‘কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে, কী করমু, বুঝতেছি না’

‘কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে, কী করমু, বুঝতেছি না’
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের কৃষক জলিল মিয়া কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ধান কাটছেন। হতাশার সুরে তিনি বলেন, অর্ধেক কাটছি, কিন্তু কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে। বাকি ধানের জমি ডুবে গেছে। কী করমু, বুঝতেছি না।
করিমগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর হাওরের কৃষক জহিরুল ইসলাম ৩৫০ মণ ধান মাড়াই শেষে রোদে শুকানোর জন্য খলায় স্তূপ করে রেখেছিলেন। টানা বৃষ্টির কারণে ধান সেভাবেই রয়েছে। এরই মধ্যে স্তূপ করে রাখা ধান থেকে চারা গজিয়েছে। কোনো উপায় না দেখে সেই ধান হাওরে ফেলে দিয়েছেন।
মানিকপুর হাওরের আরেক কৃষক তমিজ উদ্দিনও একই দুঃখের কথা জানান। তিনি বলেন, মাড়াই শেষে ৭০ বস্তা ধান তিনি খলায় রেখেছিলেন। শুকাতে না পেরে ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

নিকলী উপজেলার পাচরুখী এলাকার কৃষক কফিল উদ্দিন জানান, তারা বুক সমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কিন্তু ভেজা ধান ঘরে তুলে শুকানোর উপায় নেই। রোদ না উঠলে ধান পচে যাবে।
একই উপজেলার কুর্শা হাওরের কৃষক সেলিম মিয়া বলেন, একদিকে বজ্রপাত, অন্যদিকে বৃষ্টি, আমাদের সব শেষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পানিতে নেমে ধান কাটছি। এ ধানই আমাদের সারা বছরের ভরসা, তাই সব ঝুঁকি নিচ্ছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার সবকটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১০৯ থেকে ৪০০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে হাওরাঞ্চলের ফসলে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে জেলার প্রায় সব হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। কৃষক শহীদ মিয়া বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেল, আমার পরিবার একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। ধারদেনা করে চাষাবাদ করেছিলাম, এখন সারা বছর কীভাবে চলব!
নিকলী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহাকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম মামুন জানান, বিগত কয়েকদিনের অতি বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতায় অনেক জমি তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে।

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের কৃষক জলিল মিয়া কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ধান কাটছেন। হতাশার সুরে তিনি বলেন, অর্ধেক কাটছি, কিন্তু কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে। বাকি ধানের জমি ডুবে গেছে। কী করমু, বুঝতেছি না।
করিমগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর হাওরের কৃষক জহিরুল ইসলাম ৩৫০ মণ ধান মাড়াই শেষে রোদে শুকানোর জন্য খলায় স্তূপ করে রেখেছিলেন। টানা বৃষ্টির কারণে ধান সেভাবেই রয়েছে। এরই মধ্যে স্তূপ করে রাখা ধান থেকে চারা গজিয়েছে। কোনো উপায় না দেখে সেই ধান হাওরে ফেলে দিয়েছেন।
মানিকপুর হাওরের আরেক কৃষক তমিজ উদ্দিনও একই দুঃখের কথা জানান। তিনি বলেন, মাড়াই শেষে ৭০ বস্তা ধান তিনি খলায় রেখেছিলেন। শুকাতে না পেরে ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

নিকলী উপজেলার পাচরুখী এলাকার কৃষক কফিল উদ্দিন জানান, তারা বুক সমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কিন্তু ভেজা ধান ঘরে তুলে শুকানোর উপায় নেই। রোদ না উঠলে ধান পচে যাবে।
একই উপজেলার কুর্শা হাওরের কৃষক সেলিম মিয়া বলেন, একদিকে বজ্রপাত, অন্যদিকে বৃষ্টি, আমাদের সব শেষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পানিতে নেমে ধান কাটছি। এ ধানই আমাদের সারা বছরের ভরসা, তাই সব ঝুঁকি নিচ্ছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার সবকটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১০৯ থেকে ৪০০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে হাওরাঞ্চলের ফসলে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে জেলার প্রায় সব হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। কৃষক শহীদ মিয়া বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেল, আমার পরিবার একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। ধারদেনা করে চাষাবাদ করেছিলাম, এখন সারা বছর কীভাবে চলব!
নিকলী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহাকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম মামুন জানান, বিগত কয়েকদিনের অতি বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতায় অনেক জমি তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে।

‘কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে, কী করমু, বুঝতেছি না’
কিশোরগঞ্জ সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের কৃষক জলিল মিয়া কোমর পানিতে দাঁড়িয়ে ধান কাটছেন। হতাশার সুরে তিনি বলেন, অর্ধেক কাটছি, কিন্তু কাটা ধান খলায় পচে যাচ্ছে। বাকি ধানের জমি ডুবে গেছে। কী করমু, বুঝতেছি না।
করিমগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর হাওরের কৃষক জহিরুল ইসলাম ৩৫০ মণ ধান মাড়াই শেষে রোদে শুকানোর জন্য খলায় স্তূপ করে রেখেছিলেন। টানা বৃষ্টির কারণে ধান সেভাবেই রয়েছে। এরই মধ্যে স্তূপ করে রাখা ধান থেকে চারা গজিয়েছে। কোনো উপায় না দেখে সেই ধান হাওরে ফেলে দিয়েছেন।
মানিকপুর হাওরের আরেক কৃষক তমিজ উদ্দিনও একই দুঃখের কথা জানান। তিনি বলেন, মাড়াই শেষে ৭০ বস্তা ধান তিনি খলায় রেখেছিলেন। শুকাতে না পেরে ধান পচে নষ্ট হয়ে গেছে।

নিকলী উপজেলার পাচরুখী এলাকার কৃষক কফিল উদ্দিন জানান, তারা বুক সমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কিন্তু ভেজা ধান ঘরে তুলে শুকানোর উপায় নেই। রোদ না উঠলে ধান পচে যাবে।
একই উপজেলার কুর্শা হাওরের কৃষক সেলিম মিয়া বলেন, একদিকে বজ্রপাত, অন্যদিকে বৃষ্টি, আমাদের সব শেষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পানিতে নেমে ধান কাটছি। এ ধানই আমাদের সারা বছরের ভরসা, তাই সব ঝুঁকি নিচ্ছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার সবকটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১০৯ থেকে ৪০০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে হাওরাঞ্চলের ফসলে আরও ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে জেলার প্রায় সব হাওরের ধান তলিয়ে গেছে। কৃষক শহীদ মিয়া বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেল, আমার পরিবার একমাত্র বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। ধারদেনা করে চাষাবাদ করেছিলাম, এখন সারা বছর কীভাবে চলব!
নিকলী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ-সহাকারী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম মামুন জানান, বিগত কয়েকদিনের অতি বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। জলাবদ্ধতায় অনেক জমি তলিয়ে গেছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে।




