রূপপুর বালিশকাণ্ড: দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিস্ময়
বিশেষ প্রতিনিধি

রূপপুর বালিশকাণ্ড: দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিস্ময়
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৮: ৫৪

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনা নিয়ে আলোচিত দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিস্ময় প্রকাশ করেন। একটি বালিশের দাম ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত দামের বালিশে আদৌ ঘুম হবে কি?’
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় তিনি বিগত সরকারের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার এবং মেগা প্রকল্পের নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র শিক্ষার্থীর সামনে তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে জনমত গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।
একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা মনে করছেন দেশে অনেক কিছু হওয়া উচিত। ধীরে ধীরে সবকিছু গড়ে তুলতে হলে দেশে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন। আমরা যদি তা না পারি, তাহলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। একবার কিছু তৈরি হবে, আবার তা ভেঙে পড়বে। তাই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াসহ সব মাধ্যমে জনমত তৈরি করতে হবে। দেশে এখন স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। রাজনীতি সংসদে হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে হৈচৈ করে কিছু গড়ে তোলা যায় না। কিছু গড়ে তোলার জন্য দেশে স্থিতিশীলতা লাগবে। কোনো কিছু গড়ে তোলার জন্য বসে আলোচনা করতে হবে। এই সহযোগিতা আপনাদের করতে হবে। কারণ, আপনারাই ভবিষ্যৎ। কাজেই আপনাদের শক্ত হতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।
সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি জানান, সরকার স্কুল পর্যায়ে ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করছে। ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হবে। এসব উদ্যোগের সুফল ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে এবং পূর্ণ সুফল পেতে ১০ থেকে ১২ বছর লাগতে পারে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশকাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়।
এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনা নিয়ে আলোচিত দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিস্ময় প্রকাশ করেন। একটি বালিশের দাম ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত দামের বালিশে আদৌ ঘুম হবে কি?’
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় তিনি বিগত সরকারের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার এবং মেগা প্রকল্পের নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র শিক্ষার্থীর সামনে তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে জনমত গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।
একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা মনে করছেন দেশে অনেক কিছু হওয়া উচিত। ধীরে ধীরে সবকিছু গড়ে তুলতে হলে দেশে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন। আমরা যদি তা না পারি, তাহলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। একবার কিছু তৈরি হবে, আবার তা ভেঙে পড়বে। তাই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াসহ সব মাধ্যমে জনমত তৈরি করতে হবে। দেশে এখন স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। রাজনীতি সংসদে হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে হৈচৈ করে কিছু গড়ে তোলা যায় না। কিছু গড়ে তোলার জন্য দেশে স্থিতিশীলতা লাগবে। কোনো কিছু গড়ে তোলার জন্য বসে আলোচনা করতে হবে। এই সহযোগিতা আপনাদের করতে হবে। কারণ, আপনারাই ভবিষ্যৎ। কাজেই আপনাদের শক্ত হতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।
সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি জানান, সরকার স্কুল পর্যায়ে ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করছে। ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হবে। এসব উদ্যোগের সুফল ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে এবং পূর্ণ সুফল পেতে ১০ থেকে ১২ বছর লাগতে পারে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশকাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়।
এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।

রূপপুর বালিশকাণ্ড: দাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিস্ময়
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৮: ৫৪

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে বালিশ কেনা নিয়ে আলোচিত দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে বিস্ময় প্রকাশ করেন। একটি বালিশের দাম ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত দামের বালিশে আদৌ ঘুম হবে কি?’
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মতবিনিময় সভায় তিনি বিগত সরকারের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার এবং মেগা প্রকল্পের নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র শিক্ষার্থীর সামনে তুলে ধরেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে জনমত গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ১৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন।
একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা মনে করছেন দেশে অনেক কিছু হওয়া উচিত। ধীরে ধীরে সবকিছু গড়ে তুলতে হলে দেশে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন। আমরা যদি তা না পারি, তাহলে কোনো উন্নয়নই টেকসই হবে না। একবার কিছু তৈরি হবে, আবার তা ভেঙে পড়বে। তাই দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াসহ সব মাধ্যমে জনমত তৈরি করতে হবে। দেশে এখন স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। রাজনীতি সংসদে হওয়া উচিত। শুধু রাজপথে হৈচৈ করে কিছু গড়ে তোলা যায় না। কিছু গড়ে তোলার জন্য দেশে স্থিতিশীলতা লাগবে। কোনো কিছু গড়ে তোলার জন্য বসে আলোচনা করতে হবে। এই সহযোগিতা আপনাদের করতে হবে। কারণ, আপনারাই ভবিষ্যৎ। কাজেই আপনাদের শক্ত হতে হবে, প্রতিবাদ করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখারও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়বে।
সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি জানান, সরকার স্কুল পর্যায়ে ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করছে। ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালু হয়েছে এবং সংগীত শিক্ষার ব্যবস্থাও রাখা হবে। এসব উদ্যোগের সুফল ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে এবং পূর্ণ সুফল পেতে ১০ থেকে ১২ বছর লাগতে পারে।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের জন্য আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা ‘বালিশকাণ্ড’ নামে ব্যাপক আলোচিত হয়।
এ ঘটনার পর সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। সরকারের গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটিতে এর সত্যতা প্রমাণিত হয়। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি তৈরি করেন পত্রিকাটির তৎকালীন সিনিয়র রিপোর্টার তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। যিনি বর্তমানে সিটিজেন জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক।
/এমআর/

বালিশকাণ্ডে আরও এক প্রকৌশলীকে অবসর
প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ হলো ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির প্রতিবেদন


