একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তান নিয়ে যেভাবে দিন কাটছে বাবা-মায়ের
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তান নিয়ে যেভাবে দিন কাটছে বাবা-মায়ের
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৭: ১৭

বাচ্চাদের যত্ন করছেন মা। ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তানের খরচ চালাতে হিশশিম খাচ্ছেন লামিয়া-সোহেল দম্পতি। বর্তমানে বাচ্চাদের জন্য দুধ ও ডায়াপার কিনতে সপ্তাহে খরচ হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এত টাকা খরচ সামলাতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এই দম্পতি।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বরিশালের একটি ক্লিনিকে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দেন বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল হাওলাদারের স্ত্রী লামিয়া আক্তার। জন্মের পর থেকে ৭ মাস ধরে লালনপালন করতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। সন্তান জন্মদানের খবর পেয়ে ওই পরিবারের প্রতি অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তা ছিলো যৎসামান্য।
মা লামিয়া আক্তার বলেন, আমার পাঁচ সন্তানের সপ্তাহে অন্তত ১০ হাজার টাকার দুধ ও ডায়াপার প্রয়োজন। কিন্তু এত খরচ কীভাবে সামাল দেবো? সেই সঙ্গে মাথার ওপর ঋণের বোঝা আছে। ভবিষ্যতে ৫ সন্তানের পড়ালেখাসহ সার্বিক খরচ মেটাতে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
সোহেল হাওলাদার বলেন, একাধিক ব্যক্তি আমাদের ২ সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছেন। কোনোভাবেই আমাদের সন্তান দত্তক দিতে রাজি নই। কষ্ট হলেও আমরা ৫ সন্তানের প্রতি সমান ভালোবাসা দেখাতে চাই।
বাউফলের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, ৫ সন্তানের সাত মাস বয়স হয়েছে। এখন দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার প্রয়োজন। বাড়তি খাবার পর্যাপ্ত না পেলে পুষ্টিহীনতার শিকার হতে পারে শিশুগুলো।
বাউফল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড সুপারভাইজার হুমায়ন কবির বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে সরাসরি কোনো সহযোগিতা নেই। তবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের একটি তহবিল আছে, সেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার টাকার অনুদান পাওয়া যায়। তারা আবেদন করলে আমরা সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারি।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরিবারটির পাশে থাকার জন্য আমরা চেষ্টা করব। সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তানের খরচ চালাতে হিশশিম খাচ্ছেন লামিয়া-সোহেল দম্পতি। বর্তমানে বাচ্চাদের জন্য দুধ ও ডায়াপার কিনতে সপ্তাহে খরচ হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এত টাকা খরচ সামলাতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এই দম্পতি।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বরিশালের একটি ক্লিনিকে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দেন বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল হাওলাদারের স্ত্রী লামিয়া আক্তার। জন্মের পর থেকে ৭ মাস ধরে লালনপালন করতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। সন্তান জন্মদানের খবর পেয়ে ওই পরিবারের প্রতি অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তা ছিলো যৎসামান্য।
মা লামিয়া আক্তার বলেন, আমার পাঁচ সন্তানের সপ্তাহে অন্তত ১০ হাজার টাকার দুধ ও ডায়াপার প্রয়োজন। কিন্তু এত খরচ কীভাবে সামাল দেবো? সেই সঙ্গে মাথার ওপর ঋণের বোঝা আছে। ভবিষ্যতে ৫ সন্তানের পড়ালেখাসহ সার্বিক খরচ মেটাতে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
সোহেল হাওলাদার বলেন, একাধিক ব্যক্তি আমাদের ২ সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছেন। কোনোভাবেই আমাদের সন্তান দত্তক দিতে রাজি নই। কষ্ট হলেও আমরা ৫ সন্তানের প্রতি সমান ভালোবাসা দেখাতে চাই।
বাউফলের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, ৫ সন্তানের সাত মাস বয়স হয়েছে। এখন দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার প্রয়োজন। বাড়তি খাবার পর্যাপ্ত না পেলে পুষ্টিহীনতার শিকার হতে পারে শিশুগুলো।
বাউফল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড সুপারভাইজার হুমায়ন কবির বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে সরাসরি কোনো সহযোগিতা নেই। তবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের একটি তহবিল আছে, সেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার টাকার অনুদান পাওয়া যায়। তারা আবেদন করলে আমরা সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারি।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরিবারটির পাশে থাকার জন্য আমরা চেষ্টা করব। সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত।

একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তান নিয়ে যেভাবে দিন কাটছে বাবা-মায়ের
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১৭: ১৭

বাচ্চাদের যত্ন করছেন মা। ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া ৫ সন্তানের খরচ চালাতে হিশশিম খাচ্ছেন লামিয়া-সোহেল দম্পতি। বর্তমানে বাচ্চাদের জন্য দুধ ও ডায়াপার কিনতে সপ্তাহে খরচ হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এত টাকা খরচ সামলাতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন এই দম্পতি।
সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর বরিশালের একটি ক্লিনিকে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দেন বাউফলের কালিশুরী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল হাওলাদারের স্ত্রী লামিয়া আক্তার। জন্মের পর থেকে ৭ মাস ধরে লালনপালন করতে গিয়ে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তারা। সন্তান জন্মদানের খবর পেয়ে ওই পরিবারের প্রতি অনেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তা ছিলো যৎসামান্য।
মা লামিয়া আক্তার বলেন, আমার পাঁচ সন্তানের সপ্তাহে অন্তত ১০ হাজার টাকার দুধ ও ডায়াপার প্রয়োজন। কিন্তু এত খরচ কীভাবে সামাল দেবো? সেই সঙ্গে মাথার ওপর ঋণের বোঝা আছে। ভবিষ্যতে ৫ সন্তানের পড়ালেখাসহ সার্বিক খরচ মেটাতে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন।
সোহেল হাওলাদার বলেন, একাধিক ব্যক্তি আমাদের ২ সন্তান দত্তক নিতে চেয়েছেন। কোনোভাবেই আমাদের সন্তান দত্তক দিতে রাজি নই। কষ্ট হলেও আমরা ৫ সন্তানের প্রতি সমান ভালোবাসা দেখাতে চাই।
বাউফলের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুর রউফ বলেন, ৫ সন্তানের সাত মাস বয়স হয়েছে। এখন দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার প্রয়োজন। বাড়তি খাবার পর্যাপ্ত না পেলে পুষ্টিহীনতার শিকার হতে পারে শিশুগুলো।
বাউফল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের ফিল্ড সুপারভাইজার হুমায়ন কবির বলেন, সমাজসেবা অফিস থেকে সরাসরি কোনো সহযোগিতা নেই। তবে বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের একটি তহবিল আছে, সেখান থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০ হাজার টাকার অনুদান পাওয়া যায়। তারা আবেদন করলে আমরা সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারি।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পরিবারটির পাশে থাকার জন্য আমরা চেষ্টা করব। সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
/এসআর/




