শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ভিআর’ প্রযুক্তি

শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ভিআর’ প্রযুক্তি
সিটিজেন ডেস্ক

পরীক্ষার চাপ, পারিবারিক অস্থিরতাসহ নানা সমস্যায় অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে ভোগে। সেই চাপ কমাতে লন্ডনের বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) প্রযুক্তি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের সাটন বরোর ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। স্থানীয় এনএইচএস মেন্টাল হেলথ ট্রাস্টের সহযোগিতায় ‘ফেইজ স্পেস’ নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভিআর হেডসেট ব্যবহার করছে এসব স্কুল। কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসের আগে বা চলাকালে অতিরিক্ত উদ্বেগ, অস্থিরতা বা মানসিক চাপ অনুভব করলে নির্ধারিত সময়ে সে ‘ফেইজ স্পেস’ প্রোগ্রামটি ব্যবহার করতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগে মাত্র ৭ মিনিট।
এই স্বল্প সময়ের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে শান্ত হতে সহায়তা করে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং আবার পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রোগ্রামটির অন্যতম নির্মাতা জিলা ওয়াটসন জানান, অতিরিক্ত উদ্বেগ ও মানসিক চাপে থাকা শিক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যেই ‘ফেইজ স্পেস’ তৈরি করা হয়েছে। তিনি আগে বিবিসির ভিআর বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
নর্থ লন্ডনের আর্ক একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও এই হেডসেট ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্কুলটির ভাইস-প্রিন্সিপাল এলিশা নিডহ্যাম বলেন, সামাজিক, আবেগীয় বা মানসিক সমস্যায় ভোগা শিক্ষার্থী, বিশেষ করে এডিএইচডি ও উদ্বেগে আক্রান্তদের জন্য এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
তার মতে,অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে অস্থির থাকে। কখনও রুটিন পরিবর্তন, শিক্ষক বদল, পারিবারিক সমস্যা, না খেয়ে স্কুলে আসা, বন্ধুদের সঙ্গে মনোমালিন্য কিংবা হোমওয়ার্ক না করার মতো কারণ তাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে ভিআর প্রোগ্রামটি তাদের দ্রুত স্বাভাবিক হতে সাহায্য করছে।
তিনি বলেন, ভিআর ব্যবহারের পর শিক্ষার্থীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি শান্ত থাকে। ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও কমেছে। আগে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলের আশপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াত। এখন তারা নিজেরাই ভিআর সেশন ব্যবহারের অনুরোধ জানায়, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
‘ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন’-এর ভিজিটিং প্রফেসর ও সহ-উদ্যোক্তা জিলা ওয়াটসন জানান, প্রথম ১০টি স্কুলে যারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ তাৎক্ষণিকভাবে কমেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, আচরণ এবং পরীক্ষা বা মূল্যায়নজনিত উদ্বেগ কমাতেও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী লোরা উইলসন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানায়, শুরুতে নিজেকে একটি ফাঁকা ঘরে দেখতে পাওয়া যায়। পরে ধীরে ধীরে ঘরের আলো ম্লান হয়ে আসে এবং চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর অন্ধকারের ভেতর থেকে আলোর একটি আভা এগিয়ে আসে। যা তাকে যেন অন্য এক শান্ত জগতে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, অভিজ্ঞতাটি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মনে হয় যেন এমন এক জায়গায় আছি, যেখানে শুধু শান্তিতে বিশ্রাম নেওয়া যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ভিআর ব্যবহারের ফলে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বেড়েছে এবং নির্দেশনা বুঝে নেওয়ার ক্ষমতাও উন্নত হয়েছে। কারণ সেশন শেষে তারা অনেক বেশি শান্ত ও মানসিকভাবে হালকা অনুভব করে, যেখানে আগে তাদের মন নানা অগোছালো চিন্তায় ভারাক্রান্ত থাকত।

