৬ বছর বন্ধ রংপুর চিনিকল, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

৬ বছর বন্ধ রংপুর চিনিকল, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ
গাইবান্ধা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১২: ৩৫

খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে আখ পরিবহনের যানবাহনগুলো। ছবি: সংগৃহীত
আধুনিকায়নের কথা বলে প্রায় ৬ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে গাইবান্ধার রংপুর চিনিকল। অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মিলের কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এদিকে চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৩৫ একর জমিতে অবস্থিত রংপুর চিনিকল এলাকা জঙ্গলে ভরে গেছে। কারখানার ভেতরে চিনি উৎপাদনের কোটি কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি মরিচা ধরে বিকল হয়ে যাচ্ছে। খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে আখ পরিবহনের যানবাহনগুলো।
সূত্র জানায়, কৃষি অঞ্চল হিসেবে এলাকায় আখ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৫৪ সালে চিনিকলটি স্থাপন করা হয়। লোকসান কমিয়ে আধুনিকায়নের মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের কথা বলে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মিলটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মিলটির লোকসান দাঁড়ায় ৫১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। পরে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনিকলটি বন্ধ করে দেয়।

মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আখ চাষও কমে গেছে। স্থানীয়দের দাবি, আগে সাতটি উপজেলার কৃষকেরা এই মিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপকভাবে আখ চাষ করতেন। তখন এলাকার মানুষের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল আখ চাষ। চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিলের আখ চাষের প্রায় ১ হাজার ৮৬৫ একর জমি দখল হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিল বন্ধ হওয়ার সুযোগে কিছু ভূমিদস্যু ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লোকজন জমি দখল করে লিজ দিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় বিরোধও তৈরি হয়েছে।
সাঘাটার একজন আখচাষি বলেন, মিল চালু থাকায় একসময় এ এলাকায় বৃহৎ পরিসরে আখ চাষ হতো। মিল চালু হলে কৃষকরা লাভবান হবেন। স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে।
সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন জাতীয় সংসদে মিলটি পুনরায় চালুর দাবি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রংপুর চিনিকল পুনরায় চালু করা হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, বর্তমানে সম্পদ রক্ষায় ৭ জন স্থায়ী কর্মকর্তা ও ৭৫ জন অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। মিল চালুর বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

আধুনিকায়নের কথা বলে প্রায় ৬ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে গাইবান্ধার রংপুর চিনিকল। অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মিলের কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এদিকে চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৩৫ একর জমিতে অবস্থিত রংপুর চিনিকল এলাকা জঙ্গলে ভরে গেছে। কারখানার ভেতরে চিনি উৎপাদনের কোটি কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি মরিচা ধরে বিকল হয়ে যাচ্ছে। খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে আখ পরিবহনের যানবাহনগুলো।
সূত্র জানায়, কৃষি অঞ্চল হিসেবে এলাকায় আখ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৫৪ সালে চিনিকলটি স্থাপন করা হয়। লোকসান কমিয়ে আধুনিকায়নের মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের কথা বলে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মিলটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মিলটির লোকসান দাঁড়ায় ৫১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। পরে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনিকলটি বন্ধ করে দেয়।

মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আখ চাষও কমে গেছে। স্থানীয়দের দাবি, আগে সাতটি উপজেলার কৃষকেরা এই মিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপকভাবে আখ চাষ করতেন। তখন এলাকার মানুষের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল আখ চাষ। চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিলের আখ চাষের প্রায় ১ হাজার ৮৬৫ একর জমি দখল হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিল বন্ধ হওয়ার সুযোগে কিছু ভূমিদস্যু ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লোকজন জমি দখল করে লিজ দিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় বিরোধও তৈরি হয়েছে।
সাঘাটার একজন আখচাষি বলেন, মিল চালু থাকায় একসময় এ এলাকায় বৃহৎ পরিসরে আখ চাষ হতো। মিল চালু হলে কৃষকরা লাভবান হবেন। স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে।
সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন জাতীয় সংসদে মিলটি পুনরায় চালুর দাবি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রংপুর চিনিকল পুনরায় চালু করা হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, বর্তমানে সম্পদ রক্ষায় ৭ জন স্থায়ী কর্মকর্তা ও ৭৫ জন অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। মিল চালুর বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

৬ বছর বন্ধ রংপুর চিনিকল, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ
গাইবান্ধা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১২: ৩৫

খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে আখ পরিবহনের যানবাহনগুলো। ছবি: সংগৃহীত
আধুনিকায়নের কথা বলে প্রায় ৬ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে গাইবান্ধার রংপুর চিনিকল। অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মিলের কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এদিকে চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ৩৫ একর জমিতে অবস্থিত রংপুর চিনিকল এলাকা জঙ্গলে ভরে গেছে। কারখানার ভেতরে চিনি উৎপাদনের কোটি কোটি টাকা মূল্যের যন্ত্রপাতি মরিচা ধরে বিকল হয়ে যাচ্ছে। খোলা আকাশের নিচে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে আখ পরিবহনের যানবাহনগুলো।
সূত্র জানায়, কৃষি অঞ্চল হিসেবে এলাকায় আখ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৫৪ সালে চিনিকলটি স্থাপন করা হয়। লোকসান কমিয়ে আধুনিকায়নের মাধ্যমে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের কথা বলে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মিলটির কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মিলটির লোকসান দাঁড়ায় ৫১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। পরে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনিকলটি বন্ধ করে দেয়।

মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আখ চাষও কমে গেছে। স্থানীয়দের দাবি, আগে সাতটি উপজেলার কৃষকেরা এই মিলকে কেন্দ্র করে ব্যাপকভাবে আখ চাষ করতেন। তখন এলাকার মানুষের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল আখ চাষ। চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিলের আখ চাষের প্রায় ১ হাজার ৮৬৫ একর জমি দখল হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিল বন্ধ হওয়ার সুযোগে কিছু ভূমিদস্যু ও সাঁওতাল সম্প্রদায়ের লোকজন জমি দখল করে লিজ দিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকায় বিরোধও তৈরি হয়েছে।
সাঘাটার একজন আখচাষি বলেন, মিল চালু থাকায় একসময় এ এলাকায় বৃহৎ পরিসরে আখ চাষ হতো। মিল চালু হলে কৃষকরা লাভবান হবেন। স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে।
সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন জাতীয় সংসদে মিলটি পুনরায় চালুর দাবি উত্থাপন করলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে রংপুর চিনিকল পুনরায় চালু করা হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম বলেন, বর্তমানে সম্পদ রক্ষায় ৭ জন স্থায়ী কর্মকর্তা ও ৭৫ জন অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীর বেতন-ভাতায় মাসে প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। মিল চালুর বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
/এফসি/

বন্ধ চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করা হবে: শিল্পমন্ত্রী


