পাকিস্তানের হুমকির জবাবে যা বললো ভারত
পাকিস্তানের হুমকির জবাবে যা বললো ভারত
সিন্ধু নদের পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও চরম উত্তেজনার মুখে পড়েছে।


পাকিস্তান শাসিত কাশ্মির দখল করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২৭ জুলাই আজাদ কাশ্মিরের তিন বিভাগের সব জেলায় একযোগে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সহিংসতার কারণে

পাকিস্তান-শাসিত আজাদ কাশ্মীরে রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারের দাবিতে চলা আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে গত দুই দিনে অন্তত ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক দল পিএমএল-এন এর প্রধান নওয়াজ শরিফ বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে অনুরোধ জানাবেন তাকে যেন আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
সিন্ধু নদের পানি বণ্টন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও চরম উত্তেজনার মুখে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাওয়ালাকোটের ঈদগাহ ময়দানে এ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয় ‘জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি’ (জেএএসি)। সমাবেশে প্রায় ৭০ হাজার বিক্ষোভকারী অংশ নেয়।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মিরে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জনেরও বেশি নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।

জেএএসি সমর্থকরা রাওয়ালাকোট শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালায় এবং পরে একটি সামরিক হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। এর ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে নয়াদিল্লির দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান জানিয়েছে, বিতর্কিত অঞ্চলটি কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং ভবিষ্যতেও কখনো তা হবে না।

ড্রোন প্রযুক্তি উচ্চ গতি, কম খরচ ও সহজলভ্যতার কারণে আধুনিক যুদ্ধের ধারাকে আমূল বদলে দিয়েছে। ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পর্যন্ত– ড্রোনকেন্দ্রিক যুদ্ধই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে।

জোজিলা পাস শীতকালে প্রায় পাঁচ মাস বন্ধ থাকত। তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত তুষার পরিষ্কার ব্যবস্থার কারণে এবার শীত মৌসুমে মাত্র চার দিন ছাড়া বাকি সময় সড়কটি খোলা রাখা হয় বলে জানিয়েছে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)।

রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নূর খান বিমান ঘাঁটিকে পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
