ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড
সিটিজেন ডেস্ক

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২২: ৫০

কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নথি দ্রুত ও সহজে যাচাই করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব নথিতে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়, বিদেশে ভিসা আবেদনের সময় বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ নানা আর্থিক নথি জমা দিতে হয়। কিন্তু এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ে।
এই সমস্যা সমাধানে ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল যাচাইব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যুকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড থাকতে হবে।
কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। এর মধ্যে থাকবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি প্রস্তুতের তারিখ। ব্যাংকগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এসব তথ্য কমপক্ষে ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নথি দ্রুত ও সহজে যাচাই করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব নথিতে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়, বিদেশে ভিসা আবেদনের সময় বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ নানা আর্থিক নথি জমা দিতে হয়। কিন্তু এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ে।
এই সমস্যা সমাধানে ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল যাচাইব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যুকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড থাকতে হবে।
কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। এর মধ্যে থাকবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি প্রস্তুতের তারিখ। ব্যাংকগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এসব তথ্য কমপক্ষে ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ভিসা আবেদনের ব্যাংক স্টেটমেন্টে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ২২: ৫০

কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
বিদেশে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় জমা দেওয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নথি দ্রুত ও সহজে যাচাই করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এসব নথিতে বাধ্যতামূলকভাবে কিউআর কোড সংযুক্ত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়, বিদেশে ভিসা আবেদনের সময় বিভিন্ন দূতাবাস ও ভিসা সেন্টারে বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ নানা আর্থিক নথি জমা দিতে হয়। কিন্তু এসব নথি তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়। এতে ভিসা প্রক্রিয়ায় সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় বাড়ে।
এই সমস্যা সমাধানে ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল যাচাইব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিসা আবেদনের জন্য ইস্যুকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং ইনভেস্টমেন্ট সার্টিফিকেটে অনলাইন যাচাইযোগ্য কিউআর কোড থাকতে হবে।
কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখা যাবে। এর মধ্যে থাকবে অ্যাকাউন্ট নম্বর, হিসাবধারীর নাম, স্টেটমেন্টের শুরুর ও শেষের স্থিতি এবং নথি প্রস্তুতের তারিখ। ব্যাংকগুলোকে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এসব তথ্য কমপক্ষে ছয় মাস সংরক্ষণ করতে হবে এবং যাচাইযোগ্য অবস্থায় রাখতে হবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
/এমআর/




