আত্মসমর্পণ নয়, নিজেদের স্বার্থ রক্ষাই আলোচনার লক্ষ্য: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক

আত্মসমর্পণ নয়, নিজেদের স্বার্থ রক্ষাই আলোচনার লক্ষ্য: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২১: ৩৩

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনার একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, এ সংলাপ কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ নয়, বরং জাতির স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের একটি কৌশল মাত্র।
রবিবার (১০ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, আলোচনার অর্থ এই নয় যে ইরান তার অবস্থান থেকে পিছু হটবে। মূলত ইরানি জনগণের অধিকার রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থকে বৈশ্বিক দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গঠিত একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।
একই সময়ে ইরানের সংসদীয় কমিটির সদস্যরাও ওয়াশিংটনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন। দেশটির সংসদের নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজাই এক পোস্টে উল্লেখ করেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, বেপরোয়া আচরণ পরিহার করে আমেরিকানদের উচিত আঞ্চলিক বাস্তবতা মেনে নিয়ে চোরাবালি থেকে দ্রুত প্রস্থান করা। রেজাই আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখন সবচেয়ে ভালো বিকল্প হলো আত্মসমর্পণ করা এবং নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। এদিকে সংসদের কট্টরপন্থী ডেপুটি স্পিকার আলী নিকশাদ সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে তাদের ভাগ্য পরীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার কঠিন পরিণতি এখন তাদের মেনে নিতে হবে।
পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রেরিত প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়াদি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। তেহরান মূলত যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই আলোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছে, যা তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনো আপস নয় বলে দাবি করছে দেশটির নেতৃত্ব।
সূত্র: সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনার একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, এ সংলাপ কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ নয়, বরং জাতির স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের একটি কৌশল মাত্র।
রবিবার (১০ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, আলোচনার অর্থ এই নয় যে ইরান তার অবস্থান থেকে পিছু হটবে। মূলত ইরানি জনগণের অধিকার রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থকে বৈশ্বিক দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গঠিত একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।
একই সময়ে ইরানের সংসদীয় কমিটির সদস্যরাও ওয়াশিংটনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন। দেশটির সংসদের নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজাই এক পোস্টে উল্লেখ করেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, বেপরোয়া আচরণ পরিহার করে আমেরিকানদের উচিত আঞ্চলিক বাস্তবতা মেনে নিয়ে চোরাবালি থেকে দ্রুত প্রস্থান করা। রেজাই আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখন সবচেয়ে ভালো বিকল্প হলো আত্মসমর্পণ করা এবং নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। এদিকে সংসদের কট্টরপন্থী ডেপুটি স্পিকার আলী নিকশাদ সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে তাদের ভাগ্য পরীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার কঠিন পরিণতি এখন তাদের মেনে নিতে হবে।
পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রেরিত প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়াদি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। তেহরান মূলত যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই আলোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছে, যা তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনো আপস নয় বলে দাবি করছে দেশটির নেতৃত্ব।
সূত্র: সিএনএন

আত্মসমর্পণ নয়, নিজেদের স্বার্থ রক্ষাই আলোচনার লক্ষ্য: পেজেশকিয়ান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২১: ৩৩

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনার একটি খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, এ সংলাপ কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ নয়, বরং জাতির স্বার্থ ও অধিকার আদায়ের একটি কৌশল মাত্র।
রবিবার (১০ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, আলোচনার অর্থ এই নয় যে ইরান তার অবস্থান থেকে পিছু হটবে। মূলত ইরানি জনগণের অধিকার রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থকে বৈশ্বিক দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে গঠিত একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই কোনো শক্তির কাছে মাথা নত করবে না।
একই সময়ে ইরানের সংসদীয় কমিটির সদস্যরাও ওয়াশিংটনের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন। দেশটির সংসদের নিরাপত্তা কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজাই এক পোস্টে উল্লেখ করেন, সময় এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, বেপরোয়া আচরণ পরিহার করে আমেরিকানদের উচিত আঞ্চলিক বাস্তবতা মেনে নিয়ে চোরাবালি থেকে দ্রুত প্রস্থান করা। রেজাই আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এখন সবচেয়ে ভালো বিকল্প হলো আত্মসমর্পণ করা এবং নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। এদিকে সংসদের কট্টরপন্থী ডেপুটি স্পিকার আলী নিকশাদ সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে তাদের ভাগ্য পরীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার কঠিন পরিণতি এখন তাদের মেনে নিতে হবে।
পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রেরিত প্রস্তাবটির বিস্তারিত বিষয়াদি নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খুব বেশি তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে, প্রস্তাবিত কাঠামোর মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো। তেহরান মূলত যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই এই আলোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছে, যা তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনো আপস নয় বলে দাবি করছে দেশটির নেতৃত্ব।
সূত্র: সিএনএন
/এমএকে/

এবার হরমুজে সাবমেরিন মোতায়েন ইরানের


