নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা

নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানকে ঘিরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ১৫ সদস্যের পরিষদের বৈঠকে ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তদারকি করা কমিটির কার্যক্রম নিয়ে এই বিরোধ দেখা দেয়।
রাশিয়া ও চীন বৈঠকে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা তদারকি কমিটি নিয়ে আলোচনা বন্ধ করার প্রস্তাব দেয়। তবে ভোটাভুটিতে ১১-২ ব্যবধানে তাদের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায় এবং দুই দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ অভিযোগ করেন, রাশিয়া ও চীন ইরানকে রক্ষা করতেই কমিটির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তার মতে, এই দুই দেশ কার্যকর নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে চাইছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে– এমন অভিযোগ নিয়ে অযথা আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে, যার পক্ষে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কোনো নিশ্চিত প্রমাণ নেই।
জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি ফু কং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক সংকটের ‘মূল উস্কানিদাতা’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শক্তি প্রয়োগ করেছে, যার ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে।
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সব সময় শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কোনো প্রচেষ্টা তেহরান মেনে নেবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর যুক্তি হিসেবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে ইরান দুই সপ্তাহের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারত। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদে জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে তেহরান ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যৌক্তিক। ফ্রান্সের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) আর ইরানের কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ চরিত্র নিশ্চিত করতে পারছে না এবং তেহরানের মজুদ পারমাণবিক উপাদান দিয়ে প্রায় ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানকে ঘিরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ১৫ সদস্যের পরিষদের বৈঠকে ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তদারকি করা কমিটির কার্যক্রম নিয়ে এই বিরোধ দেখা দেয়।
রাশিয়া ও চীন বৈঠকে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা তদারকি কমিটি নিয়ে আলোচনা বন্ধ করার প্রস্তাব দেয়। তবে ভোটাভুটিতে ১১-২ ব্যবধানে তাদের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায় এবং দুই দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ অভিযোগ করেন, রাশিয়া ও চীন ইরানকে রক্ষা করতেই কমিটির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তার মতে, এই দুই দেশ কার্যকর নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে চাইছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে– এমন অভিযোগ নিয়ে অযথা আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে, যার পক্ষে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কোনো নিশ্চিত প্রমাণ নেই।
জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি ফু কং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক সংকটের ‘মূল উস্কানিদাতা’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শক্তি প্রয়োগ করেছে, যার ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে।
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সব সময় শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কোনো প্রচেষ্টা তেহরান মেনে নেবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর যুক্তি হিসেবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে ইরান দুই সপ্তাহের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারত। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদে জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে তেহরান ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যৌক্তিক। ফ্রান্সের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) আর ইরানের কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ চরিত্র নিশ্চিত করতে পারছে না এবং তেহরানের মজুদ পারমাণবিক উপাদান দিয়ে প্রায় ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
সূত্র: রয়টার্স

নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া-চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানকে ঘিরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছে। নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ১৫ সদস্যের পরিষদের বৈঠকে ইরানের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা তদারকি করা কমিটির কার্যক্রম নিয়ে এই বিরোধ দেখা দেয়।
রাশিয়া ও চীন বৈঠকে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা তদারকি কমিটি নিয়ে আলোচনা বন্ধ করার প্রস্তাব দেয়। তবে ভোটাভুটিতে ১১-২ ব্যবধানে তাদের প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায় এবং দুই দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি মাইক ওয়াল্টজ অভিযোগ করেন, রাশিয়া ও চীন ইরানকে রক্ষা করতেই কমিটির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তার মতে, এই দুই দেশ কার্যকর নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে চাইছে।
অন্যদিকে জাতিসংঘে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে– এমন অভিযোগ নিয়ে অযথা আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে, যার পক্ষে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) কোনো নিশ্চিত প্রমাণ নেই।
জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি ফু কং যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের পারমাণবিক সংকটের ‘মূল উস্কানিদাতা’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শক্তি প্রয়োগ করেছে, যার ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে।
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সব সময় শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কোনো প্রচেষ্টা তেহরান মেনে নেবে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর যুক্তি হিসেবে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে ইরান দুই সপ্তাহের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারত। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, এই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদে জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে তেহরান ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যৌক্তিক। ফ্রান্সের মতে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) আর ইরানের কর্মসূচির শান্তিপূর্ণ চরিত্র নিশ্চিত করতে পারছে না এবং তেহরানের মজুদ পারমাণবিক উপাদান দিয়ে প্রায় ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
সূত্র: রয়টার্স




