কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়: পাকিস্তান

কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়: পাকিস্তান
সিটিজেন ডেস্ক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে নয়াদিল্লির দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান জানিয়েছে, বিতর্কিত অঞ্চলটি কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং ভবিষ্যতেও কখনো তা হবে না।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশের দেওয়া বক্তব্যের জবাবে রাইট অব রিপ্লাইয়েে এ মন্তব্য করেন পাকিস্তানি প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, যা দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডায় রয়েছে। ইতিহাস, আইন ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়েে বলেন, কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন সংকটের গুরুত্ব বিশ্বমঞ্চে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ভারত-পাকিস্তান প্রশ্ন’ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে ২০টিরও বেশি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা পড়েছে এবং একই বছরের মে মাসে এ নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ সাত দশক ধরে ইস্যুটি নিরাপত্তা পরিষদের নজরে থাকা এর গুরুত্বেরই বহিঃপ্রকাশ। দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী এ বিরোধের ন্যায়সংগত সমাধান জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত গাজার চলমান মানবিক সংকটকে নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি গাজা শান্তি পরিকল্পনা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। একই সঙ্গে, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরিফকে (পূর্ব জেরুজালেম) রাজধানী করে একটি স্বাধীন, টেকসই ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে পাকিস্তানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এছাড়া, বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বিশেষ রাজনৈতিক মিশনগুলোর ভূমিকা আরও কার্যকর ও পর্যাপ্ত সম্পদসমৃদ্ধ করার ওপর জোর দেন আসিম আহমেদ। বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি গণতান্ত্রিক, প্রতিনিধিত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দাবি জানানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর গভীর উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সূত্র: জিও নিউজ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে নয়াদিল্লির দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান জানিয়েছে, বিতর্কিত অঞ্চলটি কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং ভবিষ্যতেও কখনো তা হবে না।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশের দেওয়া বক্তব্যের জবাবে রাইট অব রিপ্লাইয়েে এ মন্তব্য করেন পাকিস্তানি প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, যা দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডায় রয়েছে। ইতিহাস, আইন ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়েে বলেন, কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন সংকটের গুরুত্ব বিশ্বমঞ্চে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ভারত-পাকিস্তান প্রশ্ন’ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে ২০টিরও বেশি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা পড়েছে এবং একই বছরের মে মাসে এ নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ সাত দশক ধরে ইস্যুটি নিরাপত্তা পরিষদের নজরে থাকা এর গুরুত্বেরই বহিঃপ্রকাশ। দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী এ বিরোধের ন্যায়সংগত সমাধান জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত গাজার চলমান মানবিক সংকটকে নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি গাজা শান্তি পরিকল্পনা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। একই সঙ্গে, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরিফকে (পূর্ব জেরুজালেম) রাজধানী করে একটি স্বাধীন, টেকসই ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে পাকিস্তানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এছাড়া, বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বিশেষ রাজনৈতিক মিশনগুলোর ভূমিকা আরও কার্যকর ও পর্যাপ্ত সম্পদসমৃদ্ধ করার ওপর জোর দেন আসিম আহমেদ। বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি গণতান্ত্রিক, প্রতিনিধিত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দাবি জানানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর গভীর উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সূত্র: জিও নিউজ

কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়: পাকিস্তান
সিটিজেন ডেস্ক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যুতে নয়াদিল্লির দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান জানিয়েছে, বিতর্কিত অঞ্চলটি কখনোই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল না এবং ভবিষ্যতেও কখনো তা হবে না।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভাথানেনি হরিশের দেওয়া বক্তব্যের জবাবে রাইট অব রিপ্লাইয়েে এ মন্তব্য করেন পাকিস্তানি প্রতিনিধি গুল কায়সার সারওয়ানি। তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এখনো একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল, যা দীর্ঘ সময় ধরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এজেন্ডায় রয়েছে। ইতিহাস, আইন ও আন্তর্জাতিক বাস্তবতাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ নিরাপত্তা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়েে বলেন, কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন সংকটের গুরুত্ব বিশ্বমঞ্চে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘ভারত-পাকিস্তান প্রশ্ন’ নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে ২০টিরও বেশি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ জমা পড়েছে এবং একই বছরের মে মাসে এ নিয়ে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ সাত দশক ধরে ইস্যুটি নিরাপত্তা পরিষদের নজরে থাকা এর গুরুত্বেরই বহিঃপ্রকাশ। দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী এ বিরোধের ন্যায়সংগত সমাধান জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত গাজার চলমান মানবিক সংকটকে নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি গাজা শান্তি পরিকল্পনা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। একই সঙ্গে, ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরিফকে (পূর্ব জেরুজালেম) রাজধানী করে একটি স্বাধীন, টেকসই ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে পাকিস্তানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
এছাড়া, বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং বিশেষ রাজনৈতিক মিশনগুলোর ভূমিকা আরও কার্যকর ও পর্যাপ্ত সম্পদসমৃদ্ধ করার ওপর জোর দেন আসিম আহমেদ। বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি গণতান্ত্রিক, প্রতিনিধিত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দাবি জানানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর গভীর উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সূত্র: জিও নিউজ

পাকিস্তানের বড় দুশ্চিন্তার কারণ ভারতের অত্যাধুনিক ‘এস-৪০০’ 


