দেশ গঠনে প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশ গঠনে প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশ গঠনে নাগরিক হিসেবে প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) জোহরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলকে দেখা গেছে নীরব ভূমিকায়।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অসময়ে হত্যা করা না হলে বাংলাদেশ আজ একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের প্রতিটি ক্রান্তিকালে জাতির জন্য মুক্তির দিশারি, আলোকবর্তিকা ও বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
দেশ গঠনে নাগরিক হিসেবে প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন।

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে তিনি নির্মমভাবে শহীদ হন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এই বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তার অসামান্য অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

আজ ৩০ মে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। তিনি ছিলেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধির ধারায় নিয়ে যাওয়ার পথিকৃৎ।

মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে দলের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিবসের কর্মসূচিতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. খাদিজা আক্তার। এ সময় তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ করা থেকে বিরত থাকেন বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

পরবর্তীতে তিনি ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন। এটাকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘প্রকৃত ইতিহাস’ বলে অভিহিত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন প্রদান করে। পরে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

২০১৭ সাল থেকে জাতীয়ভাবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। যথাযথভাবে দিবসটি পালনে নানান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বের যে নতুন স্টাইল দেখিয়েছেন তাতে চীন খুবই আশাবাদী।’

জিয়ারতকালে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পাশাপাশি দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা পর্যায়ক্রমে সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন এবং শ্রদ্ধা জানান।

একই পরিবারের তিনজনের দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার নজির আছে নিকারাগুয়ায়। দেশটিতে এই রাজনৈতিক পরিবার ‘সামোজা পরিবার’ নামে পরিচিত।

প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট সকল অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরকে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যেসব বিষয়কে সমস্যা মনে করেছি, সেগুলো ইসিকে জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি আসন্ন নির্বাচনে এই কমিশন যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করবে।

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তিনি ছিলেন তার জীবদ্দশায় সকল ক্রান্তিকাল উত্তরণে অন্যতম দিশারী।
