মানবাধিকার কমিশন বিলের আলোচনা ওয়াকআউট বিরোধী দলের

মানবাধিকার কমিশন বিলের আলোচনা ওয়াকআউট বিরোধী দলের
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবাধিকার কমিশন আইনকে ‘দুর্বল আইন’ আখ্যা দিয়ে আইনটির আলোচনা চলাকালে সংসদ অধিবেশন ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আইনটি নিয়ে বিলের প্রস্তাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে অধিবেশন ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
এদিন সংসদ অধিবেশন চলাকালে ‘মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এ সময় বিলটির বিরোধিতা করে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত যে বিলটি এসেছে, সেখানে আইনের দ্বৈত ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনকে একটি ইউনিফর্ম অথরিটি দেওয়া হয়নি। সাধারণ কোনো মানুষ যখন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে, তখন মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে। তবে যদি কোনো বাহিনী এতে জড়িত থাকে, তাহলে বাহিনীকে নোটিশ দেওয়া হবে– ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। কিন্তু যদি বাহিনী প্রথম নোটিশের ব্যাখ্যা না দেয়, তবে কী হবে– এখানে তার নির্দেশনা নেই। তবে প্রথমবার যদি ব্যাখ্যা দেয়, সেটা সন্তোষজনক না মনে হলে কমিশন আবার ব্যাখ্যা চাইলে পারে। দ্বিতীয়বার জবাব না দিলে তারা (মানবাধিকার কমিশন) সেখানে সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, যদি প্রথমবারেই নোটিশের জবাব না দেয়, তবে কি হবে– এটার কোনো দিকনির্দেশনা নেই। আর আইনের দ্বৈত প্রয়োগ তো হতে পারে না। রাষ্ট্রের বাহিনী তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী, মানলাম। কিন্তু তারাও এই দেশের নাগরিক। একই আইনে একজনের জন্য সরাসরি ইনভেস্টিগেশন, অন্যজনের জন্য সেটা আটকে যাবে– এমনটা হতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যেহেতু আইনটি দুর্বল ফর্মে আনা হচ্ছে– ফলে আমরা এই আইন পাশ করার অংশীদার হবো না। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমরা এই আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না। আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।
এসময় স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাকে ওয়াকআউট করার জন্য ধন্যবাদ।

মানবাধিকার কমিশন আইনকে ‘দুর্বল আইন’ আখ্যা দিয়ে আইনটির আলোচনা চলাকালে সংসদ অধিবেশন ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আইনটি নিয়ে বিলের প্রস্তাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে অধিবেশন ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
এদিন সংসদ অধিবেশন চলাকালে ‘মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এ সময় বিলটির বিরোধিতা করে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত যে বিলটি এসেছে, সেখানে আইনের দ্বৈত ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনকে একটি ইউনিফর্ম অথরিটি দেওয়া হয়নি। সাধারণ কোনো মানুষ যখন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে, তখন মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে। তবে যদি কোনো বাহিনী এতে জড়িত থাকে, তাহলে বাহিনীকে নোটিশ দেওয়া হবে– ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। কিন্তু যদি বাহিনী প্রথম নোটিশের ব্যাখ্যা না দেয়, তবে কী হবে– এখানে তার নির্দেশনা নেই। তবে প্রথমবার যদি ব্যাখ্যা দেয়, সেটা সন্তোষজনক না মনে হলে কমিশন আবার ব্যাখ্যা চাইলে পারে। দ্বিতীয়বার জবাব না দিলে তারা (মানবাধিকার কমিশন) সেখানে সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, যদি প্রথমবারেই নোটিশের জবাব না দেয়, তবে কি হবে– এটার কোনো দিকনির্দেশনা নেই। আর আইনের দ্বৈত প্রয়োগ তো হতে পারে না। রাষ্ট্রের বাহিনী তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী, মানলাম। কিন্তু তারাও এই দেশের নাগরিক। একই আইনে একজনের জন্য সরাসরি ইনভেস্টিগেশন, অন্যজনের জন্য সেটা আটকে যাবে– এমনটা হতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যেহেতু আইনটি দুর্বল ফর্মে আনা হচ্ছে– ফলে আমরা এই আইন পাশ করার অংশীদার হবো না। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমরা এই আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না। আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।
এসময় স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাকে ওয়াকআউট করার জন্য ধন্যবাদ।

মানবাধিকার কমিশন বিলের আলোচনা ওয়াকআউট বিরোধী দলের
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানবাধিকার কমিশন আইনকে ‘দুর্বল আইন’ আখ্যা দিয়ে আইনটির আলোচনা চলাকালে সংসদ অধিবেশন ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আইনটি নিয়ে বিলের প্রস্তাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে অধিবেশন ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
এদিন সংসদ অধিবেশন চলাকালে ‘মানবাধিকার কমিশন বিল ২০২৬’ নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এ সময় বিলটির বিরোধিতা করে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত যে বিলটি এসেছে, সেখানে আইনের দ্বৈত ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনকে একটি ইউনিফর্ম অথরিটি দেওয়া হয়নি। সাধারণ কোনো মানুষ যখন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে, তখন মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে। তবে যদি কোনো বাহিনী এতে জড়িত থাকে, তাহলে বাহিনীকে নোটিশ দেওয়া হবে– ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। কিন্তু যদি বাহিনী প্রথম নোটিশের ব্যাখ্যা না দেয়, তবে কী হবে– এখানে তার নির্দেশনা নেই। তবে প্রথমবার যদি ব্যাখ্যা দেয়, সেটা সন্তোষজনক না মনে হলে কমিশন আবার ব্যাখ্যা চাইলে পারে। দ্বিতীয়বার জবাব না দিলে তারা (মানবাধিকার কমিশন) সেখানে সরাসরি তার ইনভেস্টিগেশন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, যদি প্রথমবারেই নোটিশের জবাব না দেয়, তবে কি হবে– এটার কোনো দিকনির্দেশনা নেই। আর আইনের দ্বৈত প্রয়োগ তো হতে পারে না। রাষ্ট্রের বাহিনী তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী, মানলাম। কিন্তু তারাও এই দেশের নাগরিক। একই আইনে একজনের জন্য সরাসরি ইনভেস্টিগেশন, অন্যজনের জন্য সেটা আটকে যাবে– এমনটা হতে পারে না।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যেহেতু আইনটি দুর্বল ফর্মে আনা হচ্ছে– ফলে আমরা এই আইন পাশ করার অংশীদার হবো না। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট, আমরা এই আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না। আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।
এসময় স্পিকার বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনাকে ওয়াকআউট করার জন্য ধন্যবাদ।

কারণ ছাড়া ওয়াকআউট করেন, এটা দুঃখজনক: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী







