কোটি মানুষের পানি এক দিনেই খাচ্ছে এআই

কোটি মানুষের পানি এক দিনেই খাচ্ছে এআই
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান বিশ্ব ক্রমশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইনির্ভর হয়ে উঠছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের উত্তর থেকে শুরু করে জটিল সমস্যার সমাধান—সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে এআইয়ের ব্যবহার। তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির আড়ালে তৈরি হয়েছে নতুন এক উদ্বেগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই পরিচালনায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি ব্যয় হচ্ছে। যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির জন্য দৈনিক প্রায় ২০০ কোটি লিটার পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পরিমাণ পানি দিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক কোটি মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অর্থাৎ, একটি ছোট দেশের পুরো জনগোষ্ঠীর খাবার পানির সমপরিমাণ পানি একাই ব্যবহার করছে এআই খাত।
প্রশ্ন উঠতে পারে, এআই প্রযুক্তিতে এত পানি কেন প্রয়োজন?
মূলত, চ্যাটবট বা বিভিন্ন এআই সেবা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিতে বিশাল ডেটা সেন্টারের ওপর নির্ভর করে। এসব ডেটা সেন্টারে সবসময় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসর চালু থাকে। অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ায় সেগুলো ঠান্ডা রাখতে প্রয়োজন হয় বিপুল পরিমাণ পানির।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যবহারকারী এআই চ্যাটবটে একটি প্রশ্ন করলে তার উত্তর প্রস্তুত করতে প্রায় ৫০০ মিলিলিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত পানি ব্যয় হয়। কারণ, প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে হয়।
এছাড়া শুধু ডেটা সেন্টার পরিচালনাই নয়, এআই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় চিপ ও হার্ডওয়্যার তৈরিতেও বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয়। ফলে সামগ্রিকভাবে এআই খাতের পানির ব্যবহার আরও অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, মানুষের মস্তিষ্ক খুব অল্প শক্তি ও পানির ব্যবহারেই জটিল সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেই তুলনায় এআই প্রযুক্তির বাড়তি নির্ভরতা ভবিষ্যতে পানি, বিদ্যুৎ ও বিরল খনিজসম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এআইয়ের ব্যবহার যত বাড়বে, ততই বাড়বে এর পরিবেশগত প্রভাব। তাই প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়েও এখন থেকেই গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বর্তমান বিশ্ব ক্রমশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইনির্ভর হয়ে উঠছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের উত্তর থেকে শুরু করে জটিল সমস্যার সমাধান—সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে এআইয়ের ব্যবহার। তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির আড়ালে তৈরি হয়েছে নতুন এক উদ্বেগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই পরিচালনায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি ব্যয় হচ্ছে। যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির জন্য দৈনিক প্রায় ২০০ কোটি লিটার পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পরিমাণ পানি দিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক কোটি মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অর্থাৎ, একটি ছোট দেশের পুরো জনগোষ্ঠীর খাবার পানির সমপরিমাণ পানি একাই ব্যবহার করছে এআই খাত।
প্রশ্ন উঠতে পারে, এআই প্রযুক্তিতে এত পানি কেন প্রয়োজন?
মূলত, চ্যাটবট বা বিভিন্ন এআই সেবা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিতে বিশাল ডেটা সেন্টারের ওপর নির্ভর করে। এসব ডেটা সেন্টারে সবসময় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসর চালু থাকে। অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ায় সেগুলো ঠান্ডা রাখতে প্রয়োজন হয় বিপুল পরিমাণ পানির।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যবহারকারী এআই চ্যাটবটে একটি প্রশ্ন করলে তার উত্তর প্রস্তুত করতে প্রায় ৫০০ মিলিলিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত পানি ব্যয় হয়। কারণ, প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে হয়।
এছাড়া শুধু ডেটা সেন্টার পরিচালনাই নয়, এআই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় চিপ ও হার্ডওয়্যার তৈরিতেও বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয়। ফলে সামগ্রিকভাবে এআই খাতের পানির ব্যবহার আরও অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, মানুষের মস্তিষ্ক খুব অল্প শক্তি ও পানির ব্যবহারেই জটিল সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেই তুলনায় এআই প্রযুক্তির বাড়তি নির্ভরতা ভবিষ্যতে পানি, বিদ্যুৎ ও বিরল খনিজসম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এআইয়ের ব্যবহার যত বাড়বে, ততই বাড়বে এর পরিবেশগত প্রভাব। তাই প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়েও এখন থেকেই গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

কোটি মানুষের পানি এক দিনেই খাচ্ছে এআই
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান বিশ্ব ক্রমশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইনির্ভর হয়ে উঠছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রশ্নের উত্তর থেকে শুরু করে জটিল সমস্যার সমাধান—সব ক্ষেত্রেই বাড়ছে এআইয়ের ব্যবহার। তবে প্রযুক্তির এই অগ্রগতির আড়ালে তৈরি হয়েছে নতুন এক উদ্বেগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই পরিচালনায় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি ব্যয় হচ্ছে। যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির জন্য দৈনিক প্রায় ২০০ কোটি লিটার পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পরিমাণ পানি দিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক কোটি মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অর্থাৎ, একটি ছোট দেশের পুরো জনগোষ্ঠীর খাবার পানির সমপরিমাণ পানি একাই ব্যবহার করছে এআই খাত।
প্রশ্ন উঠতে পারে, এআই প্রযুক্তিতে এত পানি কেন প্রয়োজন?
মূলত, চ্যাটবট বা বিভিন্ন এআই সেবা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিতে বিশাল ডেটা সেন্টারের ওপর নির্ভর করে। এসব ডেটা সেন্টারে সবসময় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসর চালু থাকে। অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ায় সেগুলো ঠান্ডা রাখতে প্রয়োজন হয় বিপুল পরিমাণ পানির।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যবহারকারী এআই চ্যাটবটে একটি প্রশ্ন করলে তার উত্তর প্রস্তুত করতে প্রায় ৫০০ মিলিলিটার থেকে এক লিটার পর্যন্ত পানি ব্যয় হয়। কারণ, প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে ডেটা সেন্টারের সার্ভারগুলোকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে হয়।
এছাড়া শুধু ডেটা সেন্টার পরিচালনাই নয়, এআই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় চিপ ও হার্ডওয়্যার তৈরিতেও বিপুল পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয়। ফলে সামগ্রিকভাবে এআই খাতের পানির ব্যবহার আরও অনেক বেশি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, মানুষের মস্তিষ্ক খুব অল্প শক্তি ও পানির ব্যবহারেই জটিল সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেই তুলনায় এআই প্রযুক্তির বাড়তি নির্ভরতা ভবিষ্যতে পানি, বিদ্যুৎ ও বিরল খনিজসম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এআইয়ের ব্যবহার যত বাড়বে, ততই বাড়বে এর পরিবেশগত প্রভাব। তাই প্রযুক্তির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়েও এখন থেকেই গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

৯ সেকেন্ডে সব ডেটা ডিলিট, প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এআই এজেন্ট ব্যবহার


