পাকিস্তানের ঘাঁটিতে ইরানের সামরিক বিমান
সিটিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের ঘাঁটিতে ইরানের সামরিক বিমান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২০: ০৭

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে তেহরানকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার সুযোগ দেওয়ার যে দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ করেছে, তাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করে জানিয়েছে, তারা কেবল আলোচনার সুবিধার্থে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। সিবিএসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের আবহে পাকিস্তান একদিকে ওয়াশিংটনের কাছে নিজেকে স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তেহরান ও বেইজিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে অবহিত কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিএস নিউজ জানায়, যুদ্ধবিরতির কয়েক দিন পর ইরান একাধিক উড়োজাহাজ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাছে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নূর খান বিমানঘাঁটিতে পাঠায়। এসব উড়োজাহাজের মধ্যে ইরানি বিমানবাহিনীর একটি আরসি-১৩০ (RC-130) উড়োজাহাজ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে, যা সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হয়। সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্যমতে, এসব পদক্ষেপ মূলত ইরানের অবশিষ্ট সামরিক ও বিমান চলাচল-সম্পর্কিত সম্পদকে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে। এছাড়া কিছু বেসামরিক উড়োজাহাজ আফগানিস্তানেও পাঠানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তবে সেগুলোতে সামরিক কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে সিবিএসের এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানায়, ইরানি উড়োজাহাজ পাকিস্তানে আসার তথ্যটি সত্য হলেও এর সঙ্গে কোনো সামরিক প্রস্তুতি বা সুরক্ষার সম্পর্ক নেই। ইসলামাবাদ স্পষ্ট করেছে, যুদ্ধবিরতির সময় এবং আলোচনার প্রাথমিক পর্যায়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষেরই কিছু উড়োজাহাজ পাকিস্তানে এসেছিল। এগুলো মূলত কূটনৈতিক প্রতিনিধি, নিরাপত্তা দল ও প্রশাসনিক কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নূর খান ঘাঁটিতে গোপনে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার বিষয়টি অসম্ভব বলে উল্লেখ করেন, কারণ ঘাঁটিটি একটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকার কাছে অবস্থিত।
এদিকে আফগানিস্তানের এক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্মকর্তা সিবিএসকে জানান, সংঘাত শুরুর আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক উড়োজাহাজ কাবুলে অবতরণ করলেও পরে নিরাপত্তার স্বার্থে সেটি হেরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আফগানিস্তানে ইরানি উড়োজাহাজ থাকার দাবিটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি নিয়েও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিবিএসের তথ্যমতে, ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো শর্ত ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। সামগ্রিকভাবে, সিবিএসের প্রতিবেদনটি পাকিস্তানের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ইসলামাবাদ তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, তারা কেবল শান্তি ও সংলাপের স্বার্থে কাজ করছে, কোনো পক্ষকে সামরিক সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়।
সূত্র: সিবিএস নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে তেহরানকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার সুযোগ দেওয়ার যে দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ করেছে, তাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করে জানিয়েছে, তারা কেবল আলোচনার সুবিধার্থে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। সিবিএসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের আবহে পাকিস্তান একদিকে ওয়াশিংটনের কাছে নিজেকে স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তেহরান ও বেইজিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে অবহিত কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিএস নিউজ জানায়, যুদ্ধবিরতির কয়েক দিন পর ইরান একাধিক উড়োজাহাজ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাছে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নূর খান বিমানঘাঁটিতে পাঠায়। এসব উড়োজাহাজের মধ্যে ইরানি বিমানবাহিনীর একটি আরসি-১৩০ (RC-130) উড়োজাহাজ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে, যা সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হয়। সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্যমতে, এসব পদক্ষেপ মূলত ইরানের অবশিষ্ট সামরিক ও বিমান চলাচল-সম্পর্কিত সম্পদকে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে। এছাড়া কিছু বেসামরিক উড়োজাহাজ আফগানিস্তানেও পাঠানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তবে সেগুলোতে সামরিক কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে সিবিএসের এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানায়, ইরানি উড়োজাহাজ পাকিস্তানে আসার তথ্যটি সত্য হলেও এর সঙ্গে কোনো সামরিক প্রস্তুতি বা সুরক্ষার সম্পর্ক নেই। ইসলামাবাদ স্পষ্ট করেছে, যুদ্ধবিরতির সময় এবং আলোচনার প্রাথমিক পর্যায়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষেরই কিছু উড়োজাহাজ পাকিস্তানে এসেছিল। এগুলো মূলত কূটনৈতিক প্রতিনিধি, নিরাপত্তা দল ও প্রশাসনিক কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নূর খান ঘাঁটিতে গোপনে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার বিষয়টি অসম্ভব বলে উল্লেখ করেন, কারণ ঘাঁটিটি একটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকার কাছে অবস্থিত।
এদিকে আফগানিস্তানের এক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্মকর্তা সিবিএসকে জানান, সংঘাত শুরুর আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক উড়োজাহাজ কাবুলে অবতরণ করলেও পরে নিরাপত্তার স্বার্থে সেটি হেরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আফগানিস্তানে ইরানি উড়োজাহাজ থাকার দাবিটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি নিয়েও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিবিএসের তথ্যমতে, ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো শর্ত ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। সামগ্রিকভাবে, সিবিএসের প্রতিবেদনটি পাকিস্তানের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ইসলামাবাদ তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, তারা কেবল শান্তি ও সংলাপের স্বার্থে কাজ করছে, কোনো পক্ষকে সামরিক সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়।
সূত্র: সিবিএস নিউজ

