এক্সপ্লেইনার
সংকট সমাধানে ‘জামিনদার’ চায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উভয়েই
সিটিজেন ডেস্ক

সংকট সমাধানে ‘জামিনদার’ চায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উভয়েই
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২২: ৩৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার পথ খোলা থাকলেও দুই পক্ষের গভীর অনাস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, আলোচনায় অগ্রগতি আনতে তৃতীয় পক্ষের শক্তিশালী গ্যারান্টি বা ‘জামিনদার’ প্রয়োজন হতে পারে।
দোহাভিত্তিক সংঘাত ও মানবিক গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক সুলতান আল-খুলাইফি আল জাজিরাকে বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুতর আস্থার সংকট রয়েছে।’
তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছে না, একইভাবে ওয়াশিংটনও তেহরানের অবস্থান নিয়ে সন্দিহান। ফলে যেকোনো সম্ভাব্য সমঝোতা কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
আল-খুলাইফির মতে, পাকিস্তান যদি মধ্যস্থতার উদ্যোগে আরও কয়েকটি দেশকে সম্পৃক্ত করতে পারে, তাহলে আলোচনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তার ভাষায়, এমন কিছু রাষ্ট্রকে সামনে আনা দরকার যারা দুই পক্ষকেই নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে, কোনো চুক্তি হলে তা থেকে কেউ একতরফাভাবে সরে যাবে না।
পারমাণবিক ইস্যুর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে আশ্বস্ত করতে পারে যে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। একইভাবে ইরানের অবস্থান নিয়েও আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি তৈরি করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রস্তাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা একে অপরের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়গুলো গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ দাবিগুলো সামনে রাখছে। এতে সমঝোতার পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকের মতে, পাকিস্তান ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে মধ্যস্থতার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে এবং আলোচনায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের ব্যবধান এতটাই বড় যে, সমাধানে পৌঁছাতে আরও বিস্তৃত কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার পথ খোলা থাকলেও দুই পক্ষের গভীর অনাস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, আলোচনায় অগ্রগতি আনতে তৃতীয় পক্ষের শক্তিশালী গ্যারান্টি বা ‘জামিনদার’ প্রয়োজন হতে পারে।
দোহাভিত্তিক সংঘাত ও মানবিক গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক সুলতান আল-খুলাইফি আল জাজিরাকে বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুতর আস্থার সংকট রয়েছে।’
তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছে না, একইভাবে ওয়াশিংটনও তেহরানের অবস্থান নিয়ে সন্দিহান। ফলে যেকোনো সম্ভাব্য সমঝোতা কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
আল-খুলাইফির মতে, পাকিস্তান যদি মধ্যস্থতার উদ্যোগে আরও কয়েকটি দেশকে সম্পৃক্ত করতে পারে, তাহলে আলোচনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তার ভাষায়, এমন কিছু রাষ্ট্রকে সামনে আনা দরকার যারা দুই পক্ষকেই নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে, কোনো চুক্তি হলে তা থেকে কেউ একতরফাভাবে সরে যাবে না।
পারমাণবিক ইস্যুর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে আশ্বস্ত করতে পারে যে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। একইভাবে ইরানের অবস্থান নিয়েও আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি তৈরি করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রস্তাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা একে অপরের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়গুলো গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ দাবিগুলো সামনে রাখছে। এতে সমঝোতার পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকের মতে, পাকিস্তান ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে মধ্যস্থতার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে এবং আলোচনায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের ব্যবধান এতটাই বড় যে, সমাধানে পৌঁছাতে আরও বিস্তৃত কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সংকট সমাধানে ‘জামিনদার’ চায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উভয়েই
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২২: ৩৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে আলোচনার পথ খোলা থাকলেও দুই পক্ষের গভীর অনাস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, আলোচনায় অগ্রগতি আনতে তৃতীয় পক্ষের শক্তিশালী গ্যারান্টি বা ‘জামিনদার’ প্রয়োজন হতে পারে।
দোহাভিত্তিক সংঘাত ও মানবিক গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক সুলতান আল-খুলাইফি আল জাজিরাকে বলেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুতর আস্থার সংকট রয়েছে।’
তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবকে পুরোপুরি বিশ্বাস করছে না, একইভাবে ওয়াশিংটনও তেহরানের অবস্থান নিয়ে সন্দিহান। ফলে যেকোনো সম্ভাব্য সমঝোতা কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
আল-খুলাইফির মতে, পাকিস্তান যদি মধ্যস্থতার উদ্যোগে আরও কয়েকটি দেশকে সম্পৃক্ত করতে পারে, তাহলে আলোচনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। তার ভাষায়, এমন কিছু রাষ্ট্রকে সামনে আনা দরকার যারা দুই পক্ষকেই নিশ্চয়তা দিতে পারবে যে, কোনো চুক্তি হলে তা থেকে কেউ একতরফাভাবে সরে যাবে না।
পারমাণবিক ইস্যুর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, কিছু দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানকে আশ্বস্ত করতে পারে যে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। একইভাবে ইরানের অবস্থান নিয়েও আন্তর্জাতিক গ্যারান্টি তৈরি করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রস্তাব পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা একে অপরের নিরাপত্তা ও স্বার্থের বিষয়গুলো গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের সর্বোচ্চ দাবিগুলো সামনে রাখছে। এতে সমঝোতার পথ আরও জটিল হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকের মতে, পাকিস্তান ইতোমধ্যে আঞ্চলিক পর্যায়ে মধ্যস্থতার কিছু উদ্যোগ নিয়েছে এবং আলোচনায় সীমিত অগ্রগতিও হয়েছে। তবে দুই পক্ষের অবস্থানের ব্যবধান এতটাই বড় যে, সমাধানে পৌঁছাতে আরও বিস্তৃত কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমআর/




