৩ মাসে সংসদ লাইব্রেরিতে গেছেন মাত্র একজন মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

৩ মাসে সংসদ লাইব্রেরিতে গেছেন মাত্র একজন মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৪: ২২

ছবি: সংগৃহীত
৮৫ হাজারের বেশি বইসমৃদ্ধ জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি গত তিন মাসে ব্যবহার করেছেন প্রায় ৭০ জন সংসদ সদস্য (এমপি)। রেজিস্টার খাতায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১ জন হলেও ঘুরেফিরে শুধু কয়েকজন এমপিই লাইব্রেরিতে গিয়েছেন।
রেজিস্টার অনুযায়ী, একমাত্র মন্ত্রী হিসেবে দুবার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন সিলেট-১ আসনের এমপি খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অন্য কোনো মন্ত্রীর নাম পাওয়া যায়নি।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, বেশির ভাগ এমপি লাইব্রেরিতে গিয়ে দৈনিক পত্রিকা পড়েছেন। কেউ কেউ নিউজ ক্লিপিংস সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া সংসদের বিতর্ক, কার্যপ্রণালি বিধি ও বিভিন্ন বই পড়েছেন কয়েকজন এমপি। কেউ কেউ ফটোকপিও নিয়েছেন।
গত তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ১৫ বার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াতের এমপি মো. ফজলুর রহমান সাঈদ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপির এমপি মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তিনি লাইব্রেরিতে গিয়েছেন ১৪ বার।
এছাড়া নওগাঁ-৪ আসনের ইকরামুল বারী টিপু ৬ বার এবং স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ও এনসিপির এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ ৫ বার করে লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন।
চলতি মাসের ৩ তারিখে শপথ নেওয়া ৪৯ জন সংরক্ষিত নারী এমপির মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন লাইব্রেরিতে গিয়েছেন। তারা হলেন– আরিফা সুলতানা ও তাসমিয়া প্রধান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয় ১২ মার্চ। তবে এমপিরা ফেব্রুয়ারি থেকেই লাইব্রেরি ব্যবহার শুরু করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম লাইব্রেরি ব্যবহার করেন তিনজন এমপি– কুড়িগ্রাম-২ আসনের আতিকুর ইসলাম মোজাহিদ, পাবনা-১ আসনের ব্যারিস্টার ড. মাওলানা নাজিবুর রহমান মোমেন এবং পিরোজপুর-১ আসনের মাসুদ সাঈদী।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিরোধীদলীয় এমপিরাই এখন পর্যন্ত লাইব্রেরি বেশি ব্যবহার করেছেন। নতুন এমপিদের মধ্যে কার্যপ্রণালি বিধি সংক্রান্ত বই পড়ার আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।
সংসদ লাইব্রেরিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি বলা হয়। এখানে আইন ও বিচার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, নৃতত্ত্ব, ধর্ম, ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ের দুর্লভ বই রয়েছে। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রকাশিত প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংখ্যাও সংরক্ষিত আছে এখানে।
লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন– আশরাফ উদ্দিন নিজান, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সাঈদ আল নোমান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মো. নাজিবুর রহমান, আখতার হোসেন।

৮৫ হাজারের বেশি বইসমৃদ্ধ জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি গত তিন মাসে ব্যবহার করেছেন প্রায় ৭০ জন সংসদ সদস্য (এমপি)। রেজিস্টার খাতায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১ জন হলেও ঘুরেফিরে শুধু কয়েকজন এমপিই লাইব্রেরিতে গিয়েছেন।
রেজিস্টার অনুযায়ী, একমাত্র মন্ত্রী হিসেবে দুবার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন সিলেট-১ আসনের এমপি খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অন্য কোনো মন্ত্রীর নাম পাওয়া যায়নি।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, বেশির ভাগ এমপি লাইব্রেরিতে গিয়ে দৈনিক পত্রিকা পড়েছেন। কেউ কেউ নিউজ ক্লিপিংস সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া সংসদের বিতর্ক, কার্যপ্রণালি বিধি ও বিভিন্ন বই পড়েছেন কয়েকজন এমপি। কেউ কেউ ফটোকপিও নিয়েছেন।
গত তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ১৫ বার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াতের এমপি মো. ফজলুর রহমান সাঈদ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপির এমপি মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তিনি লাইব্রেরিতে গিয়েছেন ১৪ বার।
এছাড়া নওগাঁ-৪ আসনের ইকরামুল বারী টিপু ৬ বার এবং স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ও এনসিপির এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ ৫ বার করে লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন।
চলতি মাসের ৩ তারিখে শপথ নেওয়া ৪৯ জন সংরক্ষিত নারী এমপির মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন লাইব্রেরিতে গিয়েছেন। তারা হলেন– আরিফা সুলতানা ও তাসমিয়া প্রধান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয় ১২ মার্চ। তবে এমপিরা ফেব্রুয়ারি থেকেই লাইব্রেরি ব্যবহার শুরু করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম লাইব্রেরি ব্যবহার করেন তিনজন এমপি– কুড়িগ্রাম-২ আসনের আতিকুর ইসলাম মোজাহিদ, পাবনা-১ আসনের ব্যারিস্টার ড. মাওলানা নাজিবুর রহমান মোমেন এবং পিরোজপুর-১ আসনের মাসুদ সাঈদী।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিরোধীদলীয় এমপিরাই এখন পর্যন্ত লাইব্রেরি বেশি ব্যবহার করেছেন। নতুন এমপিদের মধ্যে কার্যপ্রণালি বিধি সংক্রান্ত বই পড়ার আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।
সংসদ লাইব্রেরিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি বলা হয়। এখানে আইন ও বিচার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, নৃতত্ত্ব, ধর্ম, ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ের দুর্লভ বই রয়েছে। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রকাশিত প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংখ্যাও সংরক্ষিত আছে এখানে।
লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন– আশরাফ উদ্দিন নিজান, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সাঈদ আল নোমান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মো. নাজিবুর রহমান, আখতার হোসেন।