পাকিস্তানের ঘাঁটিতে ইরানের সামরিক বিমান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২০: ০৭

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মাঝে তেহরানকে নিজেদের বিমানঘাঁটিতে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার সুযোগ দেওয়ার যে দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ করেছে, তাকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ এ প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করে জানিয়েছে, তারা কেবল আলোচনার সুবিধার্থে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশের কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে বিমান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। সিবিএসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের আবহে পাকিস্তান একদিকে ওয়াশিংটনের কাছে নিজেকে স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরছে, অন্যদিকে তেহরান ও বেইজিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্কও বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে অবহিত কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিএস নিউজ জানায়, যুদ্ধবিরতির কয়েক দিন পর ইরান একাধিক উড়োজাহাজ পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির কাছে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নূর খান বিমানঘাঁটিতে পাঠায়। এসব উড়োজাহাজের মধ্যে ইরানি বিমানবাহিনীর একটি আরসি-১৩০ (RC-130) উড়োজাহাজ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে, যা সাধারণত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হয়। সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্যমতে, এসব পদক্ষেপ মূলত ইরানের অবশিষ্ট সামরিক ও বিমান চলাচল-সম্পর্কিত সম্পদকে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার একটি প্রচেষ্টা হতে পারে। এছাড়া কিছু বেসামরিক উড়োজাহাজ আফগানিস্তানেও পাঠানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তবে সেগুলোতে সামরিক কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না তা স্পষ্ট নয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে সিবিএসের এ দাবি নাকচ করে দিয়ে জানায়, ইরানি উড়োজাহাজ পাকিস্তানে আসার তথ্যটি সত্য হলেও এর সঙ্গে কোনো সামরিক প্রস্তুতি বা সুরক্ষার সম্পর্ক নেই। ইসলামাবাদ স্পষ্ট করেছে, যুদ্ধবিরতির সময় এবং আলোচনার প্রাথমিক পর্যায়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় পক্ষেরই কিছু উড়োজাহাজ পাকিস্তানে এসেছিল। এগুলো মূলত কূটনৈতিক প্রতিনিধি, নিরাপত্তা দল ও প্রশাসনিক কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নূর খান ঘাঁটিতে গোপনে সামরিক উড়োজাহাজ রাখার বিষয়টি অসম্ভব বলে উল্লেখ করেন, কারণ ঘাঁটিটি একটি অত্যন্ত জনবহুল এলাকার কাছে অবস্থিত।
এদিকে আফগানিস্তানের এক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্মকর্তা সিবিএসকে জানান, সংঘাত শুরুর আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক উড়োজাহাজ কাবুলে অবতরণ করলেও পরে নিরাপত্তার স্বার্থে সেটি হেরাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও তালেবান সরকারের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আফগানিস্তানে ইরানি উড়োজাহাজ থাকার দাবিটি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি নিয়েও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিবিএসের তথ্যমতে, ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো শর্ত ছিল, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছেন। সামগ্রিকভাবে, সিবিএসের প্রতিবেদনটি পাকিস্তানের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও ইসলামাবাদ তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, তারা কেবল শান্তি ও সংলাপের স্বার্থে কাজ করছে, কোনো পক্ষকে সামরিক সুবিধা দেওয়ার জন্য নয়।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
/এমএকে/

পাকিস্তান-চীনের সিল্করোডে যুক্ত হতে চায় ইরান
পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়িতে গাড়ি বোমা হামলায় ১২ কর্মকর্তা নিহত


