শক্তিশালী পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

শক্তিশালী পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৩: ০১

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সারমাত মোতায়েন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (১২ মে) এক ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমান বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনায়াসেই ভেদ করতে সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের এ পদক্ষেপকে পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তঃমহাদেশীয় এ ক্ষেপণাস্ত্রটি (আইসিবিএম) কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থিত
যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে আঘাত হানতে পারে। পুতিন জানিয়েছেন, সারমাতের ওয়ারহেডের বিধ্বংসী ক্ষমতা যেকোনো পশ্চিমা অস্ত্রের চেয়ে চার গুণেরও বেশি এবং এর পাল্লা ৩৫ হাজার কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে। কয়েক বছরের কারিগরি জটিলতা ও বারবার সময়সীমা পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ক্রেমলিন এটি মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা পুতিনের এ দাবিকে কিছুটা অতিরঞ্জিত বলেই মনে করছেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ার অস্ত্রাগার আধুনিকায়নের উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সারমাতের সক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে এ ক্ষেপণাস্ত্রের অতীতের কিছু পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি পরীক্ষার সময় উৎক্ষেপণ স্থলেই সারমাতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং ২০১৫ সালেও একটি বড় ধরনের ব্যর্থতার খবর পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। সেখানে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার সের্গেই কারাকায়েভ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আশ্বস্ত করেছেন, সারমাতের সর্বশেষ পরীক্ষা সফল হয়েছে। কারাকায়েভ আরও জানান, এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হলে রাশিয়ার স্থলভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা যেকোনো কৌশলগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। মূলত ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোকে সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে পুতিন বারবার রাশিয়ার বিশাল পারমাণবিক ভাণ্ডারের কথা বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
সূত্র: রয়টার্স

চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সারমাত মোতায়েন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (১২ মে) এক ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমান বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনায়াসেই ভেদ করতে সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের এ পদক্ষেপকে পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তঃমহাদেশীয় এ ক্ষেপণাস্ত্রটি (আইসিবিএম) কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থিত
যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে আঘাত হানতে পারে। পুতিন জানিয়েছেন, সারমাতের ওয়ারহেডের বিধ্বংসী ক্ষমতা যেকোনো পশ্চিমা অস্ত্রের চেয়ে চার গুণেরও বেশি এবং এর পাল্লা ৩৫ হাজার কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে। কয়েক বছরের কারিগরি জটিলতা ও বারবার সময়সীমা পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ক্রেমলিন এটি মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা পুতিনের এ দাবিকে কিছুটা অতিরঞ্জিত বলেই মনে করছেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ার অস্ত্রাগার আধুনিকায়নের উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সারমাতের সক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে এ ক্ষেপণাস্ত্রের অতীতের কিছু পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি পরীক্ষার সময় উৎক্ষেপণ স্থলেই সারমাতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং ২০১৫ সালেও একটি বড় ধরনের ব্যর্থতার খবর পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। সেখানে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার সের্গেই কারাকায়েভ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আশ্বস্ত করেছেন, সারমাতের সর্বশেষ পরীক্ষা সফল হয়েছে। কারাকায়েভ আরও জানান, এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হলে রাশিয়ার স্থলভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা যেকোনো কৌশলগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। মূলত ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোকে সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে পুতিন বারবার রাশিয়ার বিশাল পারমাণবিক ভাণ্ডারের কথা বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
সূত্র: রয়টার্স

শক্তিশালী পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে রাশিয়া
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৩: ০১

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সারমাত মোতায়েন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। মঙ্গলবার (১২ মে) এক ভাষণে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়ার তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমান বিশ্বের যেকোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনায়াসেই ভেদ করতে সক্ষম। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের এ পদক্ষেপকে পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তঃমহাদেশীয় এ ক্ষেপণাস্ত্রটি (আইসিবিএম) কয়েক হাজার মাইল দূরে অবস্থিত
যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ে আঘাত হানতে পারে। পুতিন জানিয়েছেন, সারমাতের ওয়ারহেডের বিধ্বংসী ক্ষমতা যেকোনো পশ্চিমা অস্ত্রের চেয়ে চার গুণেরও বেশি এবং এর পাল্লা ৩৫ হাজার কিলোমিটার ছাড়িয়ে গেছে। কয়েক বছরের কারিগরি জটিলতা ও বারবার সময়সীমা পিছিয়ে যাওয়ার পর অবশেষে ক্রেমলিন এটি মোতায়েনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে পশ্চিমা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা পুতিনের এ দাবিকে কিছুটা অতিরঞ্জিত বলেই মনে করছেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ার অস্ত্রাগার আধুনিকায়নের উচ্চাভিলাষী কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকেই সারমাতের সক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিশেষ করে এ ক্ষেপণাস্ত্রের অতীতের কিছু পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল না। পশ্চিমা গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি পরীক্ষার সময় উৎক্ষেপণ স্থলেই সারমাতের ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে এবং ২০১৫ সালেও একটি বড় ধরনের ব্যর্থতার খবর পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। সেখানে কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার সের্গেই কারাকায়েভ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আশ্বস্ত করেছেন, সারমাতের সর্বশেষ পরীক্ষা সফল হয়েছে। কারাকায়েভ আরও জানান, এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হলে রাশিয়ার স্থলভিত্তিক পারমাণবিক বাহিনীর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা যেকোনো কৌশলগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। মূলত ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোকে সরাসরি হস্তক্ষেপ থেকে বিরত রাখতে পুতিন বারবার রাশিয়ার বিশাল পারমাণবিক ভাণ্ডারের কথা বিশ্ববাসীকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

চরম খাদ্য সংকটে ইউক্রেনীয় সেনারা
নিহত সেনাদের মরদেহ বিনিময় রাশিয়া-ইউক্রেনের


