‘নেতানিয়াহুকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়’

‘নেতানিয়াহুকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়’
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধবার (১৩ মে) তার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। যদিও এর কয়েক ঘণ্টা পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দিয়ে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের সময় নেতানিয়াহুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছিল আমিরাত। নেতানিয়াহুর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন এ তথ্য জানান।
সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জিভ লেখেন, ‘আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন থেকেছেন এমন একজন হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক সেই সফরের সঙ্গী হিসেবে, যা এতদিন গোপন ছিল– আমি বলতে পারি প্রধানমন্ত্রীকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, তার পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্যরা আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন। আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি হন।’
জিভ বলেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছেন। এমনকি তার ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিমান থেকে প্রাসাদে নিয়ে যান। এই অসাধারণ সফরে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন তা নিয়ে আগামী কয়েক প্রজন্ম কথা বলবে। ইসরায়েলের জন্য এটি ছিল অসাধারণ এক সফলতা।’
এদিকে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আমিরাত আরব অঞ্চলে বিভাজন তৈরি করছে। এর কোনো ক্ষমা নেই।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধবার (১৩ মে) তার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। যদিও এর কয়েক ঘণ্টা পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দিয়ে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের সময় নেতানিয়াহুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছিল আমিরাত। নেতানিয়াহুর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন এ তথ্য জানান।
সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জিভ লেখেন, ‘আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন থেকেছেন এমন একজন হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক সেই সফরের সঙ্গী হিসেবে, যা এতদিন গোপন ছিল– আমি বলতে পারি প্রধানমন্ত্রীকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, তার পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্যরা আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন। আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি হন।’
জিভ বলেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছেন। এমনকি তার ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিমান থেকে প্রাসাদে নিয়ে যান। এই অসাধারণ সফরে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন তা নিয়ে আগামী কয়েক প্রজন্ম কথা বলবে। ইসরায়েলের জন্য এটি ছিল অসাধারণ এক সফলতা।’
এদিকে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আমিরাত আরব অঞ্চলে বিভাজন তৈরি করছে। এর কোনো ক্ষমা নেই।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

‘নেতানিয়াহুকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়’
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বুধবার (১৩ মে) তার দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। যদিও এর কয়েক ঘণ্টা পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দিয়ে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের সময় নেতানিয়াহুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছিল আমিরাত। নেতানিয়াহুর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন এ তথ্য জানান।
সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জিভ লেখেন, ‘আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন থেকেছেন এমন একজন হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক সেই সফরের সঙ্গী হিসেবে, যা এতদিন গোপন ছিল– আমি বলতে পারি প্রধানমন্ত্রীকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, তার পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্যরা আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন। আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি হন।’
জিভ বলেন, ‘আমিরাতের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছেন। এমনকি তার ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিমান থেকে প্রাসাদে নিয়ে যান। এই অসাধারণ সফরে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন তা নিয়ে আগামী কয়েক প্রজন্ম কথা বলবে। ইসরায়েলের জন্য এটি ছিল অসাধারণ এক সফলতা।’
এদিকে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফর নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আমিরাত আরব অঞ্চলে বিভাজন তৈরি করছে। এর কোনো ক্ষমা নেই।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা বিভাজন সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ইসরায়েলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন, তাদের অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল, আল জাজিরা

ইরান যুদ্ধের সময় গোপনে আমিরাত সফর করেন নেতানিয়াহু


