যুক্তরাষ্ট্র রেজিম চেঞ্জ করেছে, এখনো সেই শক্তিই ক্ষমতায় : ফরহাদ মজহার
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র রেজিম চেঞ্জ করেছে, এখনো সেই শক্তিই ক্ষমতায় : ফরহাদ মজহার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০১: ৫০

কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। ছবি: বাসস
কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলেও প্রকৃত ক্ষমতা এখনো জনগণের হাতে আসেনি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে দেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হয়েছে এবং বর্তমানে সেই শক্তিরাই ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলেও প্রকৃত ক্ষমতা এখনো জনগণের হাতে আসেনি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে দেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হয়েছে এবং বর্তমানে সেই শক্তিরাই ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।

যুক্তরাষ্ট্র রেজিম চেঞ্জ করেছে, এখনো সেই শক্তিই ক্ষমতায় : ফরহাদ মজহার
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০১: ৫০

কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। ছবি: বাসস
কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলেও প্রকৃত ক্ষমতা এখনো জনগণের হাতে আসেনি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে দেশে ‘রেজিম চেঞ্জ’ হয়েছে এবং বর্তমানে সেই শক্তিরাই ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ ভবনে এনসিপি-সমর্থিত সংগঠন ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ মজহার বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া জরুরি। তার ভাষায়, হাসিনা নেই, কিন্তু হাসিনা ব্যবস্থা এখনো টিকে আছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো হলেও রাষ্ট্রের গাঠনিক ক্ষমতা জনগণের হাতে আসেনি। সামনে দেশ আরও বড় সংকটের মুখোমুখি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে বাইরে হিন্দুত্ববাদী বিপদ মোকাবিলায় সবাইকে বিপ্লবী চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় শাপলা চত্বর ইস্যুতে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। এনসিপির আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বলেন, হেফাজতের ৫ মে আন্দোলনে বিএনপির সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অতীতে আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। গুলির মুখে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঠেলে দেওয়ার দায়ও রাজনৈতিক দলগুলোর এড়ানোর সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা ছিল একটি কালচার ফাইট বা সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের অংশ। এই অঞ্চলের মানুষের সেই লড়াই চলমান রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে অন্য ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই সেখানে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় বহু বছর পরও মানুষকে একই বিচারের দাবি তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদীর সভাপতিত্বে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, চিন্তক ও গবেষক মুসা আল হাফিজ, এনইউএ’র সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খানসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।
/এমআর/