পরীক্ষার চাপ, পারিবারিক অস্থিরতাসহ নানা সমস্যায় অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে ভোগে। সেই চাপ কমাতে লন্ডনের বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) প্রযুক্তি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের সাটন বরোর ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। স্থানীয় এনএইচএস মেন্টাল হেলথ ট্রাস্টের সহযোগিতায় ‘ফেইজ স্পেস’ নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভিআর হেডসেট ব্যবহার করছে এসব স্কুল। কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসের আগে বা চলাকালে অতিরিক্ত উদ্বেগ, অস্থিরতা বা মানসিক চাপ অনুভব করলে নির্ধারিত সময়ে সে ‘ফেইজ স্পেস’ প্রোগ্রামটি ব্যবহার করতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগে মাত্র ৭ মিনিট।
এই স্বল্প সময়ের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে শান্ত হতে সহায়তা করে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং আবার পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রোগ্রামটির অন্যতম নির্মাতা জিলা ওয়াটসন জানান, অতিরিক্ত উদ্বেগ ও মানসিক চাপে থাকা শিক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যেই ‘ফেইজ স্পেস’ তৈরি করা হয়েছে। তিনি আগে বিবিসির ভিআর বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
নর্থ লন্ডনের আর্ক একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও এই হেডসেট ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্কুলটির ভাইস-প্রিন্সিপাল এলিশা নিডহ্যাম বলেন, সামাজিক, আবেগীয় বা মানসিক সমস্যায় ভোগা শিক্ষার্থী, বিশেষ করে এডিএইচডি ও উদ্বেগে আক্রান্তদের জন্য এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
তার মতে,অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে অস্থির থাকে। কখনও রুটিন পরিবর্তন, শিক্ষক বদল, পারিবারিক সমস্যা, না খেয়ে স্কুলে আসা, বন্ধুদের সঙ্গে মনোমালিন্য কিংবা হোমওয়ার্ক না করার মতো কারণ তাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে ভিআর প্রোগ্রামটি তাদের দ্রুত স্বাভাবিক হতে সাহায্য করছে।
তিনি বলেন, ভিআর ব্যবহারের পর শিক্ষার্থীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি শান্ত থাকে। ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও কমেছে। আগে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলের আশপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াত। এখন তারা নিজেরাই ভিআর সেশন ব্যবহারের অনুরোধ জানায়, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
‘ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন’-এর ভিজিটিং প্রফেসর ও সহ-উদ্যোক্তা জিলা ওয়াটসন জানান, প্রথম ১০টি স্কুলে যারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ তাৎক্ষণিকভাবে কমেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, আচরণ এবং পরীক্ষা বা মূল্যায়নজনিত উদ্বেগ কমাতেও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী লোরা উইলসন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানায়, শুরুতে নিজেকে একটি ফাঁকা ঘরে দেখতে পাওয়া যায়। পরে ধীরে ধীরে ঘরের আলো ম্লান হয়ে আসে এবং চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর অন্ধকারের ভেতর থেকে আলোর একটি আভা এগিয়ে আসে। যা তাকে যেন অন্য এক শান্ত জগতে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, অভিজ্ঞতাটি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মনে হয় যেন এমন এক জায়গায় আছি, যেখানে শুধু শান্তিতে বিশ্রাম নেওয়া যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ভিআর ব্যবহারের ফলে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বেড়েছে এবং নির্দেশনা বুঝে নেওয়ার ক্ষমতাও উন্নত হয়েছে। কারণ সেশন শেষে তারা অনেক বেশি শান্ত ও মানসিকভাবে হালকা অনুভব করে, যেখানে আগে তাদের মন নানা অগোছালো চিন্তায় ভারাক্রান্ত থাকত।

শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ভিআর’ প্রযুক্তি
সিটিজেন ডেস্ক

