শিরোনাম

গোপনে ইরানে হামলা চালায় আমিরাত

সিটিজেন ডেস্ক
গোপনে ইরানে হামলা চালায় আমিরাত
সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার পর ধোয়ার কুণ্ডুলি। ছবি: মিডল ইস্ট আই

ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিয়ে প্রথমেই মুসলিম বিশ্বে সমালোচিত হয় তারা। এবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে উঠে এলো চাঞ্চল্যকার তথ্য। সংযুক্ত আরব আমিরাত দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানে গোপনে হামলা চালায়। এর মাধ্যমে একমাত্র দেশ হিসেবে মার্কিন-ইসরায়েলিদের সঙ্গে হাত মেলায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম এই দেশটি।

স্থানীয় সময় সোমবার (১১ মে) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। যদিও আমিরাত এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে হামলার কথা স্বীকার করেনি। দেশটির হামলার মধ্যে ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগার।

এপ্রিলের শুরুর দিকে এই হামলা করা হয়। সে সময় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হামলাটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে সেটি স্পষ্ট করেনি সংবাদমাধ্যমটি।

তেল শোধনাগারটি হামলার পর ইরান জানায়, অজ্ঞাত শত্রুরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তেহরান আমিরাত ও কুয়েতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তেল শোধনাগারে আমিরাতের হামলা এত বড় ছিল যে সেটিতে বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইরানের ভালো সময় লাগে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র জানিয়েছেন, আমিরাত ইরানে হামলা চালালে সেটাকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কারণ উপসাগরীয় অন্য আরব দেশগুলো ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিলেও তাদের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিতে অস্বীকতি জানিয়েছিল।

এ ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমটি আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও হামলার ব্যাপারে কথা বলেনি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এরপর মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলোতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। এর মধ্যে আমিরাতে প্রায় সাড়ে ৫০০ মিসাইল এবং ২ হাজার ২০০ ড্রোন নিক্ষেপ করে ইরান।

সূত্র: ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল

/জেএইচ/