‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলছে’
সিটিজেন ডেস্ক

‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলছে’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৭

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এ সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সেতুমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
বর্তমানে যমুনা নদীর ওপর বিদ্যমান সেতুটি সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় সেখানে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যে সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটির জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে যেখানে মূলত তিনটি সম্ভাব্য রুট বা অ্যালাইনমেন্ট বিবেচনায় রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা থেকে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত সংযোগ, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সেতু অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর। তবে চলমান এই সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই কারিগরি দিক বিবেচনা করে সেতুর চূড়ান্ত অবস্থান বা অ্যালাইনমেন্ট নিশ্চিত করা হবে বলে সংসদকে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এ সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সেতুমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
বর্তমানে যমুনা নদীর ওপর বিদ্যমান সেতুটি সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় সেখানে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যে সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটির জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে যেখানে মূলত তিনটি সম্ভাব্য রুট বা অ্যালাইনমেন্ট বিবেচনায় রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা থেকে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত সংযোগ, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সেতু অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর। তবে চলমান এই সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই কারিগরি দিক বিবেচনা করে সেতুর চূড়ান্ত অবস্থান বা অ্যালাইনমেন্ট নিশ্চিত করা হবে বলে সংসদকে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম চলছে’
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪৭

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে এবং বর্তমানে এ সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সেতুমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প।
বর্তমানে যমুনা নদীর ওপর বিদ্যমান সেতুটি সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় সেখানে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যে সেতু বিভাগের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটির জন্য বর্তমানে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ চলছে যেখানে মূলত তিনটি সম্ভাব্য রুট বা অ্যালাইনমেন্ট বিবেচনায় রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা থেকে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা পর্যন্ত সংযোগ, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সেতু অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর। তবে চলমান এই সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই কারিগরি দিক বিবেচনা করে সেতুর চূড়ান্ত অবস্থান বা অ্যালাইনমেন্ট নিশ্চিত করা হবে বলে সংসদকে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।
/এমএকে/

৬ ও ৮ লেনে উন্নীত হবে ৬০০ কিমি মহাসড়ক


