আব্বাসের মতো রবিউলের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও খানখান করে দিবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আব্বাসের মতো রবিউলের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও খানখান করে দিবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নিজস্ব প্রতিবেদক

মির্জা আব্বাসের মতো রবিউল আলমের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও আমরা খানখান করে দিবো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এই রবি নতুন করে মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে। মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যকে আমরা যেভাবে খানখান করেছি, এই রবির চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং খুনের রাজত্বকেও আমরা খানখান করে দিবো। চাঁদাবাজকে সড়ক, রেল ও নৌ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের যে প্ল্যান, তার মধ্যে আমরা চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন করার প্ল্যান দেখতে পাচ্ছি।’
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটন নেভিগলিতে শ্রমজীবী মানুষের সম্মানে আয়োজিত মাসব্যাপী ইফতার কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘রমজানের পরে ঈদ আসতেছে। এই ঈদের সময় মানুষ নৌ, সড়ক এবং রেলে যাতায়াত করবে। রেলে অঢেল দুর্নীতি হয়েছিল। বর্তমানে যে মন্ত্রী এসেছে, সে এই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির নতুন নাম দিয়েছে সমঝোতা। তার মাধ্যমে আমাদের রেল, নৌ এবং সড়কের উন্নয়ন হবে, এটার আশা আমরা দেখি না। সে বাংলাদেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি ও হালাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সে খুনের মামলার আসামী, কিন্তু তাকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার প্ল্যানে কোনো চাঁদাবাজদের রাখবেন না। যদি রাখেন, তাহলে চাঁদাবাজদের যে পরিণতি হয়েছে, আপনাদেরও একই পরিণতি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-৮ এ আমরা আট দফা ইশতেহার দিয়েছিলাম। প্রথম ইশতেহার ছিল শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার। আমরা যখন বিচারের জন্য মাঠে নেমেছিলাম, তখন বলা হয়েছে ইলেকশন বানচাল করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। এখনতো নির্বাচন হয়েছে। তবে শহীদ ওসমান হাদির বিচারের উদ্যোগ এই সরকারের কাছে আমরা দেখিনি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘আমার একজন কাছের বড় ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে ছিলাম। আপনিও আমাদের আন্দোলন দেখেছেন। যা যা করেছেন, এখন ভুলের কাফফারা দিতে শুরু করেন। দ্রুতগতিতে হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিন। এখন ঢাকা-৮ আসনে যিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তার কাছেও আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের বক্তব্য চাই।’
সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসুন। মানুষকে মুক্তি দেন। অর্থনৈতিকভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলুন। আপনারা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ান।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগের অফিসগুলো খোলা শুরু হয়েছে। আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দফারফা হয়েছে। এই মরা-পঁচা আওয়ামী লীগকে বিএনপি যদি নতুন করে বাংলাদেশে পুনর্বাসন করার প্রচেষ্টা চালায়, এটা আমরা শক্তভাবে প্রতিরোধ করবো। ভোট পেয়েছেন, এটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন। ভারতের সঙ্গে যদি কোনো প্রচেষ্টা চালানো হয় এবং ভারতের সঙ্গে করা ডিল অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। তরুণ প্রজন্ম আবারও মাঠে নামবে। আওয়ামী লীগ প্রশ্নে এক বিন্দুও তারা ছাড় দিবে না।’

মির্জা আব্বাসের মতো রবিউল আলমের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও আমরা খানখান করে দিবো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এই রবি নতুন করে মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে। মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যকে আমরা যেভাবে খানখান করেছি, এই রবির চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং খুনের রাজত্বকেও আমরা খানখান করে দিবো। চাঁদাবাজকে সড়ক, রেল ও নৌ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের যে প্ল্যান, তার মধ্যে আমরা চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন করার প্ল্যান দেখতে পাচ্ছি।’
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটন নেভিগলিতে শ্রমজীবী মানুষের সম্মানে আয়োজিত মাসব্যাপী ইফতার কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘রমজানের পরে ঈদ আসতেছে। এই ঈদের সময় মানুষ নৌ, সড়ক এবং রেলে যাতায়াত করবে। রেলে অঢেল দুর্নীতি হয়েছিল। বর্তমানে যে মন্ত্রী এসেছে, সে এই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির নতুন নাম দিয়েছে সমঝোতা। তার মাধ্যমে আমাদের রেল, নৌ এবং সড়কের উন্নয়ন হবে, এটার আশা আমরা দেখি না। সে বাংলাদেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি ও হালাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সে খুনের মামলার আসামী, কিন্তু তাকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার প্ল্যানে কোনো চাঁদাবাজদের রাখবেন না। যদি রাখেন, তাহলে চাঁদাবাজদের যে পরিণতি হয়েছে, আপনাদেরও একই পরিণতি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-৮ এ আমরা আট দফা ইশতেহার দিয়েছিলাম। প্রথম ইশতেহার ছিল শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার। আমরা যখন বিচারের জন্য মাঠে নেমেছিলাম, তখন বলা হয়েছে ইলেকশন বানচাল করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। এখনতো নির্বাচন হয়েছে। তবে শহীদ ওসমান হাদির বিচারের উদ্যোগ এই সরকারের কাছে আমরা দেখিনি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘আমার একজন কাছের বড় ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে ছিলাম। আপনিও আমাদের আন্দোলন দেখেছেন। যা যা করেছেন, এখন ভুলের কাফফারা দিতে শুরু করেন। দ্রুতগতিতে হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিন। এখন ঢাকা-৮ আসনে যিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তার কাছেও আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের বক্তব্য চাই।’
সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসুন। মানুষকে মুক্তি দেন। অর্থনৈতিকভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলুন। আপনারা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ান।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগের অফিসগুলো খোলা শুরু হয়েছে। আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দফারফা হয়েছে। এই মরা-পঁচা আওয়ামী লীগকে বিএনপি যদি নতুন করে বাংলাদেশে পুনর্বাসন করার প্রচেষ্টা চালায়, এটা আমরা শক্তভাবে প্রতিরোধ করবো। ভোট পেয়েছেন, এটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন। ভারতের সঙ্গে যদি কোনো প্রচেষ্টা চালানো হয় এবং ভারতের সঙ্গে করা ডিল অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। তরুণ প্রজন্ম আবারও মাঠে নামবে। আওয়ামী লীগ প্রশ্নে এক বিন্দুও তারা ছাড় দিবে না।’

