ধর্ম নিয়ে বিভাজন চাই না: জামায়াত আমির

ধর্ম নিয়ে বিভাজন চাই না: জামায়াত আমির
রাজশাহী সংবাদদাতা

আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকেও লাল চোখ দেখানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনাদের নেতা বলেছিলেন দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা ক্ষমতায় এসেই বললেন- যদি সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু নেওয়া হয় তা চাঁদা হবে না। ধিক্কার জানাই। আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল। এখন মানুষ চাঁদাবাজি দল বলে। একজন চাঁদাবাজকেও আপনারা কবজায় আনতে পারেন নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো স্পর্শকাতর জায়গাটাও আপনারা ঠিক রাখতে পারলেন না। সেখানে একজন দলকানা, অযোগ্য লোককে আপনারা বসিয়েছেন। এছাড়া আপনারা বলবেন অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মান রক্ষা করতে পারে নি। আবার আপনারা দক্ষ ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টকে সরিয়ে দলকানা লোকদেরকে সেখানে বসিয়ে। জাতির সঙ্গে প্রহসন করছেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের প্রথম সরকার মাত্র ১৫ দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালানোর সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু ৫৫ বছরেও সেই ১৫ দিন শেষ হয় নি। ইতোমধ্যে শুকনা মৌসুমে মরুভূমি আর বর্ষায় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পদ্মা। সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তারা পদ্মা ব্যারাজের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু এটা যেন শুধু লোক দেখানো না হয়। একই সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, এদেশের মালিক জনগণ। আমাদের প্রত্যেককেই পাহারাদারের ভূমিকায় অবর্তীন হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমরা আমাদের অধিকার লড়াই করে আদায় করবো ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবো না। বন্ধু ভয় দেখাবেন না, যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তার ওপরে দাঁড়াতে পারে তাদেরকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। আমাদের নেতৃবৃন্দ জনগণের মুক্তির রাস্তা রচনা করে গিয়েছেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গানো হচ্ছে। এটা তিতুমীরের বাংলাদেশ, হাজী শরীয়তুল্লাহর বাংলাদেশ, শাহ মাখদুমের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গাবেন না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই, আপনারাও শান্তিতে থাকুন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। এই দেশে যারাই জন্মগ্রহণ করবে তারা সমান মর্যাদার ভিত্তিতে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের ঐতিহ্যের দিকে কেউ যেন কালো হাত না বাড়ায়। যদি বাড়ায় তাহলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকেও লাল চোখ দেখানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনাদের নেতা বলেছিলেন দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা ক্ষমতায় এসেই বললেন- যদি সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু নেওয়া হয় তা চাঁদা হবে না। ধিক্কার জানাই। আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল। এখন মানুষ চাঁদাবাজি দল বলে। একজন চাঁদাবাজকেও আপনারা কবজায় আনতে পারেন নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো স্পর্শকাতর জায়গাটাও আপনারা ঠিক রাখতে পারলেন না। সেখানে একজন দলকানা, অযোগ্য লোককে আপনারা বসিয়েছেন। এছাড়া আপনারা বলবেন অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মান রক্ষা করতে পারে নি। আবার আপনারা দক্ষ ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টকে সরিয়ে দলকানা লোকদেরকে সেখানে বসিয়ে। জাতির সঙ্গে প্রহসন করছেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের প্রথম সরকার মাত্র ১৫ দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালানোর সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু ৫৫ বছরেও সেই ১৫ দিন শেষ হয় নি। ইতোমধ্যে শুকনা মৌসুমে মরুভূমি আর বর্ষায় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পদ্মা। সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তারা পদ্মা ব্যারাজের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু এটা যেন শুধু লোক দেখানো না হয়। একই সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, এদেশের মালিক জনগণ। আমাদের প্রত্যেককেই পাহারাদারের ভূমিকায় অবর্তীন হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমরা আমাদের অধিকার লড়াই করে আদায় করবো ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবো না। বন্ধু ভয় দেখাবেন না, যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তার ওপরে দাঁড়াতে পারে তাদেরকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। আমাদের নেতৃবৃন্দ জনগণের মুক্তির রাস্তা রচনা করে গিয়েছেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গানো হচ্ছে। এটা তিতুমীরের বাংলাদেশ, হাজী শরীয়তুল্লাহর বাংলাদেশ, শাহ মাখদুমের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গাবেন না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই, আপনারাও শান্তিতে থাকুন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। এই দেশে যারাই জন্মগ্রহণ করবে তারা সমান মর্যাদার ভিত্তিতে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের ঐতিহ্যের দিকে কেউ যেন কালো হাত না বাড়ায়। যদি বাড়ায় তাহলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

ধর্ম নিয়ে বিভাজন চাই না: জামায়াত আমির
রাজশাহী সংবাদদাতা

আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকেও লাল চোখ দেখানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আপনাদের নেতা বলেছিলেন দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবেন। আপনারা ক্ষমতায় এসেই বললেন- যদি সমঝোতার ভিত্তিতে কিছু নেওয়া হয় তা চাঁদা হবে না। ধিক্কার জানাই। আপনাদের নাম ছিল জাতীয়তাবাদী দল। এখন মানুষ চাঁদাবাজি দল বলে। একজন চাঁদাবাজকেও আপনারা কবজায় আনতে পারেন নি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো স্পর্শকাতর জায়গাটাও আপনারা ঠিক রাখতে পারলেন না। সেখানে একজন দলকানা, অযোগ্য লোককে আপনারা বসিয়েছেন। এছাড়া আপনারা বলবেন অতীতে রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মান রক্ষা করতে পারে নি। আবার আপনারা দক্ষ ভিসি, প্রো-ভিসি, প্রক্টর, প্রভোস্টকে সরিয়ে দলকানা লোকদেরকে সেখানে বসিয়ে। জাতির সঙ্গে প্রহসন করছেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের প্রথম সরকার মাত্র ১৫ দিনের জন্য ফারাক্কা বাঁধ চালানোর সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু ৫৫ বছরেও সেই ১৫ দিন শেষ হয় নি। ইতোমধ্যে শুকনা মৌসুমে মরুভূমি আর বর্ষায় দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পদ্মা। সরকারকে সাধুবাদ জানাই। তারা পদ্মা ব্যারাজের ঘোষণা দিয়েছেন, কিন্তু এটা যেন শুধু লোক দেখানো না হয়। একই সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, এদেশের মালিক জনগণ। আমাদের প্রত্যেককেই পাহারাদারের ভূমিকায় অবর্তীন হতে হবে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে হবে। আমরা আমাদের অধিকার লড়াই করে আদায় করবো ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবো না। বন্ধু ভয় দেখাবেন না, যাদের নেতারা হাসতে হাসতে ফাঁসির তক্তার ওপরে দাঁড়াতে পারে তাদেরকে কোনো কিছুর ভয় দেখাবেন না। আমাদের নেতৃবৃন্দ জনগণের মুক্তির রাস্তা রচনা করে গিয়েছেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা চাই না প্রতিবেশী দেশে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন এবং অশান্তি হোক। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সেখানে শুধু মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে নাজেহাল করা হচ্ছে। বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গানো হচ্ছে। এটা তিতুমীরের বাংলাদেশ, হাজী শরীয়তুল্লাহর বাংলাদেশ, শাহ মাখদুমের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙ্গাবেন না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই, আপনারাও শান্তিতে থাকুন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। এই দেশে যারাই জন্মগ্রহণ করবে তারা সমান মর্যাদার ভিত্তিতে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। এটাই বাংলাদেশের ঐতিহ্য। আমাদের ঐতিহ্যের দিকে কেউ যেন কালো হাত না বাড়ায়। যদি বাড়ায় তাহলে ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত তা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সংশয় রয়েছে: জামায়াত আমির


