন, ভারত বিশাল দেশ। দেশটিকে আমি শ্রদ্ধা করি, কারণ তারা গণতন্ত্র চর্চা করে। তবে আরও বেশি শ্রদ্ধা করব যদি তারা সংখ্যালঘু মুসলমানদের আপন করে নেয়, নিরাপত্তা দেয় এবং জনগণের অংশ হিসেবে সব ধরনের অধিকার নিশ্চিত করে।
তিনি বলেন, ‘ভারতে কী ঘটছে সেটি বড় বিষয় নয়। সেখানে কিছু ঘটছে বলে বাংলাদেশেও তা ঘটবে– এমন ধারণা ঠিক নয়।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনবোধে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো কিন্তু এখানে কোনো সংখ্যালঘুদের উপরে, কোনো অন্য ধর্মাবলম্বীদের ওপর অত্যাচার অবিচার জুলুম নির্যাতন সহ্য করবো না ইনশাআল্লাহ।
সামাজিক অবক্ষয় ও মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলেও মাদক, জুয়া ও ফেনসিডিলের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদক সম্রাটদের মুখোশ উন্মোচনে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তবে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্মীয় গুজব ছড়িয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় করা আইনটি অপব্যবহার হয়েছিল। কিন্তু আইনটি পুরোপুরি বাতিল করে অপপ্রচারকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সাইবার অপরাধ ও অপপ্রচার ঠেকাতে নতুনভাবে আইন প্রয়োজন।
বিশ্ব ইজতেমা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি ইসলাম সমর্থন করে না। দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে সরকার খুশি হবে। তবে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।
রমজান ও ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, মুসলমানরা কোরআন ও হাদিস অনুসরণ করে। আল্লাহ বলেছেন চাঁদ দেখে রোজা রাখতে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিলিয়েই ঈদ করতে হবে– এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে নেই।
হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়ম ও হজের ব্যয় প্রসঙ্গে ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এরইমধ্যে হজের খরচ কিছুটা কমিয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরও কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
/এফসি/

নির্বাচন ঘিরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা হিন্দু মহাজোটের


