ভিসি অপসারণ দাবিতে পবিপ্রবিতে শাটডাউন কর্মসূচি
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

ভিসি অপসারণ দাবিতে পবিপ্রবিতে শাটডাউন কর্মসূচি
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৪: ২২

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। ছবি: সংবাদদাতা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাটডাউন কর্মসূচি তৃতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উপাচার্যের অপসারণ, বহিরাগতদের হামলার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিরতা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনা ঘটছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আন্দোলনের প্রথম দিন সোমবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনার পর আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন,পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আমরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করছি।
উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়া পবিপ্রবির প্রক্টর আবুল বাশার খান বলেন, উপাচার্য গত রবিবার উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর আগেও তিনি ২১ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদোন্নতি বিনা কারণে আটকে দেন। তার এসব স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘটে অংশ নেন।
এ বিষয়ে জানতে পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. মহিবুল্লাহ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. রাহাত মাহমুদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক এবং পবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনিসহ অন্যরা।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাটডাউন কর্মসূচি তৃতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উপাচার্যের অপসারণ, বহিরাগতদের হামলার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিরতা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনা ঘটছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আন্দোলনের প্রথম দিন সোমবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনার পর আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন,পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আমরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করছি।
উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়া পবিপ্রবির প্রক্টর আবুল বাশার খান বলেন, উপাচার্য গত রবিবার উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর আগেও তিনি ২১ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদোন্নতি বিনা কারণে আটকে দেন। তার এসব স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘটে অংশ নেন।
এ বিষয়ে জানতে পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. মহিবুল্লাহ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. রাহাত মাহমুদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক এবং পবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনিসহ অন্যরা।

ভিসি অপসারণ দাবিতে পবিপ্রবিতে শাটডাউন কর্মসূচি
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ১৪: ২২

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। ছবি: সংবাদদাতা
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাটডাউন কর্মসূচি তৃতীয় দিনেও অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং উপাচার্যের অপসারণ, বহিরাগতদের হামলার বিচার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিরতা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনা ঘটছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আন্দোলনের প্রথম দিন সোমবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনার পর আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ বিভাগের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন,পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। তার কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে আমরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করছি।
উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়া পবিপ্রবির প্রক্টর আবুল বাশার খান বলেন, উপাচার্য গত রবিবার উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর আগেও তিনি ২১ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদোন্নতি বিনা কারণে আটকে দেন। তার এসব স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘটে অংশ নেন।
এ বিষয়ে জানতে পবিপ্রবির উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম, কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. মহিবুল্লাহ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. রাহাত মাহমুদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক এবং পবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনিসহ অন্যরা।
/এসআর/




