শিরোনাম

কাজে গাফিলতি করাও দুর্নীতির অংশ: ডেপুটি স্পিকার

নেত্রকোনা  সংবাদদাতা
কাজে গাফিলতি করাও দুর্নীতির অংশ: ডেপুটি স্পিকার
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমি বার বার যে কথাটা বলি, নিজে দুর্নীতি করব না। দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেব না। দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক দুর্নীতি না। কাজের গাফিলতি করাও কিন্তু দুর্নীতির একটা অংশ।

শনিবার (১৬ মে) বিকালে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার ৭৯৪ জন নারীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এরআগে, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

ডেপুটি স্পিকার তার বক্তব্যে আরও বলেন, এই হেলথ কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ড এই দুইটা কার্ড পার্টিকুলারলি জনাব প্রাইম মিনিস্টার সাহেবের একটা ড্রিম প্রজেক্ট এবং এই ড্রিম প্রজেক্টটা তিনি হাতে নিয়েছেন আমাদের দরিদ্র পিতা-মাতার জন্য। আমার স্বামীহারা বোন, যার নুন আনতে পান্তা ফুরায়, খেতে পারে না তাদের জন্য।

তিনি বলেন, আমি যখন নির্বাচনের আগে আমার মা-বোনদের কাছে গিয়েছিলাম। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন মহিলা সমাবেশ করেছিলাম, তখন আমার পকেটে দুইটা কার্ড থাকতো। একটা হেলথ কার্ড, আরেকটা ফ্যামিলি কার্ড। এই দুইটা কার্ড দেখিয়ে আমি আমার মা-বোনদের অনুকম্পা পেয়েছিলাম। দল-মত নির্বিশেষে উনারা আমাকে কারো ভাই হিসেবে, কারো সন্তান হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। আমি তখন আমার নির্বাচনী জনসভায় বলতাম যে, এই কার্ড নিয়ে কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না। যদি কেউ দুর্নীতি করে তাহলে আইনী প্রক্রিয়ায় তাদেরকে চৌদ্দ শিকের ভিতরে দেওয়া হবে।

ডেপুটি স্পিকার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তারপরও ভুলের কারণেই হোক কিংবা যেকোনোভাবেই হোক, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা থেকে আজকে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। এজন্য আমি শুধু দুঃখ প্রকাশই করছি না, লজ্জিতও বটে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক এডভোকেট নুরুজ্জামান নুরু, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

/এমআর/