রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
সিটিজেন ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে।
তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ১৮৯৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশের গুলিতে হতাহতের ঘটনা বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত, আহত ও শহিদ শ্রমিকদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম এবং তারাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।
এ সময় তিনি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের সম্পর্ক শিল্প উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে।
তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ১৮৯৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশের গুলিতে হতাহতের ঘটনা বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত, আহত ও শহিদ শ্রমিকদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম এবং তারাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।
এ সময় তিনি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের সম্পর্ক শিল্প উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
সিটিজেন ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হয়ে উঠেছে, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তার ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রম কল্যাণের ভিত মজবুত করেছে।
তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে জিয়াউর রহমানের যে কর্মপরিকল্পনা তাতে পূর্ণতা দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেগম খালেদা জিয়া।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, ১৮৯৬ সালের ১ মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে দৈনিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশের গুলিতে হতাহতের ঘটনা বিশ্বব্যাপী শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত, আহত ও শহিদ শ্রমিকদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণযোগ্য। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম এবং তারাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।
দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম দেশের অর্থনীতি ও সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের অবদান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।
এ সময় তিনি শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের সম্পর্ক শিল্প উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন’


