কুড়িগ্রামে একদিনে ১৮৪ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিপাত

কুড়িগ্রামে একদিনে ১৮৪ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিপাত
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
জেলার রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা একদিনে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত।
জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতেও পানি জমেছে। বিশেষ করে সবজি খেতের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া অনেক নিম্নাঞ্চলের পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে।
সদর উপজেলার চর কুড়িগ্রকম এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, গত রাতের বৃষ্টিতে পুরো জমির ধান এখন পানির নিচে। ধান ঘরে তুলতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে, সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানি ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তরাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এজন্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
জেলার রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা একদিনে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত।
জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতেও পানি জমেছে। বিশেষ করে সবজি খেতের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া অনেক নিম্নাঞ্চলের পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে।
সদর উপজেলার চর কুড়িগ্রকম এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, গত রাতের বৃষ্টিতে পুরো জমির ধান এখন পানির নিচে। ধান ঘরে তুলতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে, সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানি ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তরাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এজন্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কুড়িগ্রামে একদিনে ১৮৪ মিলিমিটার রেকর্ড বৃষ্টিপাত
কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
জেলার রাজারহাট আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা একদিনে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত।
জানা গেছে, অবিরাম বর্ষণে জেলার নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতেও পানি জমেছে। বিশেষ করে সবজি খেতের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়া অনেক নিম্নাঞ্চলের পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে।
সদর উপজেলার চর কুড়িগ্রকম এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, গত রাতের বৃষ্টিতে পুরো জমির ধান এখন পানির নিচে। ধান ঘরে তুলতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে, সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। খেটে খাওয়া মানুষ ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানি ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তরাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। এজন্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।




