ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামীর পদত্যাগ

ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামীর পদত্যাগ
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামী)। গতকাল প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের পর তার এই ঘোষণা এলো।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পোস্টে শেহরীন আমিন লিখেছেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি।
তিনি লেখেন, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা আমার হয়নি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা কখনো ভাবিনি। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি।
তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কী হতে পারে!
সদ্য সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে এই অধ্যাপক লেখেন, গত দুটি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছে, কীভাবে একজন প্রক্টরকে অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি কীভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয়। সর্বোপরি কীভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন বলেন, আমার সময়কালে আমি কী করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করব না। আমি জানিও না। আমি শুধু জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সঙ্গে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদৌ এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানিনা। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, করবেও নাহ।
শেহরীন আমিন লেখেন, আমার দলের সঙ্গে এবং আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে কাজ করা আমার জন্য পরম সম্মানের বিষয় ছিল।’
সবশেষ তিনি নতুন প্রক্টর এবং তাদের দলকে অভিনন্দন জানান। তিনি লেখেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামী)। গতকাল প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের পর তার এই ঘোষণা এলো।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পোস্টে শেহরীন আমিন লিখেছেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি।
তিনি লেখেন, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা আমার হয়নি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা কখনো ভাবিনি। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি।
তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কী হতে পারে!
সদ্য সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে এই অধ্যাপক লেখেন, গত দুটি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছে, কীভাবে একজন প্রক্টরকে অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি কীভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয়। সর্বোপরি কীভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন বলেন, আমার সময়কালে আমি কী করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করব না। আমি জানিও না। আমি শুধু জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সঙ্গে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদৌ এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানিনা। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, করবেও নাহ।
শেহরীন আমিন লেখেন, আমার দলের সঙ্গে এবং আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে কাজ করা আমার জন্য পরম সম্মানের বিষয় ছিল।’
সবশেষ তিনি নতুন প্রক্টর এবং তাদের দলকে অভিনন্দন জানান। তিনি লেখেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামীর পদত্যাগ
সিটিজেন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামী)। গতকাল প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগের পর তার এই ঘোষণা এলো।
সোমবার (১১ মে) বেলা ১১টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পোস্টে শেহরীন আমিন লিখেছেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি।
তিনি লেখেন, শিক্ষকতা পেশার সাত বছরে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা আমার হয়নি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা কখনো ভাবিনি। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি।
তিনি আরও লেখেন, একে তো নতুন বাংলাদেশ অনেক আশা, অনেক স্বপ্ন আমাদের সবার চোখে। নিজের দেশ, নিজের আলমা ম্যাটারের জন্য যদি ভালো কিছু করতে পারি, তবে এর চেয়ে সৌভাগ্যের কী হতে পারে!
সদ্য সাবেক প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের প্রশংসা করে এই অধ্যাপক লেখেন, গত দুটি বছর আমি সাইফুদ্দীন স্যারের কাছে থেকে শিখেছে, কীভাবে একজন প্রক্টরকে অতিমানব মাত্রার ধৈর্য ধরতে হয়। উত্তপ্ত পরিস্থিতি কীভাবে হাসিমুখে নির্বিকার থেকে ট্যেকেল দিতে হয়। সর্বোপরি কীভাবে নিজের আত্মসম্মান সমুন্নত রাখতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা ও মমতায় তিনি শিক্ষার্থীদের আগলে রেখেছিলেন, ওনার টিম মেম্বার হিসেবে আমরাও তাই করার চেষ্টা করেছি, করছি।
নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নিয়ে শেহরীন আমিন বলেন, আমার সময়কালে আমি কী করতে পেরেছি, কতটা সফল ছিলাম এসব হিসাব করব না। আমি জানিও না। আমি শুধু জানি একজন অসাধারণ মানুষের নেতৃত্ব, চমৎকার একটি টিমের সঙ্গে একটা অভাবনীয় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, জুলাই এবং জুলাই পরবর্তী এমন সময় আর সিচুয়েশন আদৌ এই দেশে আর আসবে কিনা আমি জানিনা। সম্ভবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো প্রক্টর ও তার টিম এমন সিচুয়েশন ফেস করেনি, করবেও নাহ।
শেহরীন আমিন লেখেন, আমার দলের সঙ্গে এবং আমাদের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ স্যারের নেতৃত্বে কাজ করা আমার জন্য পরম সম্মানের বিষয় ছিল।’
সবশেষ তিনি নতুন প্রক্টর এবং তাদের দলকে অভিনন্দন জানান। তিনি লেখেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।

ঢাবি প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগ


