আরও দুই মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন

আরও দুই মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন
সিজেডএন ডেস্ক

ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা আরও দুই মামলায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের বিষয়ে আগে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৩ আগস্ট একই হাইকোর্ট বেঞ্চ ভাঙচুর, হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন দেন।
তবে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এই মুহূর্তে কারামুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় রোববার তার মক্কেলের জামিন হয়েছে। এর মধ্যে একটি ভাঙচুর এবং অন্যটি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলা।
তিনি বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ধর্মকেন্দ্রিক দুটি সিআর মামলায় তিনি আগে থেকেই জামিনে রয়েছেন।
আইনজীবী অপূর্ব কুমার আরও জানান, একই সময়ের প্রেক্ষাপটে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। চারটি মামলায় হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। অপর একটি মামলা বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার শুরু হয়। ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।
ওই মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।
সেই সময় চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই হত্যা মামলায়ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।
এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে পুলিশের দায়ের করা তিনটি এবং নিহত আইনজীবী আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাও রয়েছে।

ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা আরও দুই মামলায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের বিষয়ে আগে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৩ আগস্ট একই হাইকোর্ট বেঞ্চ ভাঙচুর, হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন দেন।
তবে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এই মুহূর্তে কারামুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় রোববার তার মক্কেলের জামিন হয়েছে। এর মধ্যে একটি ভাঙচুর এবং অন্যটি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলা।
তিনি বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ধর্মকেন্দ্রিক দুটি সিআর মামলায় তিনি আগে থেকেই জামিনে রয়েছেন।
আইনজীবী অপূর্ব কুমার আরও জানান, একই সময়ের প্রেক্ষাপটে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। চারটি মামলায় হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। অপর একটি মামলা বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার শুরু হয়। ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।
ওই মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।
সেই সময় চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই হত্যা মামলায়ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।
এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে পুলিশের দায়ের করা তিনটি এবং নিহত আইনজীবী আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাও রয়েছে।

আরও দুই মামলায় চিন্ময় দাসের জামিন
সিজেডএন ডেস্ক

ভাঙচুর এবং পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা আরও দুই মামলায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিনের বিষয়ে আগে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ৩ আগস্ট একই হাইকোর্ট বেঞ্চ ভাঙচুর, হামলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে জামিন দেন।
তবে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় এই মুহূর্তে কারামুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় রোববার তার মক্কেলের জামিন হয়েছে। এর মধ্যে একটি ভাঙচুর এবং অন্যটি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলা।
তিনি বলেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ধর্মকেন্দ্রিক দুটি সিআর মামলায় তিনি আগে থেকেই জামিনে রয়েছেন।
আইনজীবী অপূর্ব কুমার আরও জানান, একই সময়ের প্রেক্ষাপটে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলার মধ্যে পাঁচটিতে জামিন পেয়েছেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস। চারটি মামলায় হাইকোর্টের রুলের বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে। অপর একটি মামলা বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার মধ্য দিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ার শুরু হয়। ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।
ওই মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করেন।
সেই সময় চিন্ময়ের অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই হত্যা মামলায়ও চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন আদালত।
এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলাতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে পুলিশের দায়ের করা তিনটি এবং নিহত আইনজীবী আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাও রয়েছে।