৩ মাসে সংসদ লাইব্রেরিতে গেছেন মাত্র একজন মন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৪: ২২

ছবি: সংগৃহীত
৮৫ হাজারের বেশি বইসমৃদ্ধ জাতীয় সংসদ লাইব্রেরি গত তিন মাসে ব্যবহার করেছেন প্রায় ৭০ জন সংসদ সদস্য (এমপি)। রেজিস্টার খাতায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০১ জন হলেও ঘুরেফিরে শুধু কয়েকজন এমপিই লাইব্রেরিতে গিয়েছেন।
রেজিস্টার অনুযায়ী, একমাত্র মন্ত্রী হিসেবে দুবার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন সিলেট-১ আসনের এমপি খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অন্য কোনো মন্ত্রীর নাম পাওয়া যায়নি।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, বেশির ভাগ এমপি লাইব্রেরিতে গিয়ে দৈনিক পত্রিকা পড়েছেন। কেউ কেউ নিউজ ক্লিপিংস সংগ্রহ করেছেন। এছাড়া সংসদের বিতর্ক, কার্যপ্রণালি বিধি ও বিভিন্ন বই পড়েছেন কয়েকজন এমপি। কেউ কেউ ফটোকপিও নিয়েছেন।
গত তিন মাসে সবচেয়ে বেশি ১৫ বার লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াতের এমপি মো. ফজলুর রহমান সাঈদ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের বিএনপির এমপি মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তিনি লাইব্রেরিতে গিয়েছেন ১৪ বার।
এছাড়া নওগাঁ-৪ আসনের ইকরামুল বারী টিপু ৬ বার এবং স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ও এনসিপির এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ ৫ বার করে লাইব্রেরি ব্যবহার করেছেন।
চলতি মাসের ৩ তারিখে শপথ নেওয়া ৪৯ জন সংরক্ষিত নারী এমপির মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র দুজন লাইব্রেরিতে গিয়েছেন। তারা হলেন– আরিফা সুলতানা ও তাসমিয়া প্রধান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয় ১২ মার্চ। তবে এমপিরা ফেব্রুয়ারি থেকেই লাইব্রেরি ব্যবহার শুরু করেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম লাইব্রেরি ব্যবহার করেন তিনজন এমপি– কুড়িগ্রাম-২ আসনের আতিকুর ইসলাম মোজাহিদ, পাবনা-১ আসনের ব্যারিস্টার ড. মাওলানা নাজিবুর রহমান মোমেন এবং পিরোজপুর-১ আসনের মাসুদ সাঈদী।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, বিরোধীদলীয় এমপিরাই এখন পর্যন্ত লাইব্রেরি বেশি ব্যবহার করেছেন। নতুন এমপিদের মধ্যে কার্যপ্রণালি বিধি সংক্রান্ত বই পড়ার আগ্রহ বেশি দেখা গেছে।
সংসদ লাইব্রেরিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি বলা হয়। এখানে আইন ও বিচার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, নৃতত্ত্ব, ধর্ম, ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ের দুর্লভ বই রয়েছে। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রকাশিত প্রধান দৈনিক পত্রিকার সংখ্যাও সংরক্ষিত আছে এখানে।
লাইব্রেরি পরিচালনার জন্য ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ এপ্রিল জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন– আশরাফ উদ্দিন নিজান, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সাঈদ আল নোমান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, মো. নাজিবুর রহমান, আখতার হোসেন।
/এফসি/




