৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক

৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০১: ০৯

সারমাত নামে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। ছবি: রয়টার্স
দূরপাল্লার নতুন প্রজন্মের একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) সফলভাবে পরীক্ষা করেছে রাশিয়া। ‘সারমাত’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মস্কো। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ মঙ্গলবার পরিচালনা করা হয়।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।

দূরপাল্লার নতুন প্রজন্মের একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) সফলভাবে পরীক্ষা করেছে রাশিয়া। ‘সারমাত’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মস্কো। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ মঙ্গলবার পরিচালনা করা হয়।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।

৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা রাশিয়ার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০১: ০৯

সারমাত নামে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে রাশিয়া। ছবি: রয়টার্স
দূরপাল্লার নতুন প্রজন্মের একটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) সফলভাবে পরীক্ষা করেছে রাশিয়া। ‘সারমাত’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মস্কো। পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ মঙ্গলবার পরিচালনা করা হয়।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
পরীক্ষা সফল হওয়ার পর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, পশ্চিমা সামরিক শক্তির হাতে থাকা যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার তুলনায় ‘সারমাত’ বহুগুণ বেশি ধ্বংসক্ষম অস্ত্র বহন করতে পারবে। তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মোতায়েন করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘সারমাত’ মূলত পুরোনো সোভিয়েত যুগের ভারী ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিক সংস্করণ। এটি দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রমের পাশাপাশি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম। ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে এ ক্ষেপণাস্ত্র নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এমন এক সময় রাশিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’-এর মেয়াদ গত ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়ে গেছে। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশকে তাদের কৌশলগত পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর ওপর সেই সীমাবদ্ধতা আর কার্যকর নেই।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনা চালুর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সমঝোতা কিংবা পুরোনো চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু শক্তিধর চীনকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে বেইজিং ইতোমধ্যেই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হতে আগ্রহী নয়।
বিশ্ব রাজনীতির বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে ‘সারমাত’-এর মতো পরমাণু সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা নতুন করে সামরিক প্রতিযোগিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
/এমআর/




