রাজধানীতে গ্রীষ্মে পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তি

রাজধানীতে গ্রীষ্মে পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তি
আয়নাল হোসেন

রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট তীব্র আকার ধারন করে। ফলে এই সময় লাখ লাখ মানুষ ভোগান্তি পোহান। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকট দূর করতে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে এক হাজার ৩২৮টি গভীর নলকূপ এবং পাঁচটি পরিশোধনাগারে প্রতিদিন ২৮০–২৯০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা হয়। কিন্তু দৈনিক পানির চাহিদা ৩২০–৩২৫ কোটি লিটার। অর্থাৎ দৈনিক ঘাটতির পরিমাণ ৩৫-৪০ কোটি লিটার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীয়র ওয়াসার যে পানির পাম্প অকেজো অবস্থায় আছে। এ ছাড়া যেসব পরিশোধানাগার আছে সেগুলোর অনেক সরঞ্জাম সঠিকভাবে কাজ করছে না। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারেরা নিয়মিত বিল পাচ্ছে না। এতে পানির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০–১৫ ফুট নিচে নেমে যায়। এ ছাড়া নগরের আয়তন ও মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় পানির সংকট এতটাই প্রকট যে স্থানীয়রা নিজ খরচে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
রাজধানীর বাড্ডার নতুন বাজার এলাকার আতিকুল ইসলাম বলেন, শুষ্ক মৌসুমে তাদের এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। জুলাই–সেপ্টেম্বরে এই সংকট আরও বাড়ে। সংকট মোকাবিলায় ওয়াসার গাড়ি থেকে পানি এনে চাহিদা পূরণ করা হয়।
ইব্রাহিমপুর এলাকার পুলপাড়ের বাসিন্দা কাজী সোহাগ বলেন, তাদের এলাকায় সারা বছরই পানির সংকট থাকে। পানির অভাবে গোসল ও রান্নাবান্নায় অনেক সমস্যা হতো। এ সংকট থেকে উত্তরণে ঢাকা ওয়াসার অনুমোদন নিয়ে তারা গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণে ৯২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ‘ইমার্জেন্সি ওয়াটার সাপ্লাই ইন ঢাকা সিটি’ নামের এই প্রকল্পে রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণ ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে এটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে শতভাগ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পে বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসার পানির সিস্টেম লস (কারিগরি ক্রটি) ৪০ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে আনা হয়েছে। নিম্ন আয়ের ৭০–৮০ শতাংশ মানুষ ওয়াসার পানি পাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের শতভাগ মানুষকে ওয়াসার পানির সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ভূউপরিস্থ পানির সরবরাহ ৩০–৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে পানি সরবরাহ এবং অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করার কারণে রাজধানীতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
শুষ্ক মৌসুমে রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা, মালিবাগ, ভাটারা, ইব্রাহিমপুর, নতুন বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, মুগদা, পুরান ঢাকার হাজারীবাগ ও লালবাগ এলাকার পানির সংকট প্রকট আকার ধারন করে। এজন্য বৃষ্টিও ভূগর্ভস্থ পানির সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন–বাপার কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাভেদ জাহান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে রাখে। এই পানি সংরক্ষণ করে রাখতে নদীর দূষণ কমাতে হবে। যাতে এই পানির পরিশোধন করে ব্যবহার করা যায়। ভূগভর্স্থ পানির চাপ কমাতে না পারলে ভবিষ্যতে স্তর নিচে গেলে ভূমিকম্পও হতে পারে। এজন্য পানি পুনর্ব্যবহার ও বর্ষা মৌসুমে পানি সংরক্ষণের পরিমাণ বাড়ানোর বিকল্প নেই।
রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির সংকট তীব্র হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতি বছর এপ্রিল–মে মাসে পানির উৎপাদন কমে গিয়ে চাহিদা বেড়ে যায়। ওই সময় পানির সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন এলাকায় ওয়াসার গাড়ি পাঠানো হয়। তবেেএই সংকট স্থায়ীভাবে দূর করতে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রাজধানীতে আর পানির সংকট থাকবে না।

রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট তীব্র আকার ধারন করে। ফলে এই সময় লাখ লাখ মানুষ ভোগান্তি পোহান। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকট দূর করতে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে এক হাজার ৩২৮টি গভীর নলকূপ এবং পাঁচটি পরিশোধনাগারে প্রতিদিন ২৮০–২৯০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা হয়। কিন্তু দৈনিক পানির চাহিদা ৩২০–৩২৫ কোটি লিটার। অর্থাৎ দৈনিক ঘাটতির পরিমাণ ৩৫-৪০ কোটি লিটার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীয়র ওয়াসার যে পানির পাম্প অকেজো অবস্থায় আছে। এ ছাড়া যেসব পরিশোধানাগার আছে সেগুলোর অনেক সরঞ্জাম সঠিকভাবে কাজ করছে না। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারেরা নিয়মিত বিল পাচ্ছে না। এতে পানির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০–১৫ ফুট নিচে নেমে যায়। এ ছাড়া নগরের আয়তন ও মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় পানির সংকট এতটাই প্রকট যে স্থানীয়রা নিজ খরচে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
রাজধানীর বাড্ডার নতুন বাজার এলাকার আতিকুল ইসলাম বলেন, শুষ্ক মৌসুমে তাদের এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। জুলাই–সেপ্টেম্বরে এই সংকট আরও বাড়ে। সংকট মোকাবিলায় ওয়াসার গাড়ি থেকে পানি এনে চাহিদা পূরণ করা হয়।
ইব্রাহিমপুর এলাকার পুলপাড়ের বাসিন্দা কাজী সোহাগ বলেন, তাদের এলাকায় সারা বছরই পানির সংকট থাকে। পানির অভাবে গোসল ও রান্নাবান্নায় অনেক সমস্যা হতো। এ সংকট থেকে উত্তরণে ঢাকা ওয়াসার অনুমোদন নিয়ে তারা গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণে ৯২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ‘ইমার্জেন্সি ওয়াটার সাপ্লাই ইন ঢাকা সিটি’ নামের এই প্রকল্পে রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণ ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে এটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে শতভাগ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পে বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসার পানির সিস্টেম লস (কারিগরি ক্রটি) ৪০ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে আনা হয়েছে। নিম্ন আয়ের ৭০–৮০ শতাংশ মানুষ ওয়াসার পানি পাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের শতভাগ মানুষকে ওয়াসার পানির সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ভূউপরিস্থ পানির সরবরাহ ৩০–৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে পানি সরবরাহ এবং অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করার কারণে রাজধানীতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
শুষ্ক মৌসুমে রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা, মালিবাগ, ভাটারা, ইব্রাহিমপুর, নতুন বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, মুগদা, পুরান ঢাকার হাজারীবাগ ও লালবাগ এলাকার পানির সংকট প্রকট আকার ধারন করে। এজন্য বৃষ্টিও ভূগর্ভস্থ পানির সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন–বাপার কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাভেদ জাহান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে রাখে। এই পানি সংরক্ষণ করে রাখতে নদীর দূষণ কমাতে হবে। যাতে এই পানির পরিশোধন করে ব্যবহার করা যায়। ভূগভর্স্থ পানির চাপ কমাতে না পারলে ভবিষ্যতে স্তর নিচে গেলে ভূমিকম্পও হতে পারে। এজন্য পানি পুনর্ব্যবহার ও বর্ষা মৌসুমে পানি সংরক্ষণের পরিমাণ বাড়ানোর বিকল্প নেই।
রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির সংকট তীব্র হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতি বছর এপ্রিল–মে মাসে পানির উৎপাদন কমে গিয়ে চাহিদা বেড়ে যায়। ওই সময় পানির সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন এলাকায় ওয়াসার গাড়ি পাঠানো হয়। তবেেএই সংকট স্থায়ীভাবে দূর করতে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রাজধানীতে আর পানির সংকট থাকবে না।

রাজধানীতে গ্রীষ্মে পানির তীব্র সংকট, ভোগান্তি
আয়নাল হোসেন

রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট তীব্র আকার ধারন করে। ফলে এই সময় লাখ লাখ মানুষ ভোগান্তি পোহান। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকট দূর করতে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে এক হাজার ৩২৮টি গভীর নলকূপ এবং পাঁচটি পরিশোধনাগারে প্রতিদিন ২৮০–২৯০ কোটি লিটার পানি উৎপাদন করা হয়। কিন্তু দৈনিক পানির চাহিদা ৩২০–৩২৫ কোটি লিটার। অর্থাৎ দৈনিক ঘাটতির পরিমাণ ৩৫-৪০ কোটি লিটার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীয়র ওয়াসার যে পানির পাম্প অকেজো অবস্থায় আছে। এ ছাড়া যেসব পরিশোধানাগার আছে সেগুলোর অনেক সরঞ্জাম সঠিকভাবে কাজ করছে না। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারেরা নিয়মিত বিল পাচ্ছে না। এতে পানির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০–১৫ ফুট নিচে নেমে যায়। এ ছাড়া নগরের আয়তন ও মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় পানির সংকট এতটাই প্রকট যে স্থানীয়রা নিজ খরচে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
রাজধানীর বাড্ডার নতুন বাজার এলাকার আতিকুল ইসলাম বলেন, শুষ্ক মৌসুমে তাদের এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। জুলাই–সেপ্টেম্বরে এই সংকট আরও বাড়ে। সংকট মোকাবিলায় ওয়াসার গাড়ি থেকে পানি এনে চাহিদা পূরণ করা হয়।
ইব্রাহিমপুর এলাকার পুলপাড়ের বাসিন্দা কাজী সোহাগ বলেন, তাদের এলাকায় সারা বছরই পানির সংকট থাকে। পানির অভাবে গোসল ও রান্নাবান্নায় অনেক সমস্যা হতো। এ সংকট থেকে উত্তরণে ঢাকা ওয়াসার অনুমোদন নিয়ে তারা গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণে ৯২০ কোটি ৮৫ লাখ টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ‘ইমার্জেন্সি ওয়াটার সাপ্লাই ইন ঢাকা সিটি’ নামের এই প্রকল্পে রাজধানীর পানির চাহিদা পূরণ ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে এটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে শতভাগ সরকারি অর্থায়নে এই প্রকল্পে বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ওয়াসা।
ঢাকা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ওয়াসার পানির সিস্টেম লস (কারিগরি ক্রটি) ৪০ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে আনা হয়েছে। নিম্ন আয়ের ৭০–৮০ শতাংশ মানুষ ওয়াসার পানি পাচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে নিম্ন আয়ের শতভাগ মানুষকে ওয়াসার পানির সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে ভূউপরিস্থ পানির সরবরাহ ৩০–৭০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে পানি সরবরাহ এবং অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করার কারণে রাজধানীতে পানির সংকট দেখা দিয়েছে।
শুষ্ক মৌসুমে রাজধানীর মিরপুর, বাড্ডা, মালিবাগ, ভাটারা, ইব্রাহিমপুর, নতুন বাজার, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, মুগদা, পুরান ঢাকার হাজারীবাগ ও লালবাগ এলাকার পানির সংকট প্রকট আকার ধারন করে। এজন্য বৃষ্টিও ভূগর্ভস্থ পানির সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন–বাপার কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাভেদ জাহান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বর্ষাকালে পানি সংরক্ষণ করে রাখে। এই পানি সংরক্ষণ করে রাখতে নদীর দূষণ কমাতে হবে। যাতে এই পানির পরিশোধন করে ব্যবহার করা যায়। ভূগভর্স্থ পানির চাপ কমাতে না পারলে ভবিষ্যতে স্তর নিচে গেলে ভূমিকম্পও হতে পারে। এজন্য পানি পুনর্ব্যবহার ও বর্ষা মৌসুমে পানি সংরক্ষণের পরিমাণ বাড়ানোর বিকল্প নেই।
রাজধানীতে গ্রীষ্ম মৌসুমে পানির সংকট তীব্র হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, প্রতি বছর এপ্রিল–মে মাসে পানির উৎপাদন কমে গিয়ে চাহিদা বেড়ে যায়। ওই সময় পানির সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন এলাকায় ওয়াসার গাড়ি পাঠানো হয়। তবেেএই সংকট স্থায়ীভাবে দূর করতে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রাজধানীতে আর পানির সংকট থাকবে না।




