৮ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস
৮ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস
দেশের ৮টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


দেশের ৮টি জেলায় ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরম খুব একটা কাটেনি। রাজধানীতে আজও এই গরম থেকে স্বস্তি মিলছে না।

বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণ হতে পারে হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশের ১৩টি জেলার ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের ৮টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশের ৮টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশের ৫টি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় ষষ্ঠ দিনের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোমরসমান পানি পেরিয়ে, কোথাও নৌকা ও ভ্যানে চড়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের।

প্রশ্ন হচ্ছে বৃষ্টির সঙ্গে কি সত্যিই মানুষের মন খারাপের কোনো সম্পর্ক রয়েছে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর উত্তর-হ্যাঁ। আবহাওয়া মানুষের মানসিক অবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে এই বছর জলাবদ্ধতার সমস্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় সরকার বিভাগ কাজ করছে। তারা জলাবদ্ধতার কারণগুলোও চিহ্নিত করেছে।

সুরমা ও কুশিয়ারার পানি বাড়তে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। এদিকে বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমতে থাকায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

প্রবল বর্ষণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে পুরো কুমিল্লা শহর। নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, অলিগলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জনজীবন।

দেশের ১৯ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

টানা কয়েকদিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে রাজধানীতে জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।তবে এ বৃষ্টি সহসা শেষ হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টিপাত, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৮টি উপজেলা, ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

যারা রাজধানী ঢাকার সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছে তাদের গাফিলতির কারণে প্রধান সড়কের পাশাপাশি ছোট ছোট সড়কেও পানি জমছে।

ব্যস্ত শহর ঢাকা। বৃষ্টি হলেই থেমে যায় এ শহরের ব্যস্ততার চাকা। তা হোক সামান্য বা অতি বৃষ্টি। অল্প বর্ষণে যেখানে পানি স্বাভাবিকভাবে নেমে যাওয়ার কথা, সেখানে অলি-গলি পেরিয়ে দোকানপাট কিংবা বাসা-বাড়িতে ঢুকে যায়। কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও কোমর পানি। পানির ঢেউ দেখে মনে হয়, ক্ষণিকের জন্য কোনো এক সমুদ্রের দেখা।

টানা কয়েক ঘণ্টার ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতায় নাকাল রাজধানীবাসী। শনিবার (১১ জুলাই) রাতের শেষভাগ থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সকাল পেরিয়ে দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

টানা বর্ষণ এবং ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে। এতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের ভারী বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানীবাসীর জীবনযাত্রা। রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম দুর্ভোগের মুখে।

চট্টগ্রামে একটানা ভারী বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৩৬ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ১২ ঘণ্টাতেই বৃষ্টি হয়েছে ১২৯ মিলিমিটার।

গত ২৪ ঘণ্টা রাজধানীতে ৯৭ মিলিমিটার অতিভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসের ভারী বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার (১২ জুলাই) গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
