
বর্তমানে যে মন্ত্রী এসেছে, সে এই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির নতুন নাম দিয়েছে সমঝোতা। তার মাধ্যমে আমাদের রেল, নৌ এবং সড়কের উন্নয়ন হবে, এটার আশা আমরা দেখি না। সে বাংলাদেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি ও হালাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সে খুনের মামলার আসামী, কিন্তু তাকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রেল খাতের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। বাংলাদেশ-ভারত রেলযোগাযোগ পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থ, যাত্রী-সুবিধা এবং কারিগরি বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়তো বিতর্ক আছে। কিন্তু, তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করেন।