শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল জাবি

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল জাবি
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৩ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন টারজান এলাকা থেকে মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে এসে জমায়েত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘ধর্ষকের কালো হাত, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘ভুয়া ভুয়া, জাকসু ভুয়া’, ‘প্রক্টরের পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো– ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকেও পদত্যাগ করতে হবে, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স কার্যকরী টিম গঠন করতে হবে, ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে যুক্ত করতে হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘এক দুই তিন চার, প্রক্টর তুই গদি ছাড়’, ‘ভিসি তুই গদি ছাড়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। এর ফলে কর্মসূচিকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করা এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছি অভিযুক্তের বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে। কিন্তু এখানে কিছু শিক্ষার্থী কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা কারও পদত্যাগের দাবিতে আসিনি।
৫১তম ব্যাচের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সেটিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা হওয়ায় আমরা সরে যাচ্ছি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল থেকে মেয়েদের ডেকে এনে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। কিন্তু এটিকে রাজনৈতিক ব্যানারে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা তা হতে দেবো না। অভিযুক্তের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় রাজনৈতিক আন্দোলনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেছেন বেশিরভাগ সাধারণ শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল ও আল-বেরুনী হলের সম্প্রসারিত অংশ সংলগ্ন এলাকায় এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। শিক্ষার্থীদের চিৎকারে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৩ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন টারজান এলাকা থেকে মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে এসে জমায়েত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘ধর্ষকের কালো হাত, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘ভুয়া ভুয়া, জাকসু ভুয়া’, ‘প্রক্টরের পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো– ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকেও পদত্যাগ করতে হবে, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স কার্যকরী টিম গঠন করতে হবে, ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে যুক্ত করতে হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘এক দুই তিন চার, প্রক্টর তুই গদি ছাড়’, ‘ভিসি তুই গদি ছাড়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। এর ফলে কর্মসূচিকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করা এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছি অভিযুক্তের বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে। কিন্তু এখানে কিছু শিক্ষার্থী কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা কারও পদত্যাগের দাবিতে আসিনি।
৫১তম ব্যাচের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সেটিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা হওয়ায় আমরা সরে যাচ্ছি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল থেকে মেয়েদের ডেকে এনে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। কিন্তু এটিকে রাজনৈতিক ব্যানারে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা তা হতে দেবো না। অভিযুক্তের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় রাজনৈতিক আন্দোলনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেছেন বেশিরভাগ সাধারণ শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল ও আল-বেরুনী হলের সম্প্রসারিত অংশ সংলগ্ন এলাকায় এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। শিক্ষার্থীদের চিৎকারে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার প্রতিবাদে উত্তাল জাবি
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনেহিঁচড়ে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৩ মে) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন টারজান এলাকা থেকে মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হল সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রক্টর অফিসের সামনে এসে জমায়েত হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই’, ‘ধর্ষকের কালো হাত, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’, ‘ভুয়া ভুয়া, জাকসু ভুয়া’, ‘প্রক্টরের পদত্যাগ, করতে হবে করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো– ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলমকে দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে, ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে প্রক্টরিয়াল বডিকেও পদত্যাগ করতে হবে, নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা প্রতিরোধে কুইক রেসপন্স কার্যকরী টিম গঠন করতে হবে, ক্যাম্পাসে নারী নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দিতে হবে এবং কুইক রেসপন্স টিমে যুক্ত করতে হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী ‘এক দুই তিন চার, প্রক্টর তুই গদি ছাড়’, ‘ভিসি তুই গদি ছাড়’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। এর ফলে কর্মসূচিকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ধারার দিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করা এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছি অভিযুক্তের বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে। কিন্তু এখানে কিছু শিক্ষার্থী কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা কারও পদত্যাগের দাবিতে আসিনি।
৫১তম ব্যাচের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা। কিন্তু সেটিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা হওয়ায় আমরা সরে যাচ্ছি।
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল থেকে মেয়েদের ডেকে এনে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। কিন্তু এটিকে রাজনৈতিক ব্যানারে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা তা হতে দেবো না। অভিযুক্তের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে প্রক্টর ও প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন।
তবে এ ঘটনায় রাজনৈতিক আন্দোলনের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেছেন বেশিরভাগ সাধারণ শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল ও আল-বেরুনী হলের সম্প্রসারিত অংশ সংলগ্ন এলাকায় এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। শিক্ষার্থীদের চিৎকারে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট কাজ করছে।




