মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৬: ২৭

সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ছবি: বাসস
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, তিনি এই বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (আরটিএ) স্বাক্ষর হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক ৩ দিন আগে হওয়া এ চুক্তি নিয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া চলছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই চুক্তি বাতিল করার অপশন আছে। এক নম্বর, ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। দুই নম্বর হচ্ছে, দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। আমি মনে করি যে অন্তত দ্বিতীয় অপশনটা পর্যালোচনা করা যায়। প্রথমে সরকারি পর্যায়ে পর্যালোচনা করা দরকার।
জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তি নিয়ে কিছু পর্যালোচনা হয়েছে। এটা খুবই শক্তিশালী চুক্তি, তা বাতিল করে দেওয়ার কী প্রভাব পড়তে পারে, নিশ্চয়ই তা বুঝতে পারি। কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটাও সবাই বোঝে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও ওই সুযোগটা তো নিতে পারি যে এই চুক্তির কিছু কিছু জায়গায় পুনর্বিবেচনা করা যায়।
সরকারি পর্যালোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি করা যেতে পারে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, চুক্তির যে শর্তগুলো রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আগে নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক বিবেচনা করব। চুক্তি বাতিল করলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটা আবার চলে আসতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, তিনি এই বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (আরটিএ) স্বাক্ষর হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক ৩ দিন আগে হওয়া এ চুক্তি নিয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া চলছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই চুক্তি বাতিল করার অপশন আছে। এক নম্বর, ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। দুই নম্বর হচ্ছে, দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। আমি মনে করি যে অন্তত দ্বিতীয় অপশনটা পর্যালোচনা করা যায়। প্রথমে সরকারি পর্যায়ে পর্যালোচনা করা দরকার।
জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তি নিয়ে কিছু পর্যালোচনা হয়েছে। এটা খুবই শক্তিশালী চুক্তি, তা বাতিল করে দেওয়ার কী প্রভাব পড়তে পারে, নিশ্চয়ই তা বুঝতে পারি। কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটাও সবাই বোঝে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও ওই সুযোগটা তো নিতে পারি যে এই চুক্তির কিছু কিছু জায়গায় পুনর্বিবেচনা করা যায়।
সরকারি পর্যালোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি করা যেতে পারে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, চুক্তির যে শর্তগুলো রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আগে নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক বিবেচনা করব। চুক্তি বাতিল করলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটা আবার চলে আসতে পারে।

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৬: ২৭

সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ছবি: বাসস
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, তিনি এই বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনার পক্ষে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি’ নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (আরটিএ) স্বাক্ষর হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক ৩ দিন আগে হওয়া এ চুক্তি নিয়ে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া চলছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই চুক্তি বাতিল করার অপশন আছে। এক নম্বর, ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাতিল করে দেওয়া যাবে। দুই নম্বর হচ্ছে, দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। আমি মনে করি যে অন্তত দ্বিতীয় অপশনটা পর্যালোচনা করা যায়। প্রথমে সরকারি পর্যায়ে পর্যালোচনা করা দরকার।
জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তি নিয়ে কিছু পর্যালোচনা হয়েছে। এটা খুবই শক্তিশালী চুক্তি, তা বাতিল করে দেওয়ার কী প্রভাব পড়তে পারে, নিশ্চয়ই তা বুঝতে পারি। কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটাও সবাই বোঝে। কিন্তু এসব সত্ত্বেও ওই সুযোগটা তো নিতে পারি যে এই চুক্তির কিছু কিছু জায়গায় পুনর্বিবেচনা করা যায়।
সরকারি পর্যালোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি করা যেতে পারে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, চুক্তির যে শর্তগুলো রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে আগে নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক বিবেচনা করব। চুক্তি বাতিল করলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটা আবার চলে আসতে পারে।
/আরএ/এফসি/

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি সংসদে তোলার দাবি রুমিন ফারহানার


