যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল: ফরিদা আক্তার
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল: ফরিদা আক্তার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০২: ২১

সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নির্বাচনের আগে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়েছিল।
তার মতে, এ কারণেই এখন এসব দলের পক্ষ থেকে চুক্তির বিরুদ্ধে তেমন কোনো প্রকাশ্য অবস্থান বা কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
ফরিদা আখতার বলেন, আমি মনে করি, কৃষির জন্য এই চুক্তি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।
চুক্তিটি সংসদে উত্থাপনের দাবিও জানান তিনি। তাঁর মতে, জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর করা উচিত নয়। তিনি বলেন, এটি সংসদে তুলতে হবে এবং জনগণের সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর আলম জনিসহ উবিনীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নির্বাচনের আগে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়েছিল।
তার মতে, এ কারণেই এখন এসব দলের পক্ষ থেকে চুক্তির বিরুদ্ধে তেমন কোনো প্রকাশ্য অবস্থান বা কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
ফরিদা আখতার বলেন, আমি মনে করি, কৃষির জন্য এই চুক্তি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।
চুক্তিটি সংসদে উত্থাপনের দাবিও জানান তিনি। তাঁর মতে, জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর করা উচিত নয়। তিনি বলেন, এটি সংসদে তুলতে হবে এবং জনগণের সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর আলম জনিসহ উবিনীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল: ফরিদা আক্তার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০২: ২১

সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আক্তার দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে নির্বাচনের আগে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচনা হয়েছিল।
তার মতে, এ কারণেই এখন এসব দলের পক্ষ থেকে চুক্তির বিরুদ্ধে তেমন কোনো প্রকাশ্য অবস্থান বা কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে নয়াকৃষি আন্দোলন এবং উবিনীগ।
চুক্তির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে, ৯ ফেব্রুয়ারি এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তার ভাষ্য, এখন এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়টি আলোচনা করেছিল। সে কারণেই তারা এখন এই চুক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এর ফলে দেশের কৃষিখাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, চুক্তিতে এমন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা রয়েছে, যার একটি অনুযায়ী চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রয়েছে এবং অন্যটি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে তা বাতিলও করা সম্ভব।
ফরিদা আখতার বলেন, আমি মনে করি, কৃষির জন্য এই চুক্তি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।
চুক্তিটি সংসদে উত্থাপনের দাবিও জানান তিনি। তাঁর মতে, জনগণের মতামত ও সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর করা উচিত নয়। তিনি বলেন, এটি সংসদে তুলতে হবে এবং জনগণের সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীর আলম জনিসহ উবিনীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
/এমআর/




