নবম পে স্কেলের দাবিতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সরকারি চাকরিজীবীদের
সিটিজেন ডেস্ক

নবম পে স্কেলের দাবিতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সরকারি চাকরিজীবীদের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ০২: ০৭

বাংলাদেশ সচিবালয়। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ না রাখলে আগামী ১২ জুন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ না রাখলে আগামী ১২ জুন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নবম পে স্কেলের দাবিতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সরকারি চাকরিজীবীদের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ০২: ০৭

বাংলাদেশ সচিবালয়। ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ না রাখলে আগামী ১২ জুন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে নবম জাতীয় পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত মৌন মিছিল ও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক।
তিনি বলেন, দ্রুত সচিব পর্যায়ের সুপারিশ চূড়ান্ত করে আসন্ন জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে সংগঠনটির সদস্যসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় অধিকাংশ সরকারি কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়েছেন। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে বিদ্যমান বেতনে একটি পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, চিকিৎসা ও সন্তানদের শিক্ষাব্যয় বহন করতে গিয়ে সরকারি কর্মচারীরা চরম চাপের মধ্যে আছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রায় এক ধরনের মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে।
আশিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন বাজেটে নবম পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। অন্যথায় চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
/এমআর/




