যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলে আসছে নতুন নেতৃত্ব
সিটিজেন ডেস্ক

যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলে আসছে নতুন নেতৃত্ব
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০২: ০৬

ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছর জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

চলতি বছর জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলে আসছে নতুন নেতৃত্ব
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০২: ০৬

ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছর জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
একইসঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ তিন অঙ্গসংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে থাকায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ তরুণ নেতাদের সামনে এনে সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, অঙ্গসংগঠনগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সংগঠনগুলো নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সাংগঠনিক পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। তবে কবে নাগাদ নতুন কমিটি ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি তিনি।
দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকাও একাধিকবার পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাংগঠনিক দক্ষতা, অতীত আন্দোলনে ভূমিকা, তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য—এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কমিটির খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু তারেক রহমানের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
সূত্র আরও জানায়, গত এপ্রিল থেকে একাধিক বৈঠকে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মামলা-নির্যাতনের শিকার এবং রাজপথে সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। একই সঙ্গে পদ বণ্টনে তদবির ও লবিং নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
তিন সংগঠনের শীর্ষ পদে সাবেক ছাত্রনেতাসহ বর্তমান ও সাবেক একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান কমিটির কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে পদবঞ্চিত নেতাদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ মে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তারেক রহমান। বৈঠকে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পাশাপাশি দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক নেতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা মনে করছেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয় করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রভাব বাড়াতে যুবদল ও ছাত্রদলের কার্যকর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে স্বেচ্ছাসেবক দলকেও সাংগঠনিকভাবে আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন কমিটি গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। তাদের অনেকের মতে, আগামী কয়েক মাস সংগঠন গোছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো কমিটি গঠন না হলে সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি আনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ঈদুল আজহার আগে বা পরে কমিটি ঘোষণা হতে পারে কি না—এ প্রশ্নে বিএনপির এক দায়িত্বশীল নেতা বলেন, পুরো বিষয়টি এখন দলের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তার অনুমোদন পেলেই যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।
/এমআর/