পরীক্ষার চাপ, পারিবারিক অস্থিরতাসহ নানা সমস্যায় অনেক শিক্ষার্থী মানসিক চাপে ভোগে। সেই চাপ কমাতে লন্ডনের বিভিন্ন স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) প্রযুক্তি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের সাটন বরোর ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। স্থানীয় এনএইচএস মেন্টাল হেলথ ট্রাস্টের সহযোগিতায় ‘ফেইজ স্পেস’ নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি ভিআর হেডসেট ব্যবহার করছে এসব স্কুল। কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসের আগে বা চলাকালে অতিরিক্ত উদ্বেগ, অস্থিরতা বা মানসিক চাপ অনুভব করলে নির্ধারিত সময়ে সে ‘ফেইজ স্পেস’ প্রোগ্রামটি ব্যবহার করতে পারে। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে সময় লাগে মাত্র ৭ মিনিট।
এই স্বল্প সময়ের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে শান্ত হতে সহায়তা করে। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং আবার পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার মতো মানসিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রোগ্রামটির অন্যতম নির্মাতা জিলা ওয়াটসন জানান, অতিরিক্ত উদ্বেগ ও মানসিক চাপে থাকা শিক্ষার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যেই ‘ফেইজ স্পেস’ তৈরি করা হয়েছে। তিনি আগে বিবিসির ভিআর বিভাগের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
নর্থ লন্ডনের আর্ক একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও এই হেডসেট ব্যবহার করা হচ্ছে।
স্কুলটির ভাইস-প্রিন্সিপাল এলিশা নিডহ্যাম বলেন, সামাজিক, আবেগীয় বা মানসিক সমস্যায় ভোগা শিক্ষার্থী, বিশেষ করে এডিএইচডি ও উদ্বেগে আক্রান্তদের জন্য এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
তার মতে,অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে অস্থির থাকে। কখনও রুটিন পরিবর্তন, শিক্ষক বদল, পারিবারিক সমস্যা, না খেয়ে স্কুলে আসা, বন্ধুদের সঙ্গে মনোমালিন্য কিংবা হোমওয়ার্ক না করার মতো কারণ তাদের উদ্বিগ্ন করে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে ভিআর প্রোগ্রামটি তাদের দ্রুত স্বাভাবিক হতে সাহায্য করছে।
তিনি বলেন, ভিআর ব্যবহারের পর শিক্ষার্থীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি শান্ত থাকে। ক্লাস থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও কমেছে। আগে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলের আশপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াত। এখন তারা নিজেরাই ভিআর সেশন ব্যবহারের অনুরোধ জানায়, যা ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
‘ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন’-এর ভিজিটিং প্রফেসর ও সহ-উদ্যোক্তা জিলা ওয়াটসন জানান, প্রথম ১০টি স্কুলে যারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে, তাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন শিক্ষার্থীর মানসিক চাপ তাৎক্ষণিকভাবে কমেছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, আচরণ এবং পরীক্ষা বা মূল্যায়নজনিত উদ্বেগ কমাতেও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী লোরা উইলসন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানায়, শুরুতে নিজেকে একটি ফাঁকা ঘরে দেখতে পাওয়া যায়। পরে ধীরে ধীরে ঘরের আলো ম্লান হয়ে আসে এবং চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর অন্ধকারের ভেতর থেকে আলোর একটি আভা এগিয়ে আসে। যা তাকে যেন অন্য এক শান্ত জগতে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, অভিজ্ঞতাটি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মনে হয় যেন এমন এক জায়গায় আছি, যেখানে শুধু শান্তিতে বিশ্রাম নেওয়া যায়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, ভিআর ব্যবহারের ফলে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ বেড়েছে এবং নির্দেশনা বুঝে নেওয়ার ক্ষমতাও উন্নত হয়েছে। কারণ সেশন শেষে তারা অনেক বেশি শান্ত ও মানসিকভাবে হালকা অনুভব করে, যেখানে আগে তাদের মন নানা অগোছালো চিন্তায় ভারাক্রান্ত থাকত।

আবার কি ফিরে আসছে ল্যান্ডফোনের যুগ


