‘পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শাস্তি দিতে চায় ভারত’
সিটিজেন ডেস্ক

‘পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শাস্তি দিতে চায় ভারত’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২৩: ০৪

ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি: সংগৃহীত
ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে শায়েস্তা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম। তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধ তার অন্যতম বড় উদাহরণ।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিষয়টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দলটি।
ফয়জুল হাকিম বলেন, ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণের প্রভাব বাড়তে থাকে। এতে কৃষি উৎপাদন কমেছে, জীবিকা সংকটে পড়েছে বহু মানুষ এবং অনেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় নিয়েই মাওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে ঐতিহাসিক লংমার্চের আয়োজন করেছিলেন। তিনি পানি ও পরিবেশের প্রশ্নকে রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ করেছিলেন এবং কৃষকের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং দেশের পানিসম্পদ জনগণের স্বার্থে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে শ্রমিক, কৃষক ও নিপীড়িত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মুহাম্মদ কাইয়ুম, মুঈনুদ্দীন আহমেদ, মিতু সরকার, মনোয়ারুল ইসলাম ও আবুল কালামসহ জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের অন্যান্য নেতারা।

ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে শায়েস্তা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম। তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধ তার অন্যতম বড় উদাহরণ।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিষয়টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দলটি।
ফয়জুল হাকিম বলেন, ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণের প্রভাব বাড়তে থাকে। এতে কৃষি উৎপাদন কমেছে, জীবিকা সংকটে পড়েছে বহু মানুষ এবং অনেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় নিয়েই মাওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে ঐতিহাসিক লংমার্চের আয়োজন করেছিলেন। তিনি পানি ও পরিবেশের প্রশ্নকে রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ করেছিলেন এবং কৃষকের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং দেশের পানিসম্পদ জনগণের স্বার্থে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে শ্রমিক, কৃষক ও নিপীড়িত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মুহাম্মদ কাইয়ুম, মুঈনুদ্দীন আহমেদ, মিতু সরকার, মনোয়ারুল ইসলাম ও আবুল কালামসহ জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের অন্যান্য নেতারা।

‘পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শাস্তি দিতে চায় ভারত’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২৩: ০৪

ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি: সংগৃহীত
ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে শায়েস্তা করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম। তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধ তার অন্যতম বড় উদাহরণ।
শনিবার (১৬ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফারাক্কা লংমার্চের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিষয়টি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দলটি।
ফয়জুল হাকিম বলেন, ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মরুকরণের প্রভাব বাড়তে থাকে। এতে কৃষি উৎপাদন কমেছে, জীবিকা সংকটে পড়েছে বহু মানুষ এবং অনেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
তিনি বলেন, ফারাক্কা বাঁধের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় নিয়েই মাওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে ঐতিহাসিক লংমার্চের আয়োজন করেছিলেন। তিনি পানি ও পরিবেশের প্রশ্নকে রাজনৈতিক আন্দোলনের অংশ করেছিলেন এবং কৃষকের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।
ফয়জুল হাকিম আরও বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং দেশের পানিসম্পদ জনগণের স্বার্থে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হলে শ্রমিক, কৃষক ও নিপীড়িত জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সংগ্রাম জোরদার করতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মুহাম্মদ কাইয়ুম, মুঈনুদ্দীন আহমেদ, মিতু সরকার, মনোয়ারুল ইসলাম ও আবুল কালামসহ জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের অন্যান্য নেতারা।
/এমআর/




