প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বাজেট কত, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বাজেট কত, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট ১০০ টাকা বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ক্যাবিনেটের সবার জন্যই অর্থ সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবার বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
রবিবার (৩১ মে) বিকালে সিলেটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত তিন মাস ধরে আপনারা দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলী দেখছেন। তার নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা এবং কঠোর পরিশ্রম।
সরকারের পরিমিতিবোধের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট মাত্র ১০০ টাকা। এই বাজেট ক্যাবিনেটের সবার জন্যই সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
‘একজন অভিভাবকের মতো এই পরিমিতিবোধ ও সততা শতভাগ বজায় রাখায় দেশের মানুষ তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে,’ যোগ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসন থেকে শুরু করে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি সব দিকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন। তার সাহসী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছিল।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট ১০০ টাকা বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ক্যাবিনেটের সবার জন্যই অর্থ সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবার বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
রবিবার (৩১ মে) বিকালে সিলেটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত তিন মাস ধরে আপনারা দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলী দেখছেন। তার নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা এবং কঠোর পরিশ্রম।
সরকারের পরিমিতিবোধের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট মাত্র ১০০ টাকা। এই বাজেট ক্যাবিনেটের সবার জন্যই সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
‘একজন অভিভাবকের মতো এই পরিমিতিবোধ ও সততা শতভাগ বজায় রাখায় দেশের মানুষ তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে,’ যোগ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসন থেকে শুরু করে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি সব দিকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন। তার সাহসী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছিল।

প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বাজেট কত, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট ১০০ টাকা বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ক্যাবিনেটের সবার জন্যই অর্থ সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবার বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
রবিবার (৩১ মে) বিকালে সিলেটে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত তিন মাস ধরে আপনারা দেশের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনায়ক তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বের গুণাবলী দেখছেন। তার নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য পরিমিতিবোধ, শৃঙ্খলা এবং কঠোর পরিশ্রম।
সরকারের পরিমিতিবোধের উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের সরকারি বাজেট মাত্র ১০০ টাকা। এই বাজেট ক্যাবিনেটের সবার জন্যই সমভাবে নির্ধারিত। অথচ বিগত দিনে দেখা গেছে, একেকজন প্রধানমন্ত্রীর দুপুরের খাবারের বিলই আসত দেড় লাখ টাকা।
‘একজন অভিভাবকের মতো এই পরিমিতিবোধ ও সততা শতভাগ বজায় রাখায় দেশের মানুষ তার ওপর পূর্ণ আস্থা রেখেছে,’ যোগ করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে শহীদ জিয়ার ভূমিকা ছিল অনন্য। তিনি অল্প সময়ের মধ্যে প্রশাসন থেকে শুরু করে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি সব দিকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন। তার সাহসী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছিল।

দেশের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে: প্রধানমন্ত্রী