আব্বাসের মতো রবিউলের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও খানখান করে দিবো: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নিজস্ব প্রতিবেদক

মির্জা আব্বাসের মতো রবিউল আলমের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্যকেও আমরা খানখান করে দিবো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এই রবি নতুন করে মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে। মির্জা আব্বাসের সাম্রাজ্যকে আমরা যেভাবে খানখান করেছি, এই রবির চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং খুনের রাজত্বকেও আমরা খানখান করে দিবো। চাঁদাবাজকে সড়ক, রেল ও নৌ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের যে প্ল্যান, তার মধ্যে আমরা চাঁদাবাজদের পুনর্বাসন করার প্ল্যান দেখতে পাচ্ছি।’
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটন নেভিগলিতে শ্রমজীবী মানুষের সম্মানে আয়োজিত মাসব্যাপী ইফতার কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘রমজানের পরে ঈদ আসতেছে। এই ঈদের সময় মানুষ নৌ, সড়ক এবং রেলে যাতায়াত করবে। রেলে অঢেল দুর্নীতি হয়েছিল। বর্তমানে যে মন্ত্রী এসেছে, সে এই দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির নতুন নাম দিয়েছে সমঝোতা। তার মাধ্যমে আমাদের রেল, নৌ এবং সড়কের উন্নয়ন হবে, এটার আশা আমরা দেখি না। সে বাংলাদেশে চাঁদাবাজিকে স্বীকৃতি ও হালাল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। সে খুনের মামলার আসামী, কিন্তু তাকে তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার প্ল্যানে কোনো চাঁদাবাজদের রাখবেন না। যদি রাখেন, তাহলে চাঁদাবাজদের যে পরিণতি হয়েছে, আপনাদেরও একই পরিণতি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-৮ এ আমরা আট দফা ইশতেহার দিয়েছিলাম। প্রথম ইশতেহার ছিল শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার। আমরা যখন বিচারের জন্য মাঠে নেমেছিলাম, তখন বলা হয়েছে ইলেকশন বানচাল করার জন্য এগুলো করা হচ্ছে। এখনতো নির্বাচন হয়েছে। তবে শহীদ ওসমান হাদির বিচারের উদ্যোগ এই সরকারের কাছে আমরা দেখিনি।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে উদ্দেশ করে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘আমার একজন কাছের বড় ভাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে মাঠে ছিলাম। আপনিও আমাদের আন্দোলন দেখেছেন। যা যা করেছেন, এখন ভুলের কাফফারা দিতে শুরু করেন। দ্রুতগতিতে হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের উদ্যোগ নিন। এখন ঢাকা-৮ আসনে যিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তার কাছেও আমরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের বক্তব্য চাই।’
সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসুন। মানুষকে মুক্তি দেন। অর্থনৈতিকভাবে তাদের স্বাবলম্বী করে তুলুন। আপনারা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ান।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘নির্বাচনের পরে আওয়ামী লীগের অফিসগুলো খোলা শুরু হয়েছে। আমরা সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিতে চাই, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দফারফা হয়েছে। এই মরা-পঁচা আওয়ামী লীগকে বিএনপি যদি নতুন করে বাংলাদেশে পুনর্বাসন করার প্রচেষ্টা চালায়, এটা আমরা শক্তভাবে প্রতিরোধ করবো। ভোট পেয়েছেন, এটার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন। ভারতের সঙ্গে যদি কোনো প্রচেষ্টা চালানো হয় এবং ভারতের সঙ্গে করা ডিল অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। তরুণ প্রজন্ম আবারও মাঠে নামবে। আওয়ামী লীগ প্রশ্নে এক বিন্দুও তারা ছাড় দিবে না।’




