ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং আরও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রধান তিন আসামিকে দুই লাখ টাকা এবং অন্য তিন আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বরিবার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আনিস ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম এবং মো. দুলালকে প্রাকৃতিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একই সঙ্গে আদালত উল্লেখ করেন, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫-এ ধারার সুবিধা কিংবা জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের সুবিধা পাবেন না।
এ ছাড়া মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। দণ্ডিতদের বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায়যোগ্য হবে। এ লক্ষ্যে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোল পাম্পের নিকট থেকে কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তিনজন পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং অন্য তিনজন এ কাজে সহযোগিতা করে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার স্থানীয়দের সহায়তায় আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত করে। পরে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক মো. আনিস ওরফে রানার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা ভোগের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং আরও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রধান তিন আসামিকে দুই লাখ টাকা এবং অন্য তিন আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বরিবার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আনিস ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম এবং মো. দুলালকে প্রাকৃতিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একই সঙ্গে আদালত উল্লেখ করেন, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫-এ ধারার সুবিধা কিংবা জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের সুবিধা পাবেন না।
এ ছাড়া মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। দণ্ডিতদের বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায়যোগ্য হবে। এ লক্ষ্যে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোল পাম্পের নিকট থেকে কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তিনজন পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং অন্য তিনজন এ কাজে সহযোগিতা করে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার স্থানীয়দের সহায়তায় আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত করে। পরে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক মো. আনিস ওরফে রানার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা ভোগের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলায় তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং আরও তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রধান তিন আসামিকে দুই লাখ টাকা এবং অন্য তিন আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বরিবার (১৯ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর এ রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আনিস ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম এবং মো. দুলালকে প্রাকৃতিক মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। একই সঙ্গে আদালত উল্লেখ করেন, তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫-এ ধারার সুবিধা কিংবা জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের সুবিধা পাবেন না।
এ ছাড়া মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু এবং মো. লালুকে একই মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। দণ্ডিতদের বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায়যোগ্য হবে। এ লক্ষ্যে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশে একটি পেট্রোল পাম্পের নিকট থেকে কয়েকজন যুবক তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তিনজন পর্যায়ক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং অন্য তিনজন এ কাজে সহযোগিতা করে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবার স্থানীয়দের সহায়তায় আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত করে। পরে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক মো. আনিস ওরফে রানার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা ভোগের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

কারাগার থেকে নারী বন্দির পলায়ন: বরখাস্ত ৭







