আল জাজিরার বিশ্লেষণ
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা চরমে

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা চরমে
সিটিজেন ডেস্ক

পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টানার প্রশ্নে দুই দেশের অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে সর্বোচ্চ সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
এ বিয়য়ে অনড় অবস্থানে ইরান। তেহরান দাবি করছে, এ কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত। বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা ও শিল্প গবেষণার প্রয়োজনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের আন্তর্জাতিক অধিকার। যদিও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য মাত্র ৩-৫ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যথেষ্ট, কিন্তু আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর তথ্যমতে, ইরানের ভাণ্ডারে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ পরিমাণ জ্বালানিকে সামান্য পরিশোধিত করলেই তাত্ত্বিকভাবে অন্তত ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে হওয়া ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরান তাদের সমৃদ্ধকরণ ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তিকে 'ত্রুটিপূর্ণ' আখ্যা দিয়ে একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। ইরান বর্তমানে এনপিটি চুক্তির দোহাই দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের এ কারিগরি ও আইনি লড়াইয়ের সুষ্ঠু সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি এড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টানার প্রশ্নে দুই দেশের অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে সর্বোচ্চ সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
এ বিয়য়ে অনড় অবস্থানে ইরান। তেহরান দাবি করছে, এ কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত। বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা ও শিল্প গবেষণার প্রয়োজনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের আন্তর্জাতিক অধিকার। যদিও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য মাত্র ৩-৫ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যথেষ্ট, কিন্তু আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর তথ্যমতে, ইরানের ভাণ্ডারে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ পরিমাণ জ্বালানিকে সামান্য পরিশোধিত করলেই তাত্ত্বিকভাবে অন্তত ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে হওয়া ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরান তাদের সমৃদ্ধকরণ ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তিকে 'ত্রুটিপূর্ণ' আখ্যা দিয়ে একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। ইরান বর্তমানে এনপিটি চুক্তির দোহাই দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের এ কারিগরি ও আইনি লড়াইয়ের সুষ্ঠু সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি এড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা চরমে
সিটিজেন ডেস্ক

পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টানার প্রশ্নে দুই দেশের অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে সর্বোচ্চ সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ওয়াশিংটনের দাবি, যেকোনো সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পূর্বশর্ত হিসেবে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
এ বিয়য়ে অনড় অবস্থানে ইরান। তেহরান দাবি করছে, এ কর্মসূচি সম্পূর্ণ বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত। বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা ও শিল্প গবেষণার প্রয়োজনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা তাদের আন্তর্জাতিক অধিকার। যদিও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য মাত্র ৩-৫ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম যথেষ্ট, কিন্তু আন্তর্জাতিক পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর তথ্যমতে, ইরানের ভাণ্ডারে বর্তমানে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ পরিমাণ জ্বালানিকে সামান্য পরিশোধিত করলেই তাত্ত্বিকভাবে অন্তত ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ওবামা প্রশাসনের আমলে হওয়া ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরান তাদের সমৃদ্ধকরণ ৩.৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে ট্রাম্প ওই চুক্তিকে 'ত্রুটিপূর্ণ' আখ্যা দিয়ে একতরফাভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। ইরান বর্তমানে এনপিটি চুক্তির দোহাই দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য উদ্বেগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের এ কারিগরি ও আইনি লড়াইয়ের সুষ্ঠু সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি এড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব সম্পর্কে যা জানা জরুরি
ইরান ‘অসদাচরণ’ করলে পুনরায় হামলা হতে পারে: ট্রাম্প


